আইরিন গর্ভকালীন সময়ে প্রায়ই অসুস্থ থাকতেন। হঠাৎ নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার সন্তানটির জন্ম হয়ে যায়। সন্তানটিও প্রায়ই অসুস্থ থাকে। যেকোনো আবহাওয়া ও পরিবেশে সে খাপ খাওয়াতে পারে না। আইরিন ডাক্তারের কাছে সন্তান সম্পর্কে অনেক নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। ডাক্তার বলেন, পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন পরিস্থিতি সন্তানের ওপর বাবা-মায়ের মনোভাবে ভিন্নতা তৈরি করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গর্ভবতী মায়ের দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।

উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। 

গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভ্রূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

উত্তরঃ

আইরিনের শিশুটির সকল পরিবেশে খাপ খাওয়াতে না পারার কারণ হলো প্রসবকালীন প্রভাব তার মধ্যে বিরূপ প্রতিফলন ঘটিয়েছে। নবজাতকের সার্থক অভিযোজন যে সকল বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল তার মধ্যে গর্ভ পরিবেশ ও প্রসবের প্রভাব অন্যতম।

গর্ভ পরিবেশ অনুকূলে থাকলে ভ্রূণ নির্ধারিত সময়ে জন্মগ্রহণ করে। ফলে জন্ম পরবর্তী পরিবেশের সাথে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। আর প্রতিকূল গর্ভ পরিবেশে শিশু নির্ধারিত সময়ের পূর্বে জন্মগ্রহণ করে। ফলে পরবর্তীতে পরিবেশের সাথে অভিযোজন করতে সমস্যা হয় এবং অনেক ভ্রূণের মৃত্যুও ঘটে। আবার যে সকল শিশুর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রসব হয়, সেসব শিশু জন্ম পরবর্তী পরিবেশে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। কিন্তু অস্ত্রোপচারে জন্মগ্রহণকৃত শিশুদের জন্মপরবর্তী শ্বাসকার্যে অসুবিধা হয়। অনেকের মস্তিষ্কে ক্ষতি হয়। আবার পরবর্তীতে পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে অসুবিধা হয়। আইরিনের সন্তানেরও এ কারণেই অভিযোজনজনিত সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলে আমি মনে করি।

উত্তরঃ

যেসব বাবা-মা সন্তান পালনে অভিজ্ঞ তারা বেশ আত্মবিশ্বাসী থাকে। সন্তানের ওপর আইরিনের একটি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। যা দেখে ডাক্তার মন্তব্য করেছেন যে, পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন পরিস্থিতি সন্তানের ওপর বাবা-মায়ের মনোভাবে ভিন্নতা তৈরি করে। আমি এই মন্তব্যটি যথার্থ বলে মনে করি।

সন্তান প্রসব কষ্টসাধ্য ও দীর্ঘায়িত না হলে মা-বাবার মনোভাব সন্তানের প্রতি ইতিবাচক থাকে। ফলে সন্তানের প্রতি আত্মপ্রত্যয় বেশি থাকে। অপরদিকে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসব, অপরিণত শিশুর জন্ম, কষ্টসাধ্য প্রসব, প্রসবের পর নানা জটিলতা, অর্থ ব্যয় বেশি হলে মা- বাবা অনেক উদ্বিগ্ন থাকেন। এতে সন্তানের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে পারে। আবার সন্তান জন্মের পর বৈকল্য থাকলে বা চিকিৎসাজনিত কারণে দীর্ঘদিন হাসপাতালে রাখা হলে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাবা-মা হতাশায় ভোগেন। এছাড়া সন্তান প্রতিপালনে মা-বাবার পরিশ্রম, আরাম-আয়েশ বিসর্জন, অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়গুলো অনেক সময় মা-বাবার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। অপ্রত্যাশিত সন্তান হলেও এই ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।

এভাবেই পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সন্তানের প্রতি বাবা-মার মনোভাবে ভিন্নতা তৈরি করে বলে আমি মনে করি।

111
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

230
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

258
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়। 

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা। 

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

250
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভ্রূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

242
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। 

গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভ্রূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

232
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews