আউটসোর্সিং কী? এর মাধ্যমে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে? 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

আউটসোর্সিং কী? এর মাধ্যমে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
ইিবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা।
উত্তর: আউটসোর্সিং: বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে
তঞ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য যেলের কোন কাজ করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিযে নিচ্ছে। এই ধরনের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং। অন্যভাবে বলা যায়; আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের উপকার: আউটসোর্সিং এখন একটি
শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই -স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মত বালাদেশেও অনেকে এই খাতে বিনিয়োগ করছেন। ফলে বহু লোক সম্পৃক্ত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান।

ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডাটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিংকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি তথা ব্যক্তি অবস্থার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। এ শিল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে একজন প্রতিবন্ধীও সাবলম্বী হতে পারে। উন্নত বিশ্ব আউটসোর্সিং এর অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশেও এই অনলাইন নির্ভর শিল্পটিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আউটসোর্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। হয়ত অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে করে বেকারত্ব গুছিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা, তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।

800

Related Question

View All
উত্তরঃ

E-learning প্রযুক্তির দুটি ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
১. মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিজ্ঞানের এক্সপেরিমেন্ট করানো।
২. ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ের উপর কোর্স করা ও পরীক্ষা দেওয়া এবং অনলাইন সার্টিফিকেট গ্রহণ করা।

185
উত্তরঃ

মোস্তাফিজুর রহমান তার ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান সনাতন পদ্ধতিতে আর সরোয়ার সাহেব ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে। তাদের দু'জনের পাঠদান প্রক্রিয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নিচে মোস্তাফিজুর রহমান ও সরোয়ার সাহেবের পাঠদান পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-

সনাতন পদ্ধতি

মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতি

১. এটি একটি সাধারণ পাঠদান প্রক্রিয়া।

১. এটি একটি ই-লার্নিং পদ্ধতি।

২. এটি interactive হতে পারে না এবং এতে হাতে-কলমে এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ কম থাকে

২.এটি intreractive হতে পারে এবং এতে ছাত্র-ছাত্রীরা হাতে কলমে এক্সপেরিমেন্ট করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে

৩. এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের গণ্ডির ভিতর স্বল্প মাধ্যম ব্যবহারে পাঠদান করানো হয়।

৩. এর মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে সচল, সজীব ও আকর্ষণীয় ভুবন তৈরি করা যায়।

৪. এটি একটি পুরাতন পদ্ধতি।

৪. এটি একটি আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতি।

137
উত্তরঃ

মোঃ শিবলী সরোয়ার ছাত্র-ছাত্রীদের আধুনিক পদ্ধতি মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতি ব্যবহারে পাঠদান করান। মাল্টিমিডিয়া মানে বহুমাধ্যম। শব্দ, বর্ণ, চিত্রের সমন্বয়ে গঠিত হয় মাল্টিমিডিয়া। এর মাধ্যমে সচল, সজীব ও চলমান চিত্র তৈরি করা যায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে নতুন নতুন মাধ্যমের সূচনা করেছে যা পূর্বের মাধ্যম থেকে অনেক শক্তিশালী ও কার্যকর।

মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার তেমন একটি পদ্ধতি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে শিক্ষাদান অনেক সহজ ও সময়-অর্থ সাশ্রয়ী। সরোয়ার সাহেবের শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রযুক্তিনির্ভর। তিনি বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে-কলমে এক্সপেরিমেন্ট করান। কম্পিউটার স্লাইড বা অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহারে একাধিক নিখুঁত বোধগম্য' ছবি ব্যবহার করে শিক্ষাদান করেন। সরোয়ার সাহেবের ক্লাসরুম হলো মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম। ফলে তিনি ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার বিষয়বস্তুকে অধিক আকর্ষণীয়, সহজবোধ্য ও জ্ঞাননির্ভর করে উপস্থাপন করতে পারেন। তিনি বিভিন্ন ডিজিটাল কন্টেন্ট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের পড়ান। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের লেকচার কপি প্রদান করেন কিংবা অনলাইনে দিয়ে থাকেন। যার ফলে তারা সম্পূর্ণ মনোেযাগ দিয়ে পড়া বুঝতে পারে। এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইন থেকে বই নামানোর পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছেন। এ কারণেই সরোয়ার সাহেবের ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীরা বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়াশোনা করছে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্র এখন অনেক বিস্তৃত।

112
উত্তরঃ

ই-সেবার উদ্দেশ্য হলো নাগরিক জীবনে প্রয়োজন এমন বিভিন্ন সেবা স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ও হয়রানিমুক্তভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

240
উত্তরঃ

সরকারি কিংবা বেসরকারি পর্যায়ে জনগণের কল্যাণের জন্য নানা - ধরনের সেবা রয়েছে; যেমন- যাতায়াত, টিকেট কাটা, কথা বলা, জমির দলিলের কপি তৈরি করা প্রভৃতি। এসব সেবা ডিজিটাল বা electronic পদ্ধতিতে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গৃহীত পদ্ধতিই হলো ই-সেবা। ই-সেবার প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বল্প খরচ, স্বল্প সময় ও ঝামেলাহীন সেবা নিশ্চিত করা। ই-পর্চা, টেলিমেডিসিন, পাঠ্যপুস্তকের ডিজিটাল সংস্করণ, অনলাইন আয়কর হিসাব করার ক্যালকুলেটর প্রভৃতি ই-সেবার অন্তর্ভুক্ত।

438
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews