আকিবদের এলাকায় জাগরণ নামে একটি সংস্থা আছে। এটি এলাকার প্রতিবন্ধী শিশুদের বৃত্তিমূলক শিক্ষা, খেলাধুলা ও আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে। প্রতিবন্ধীদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার জন্য সেমিনার, মিটিং, সমাবেশের ব্যবস্থা করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। প্রতিবন্ধীদের আত্মনির্ভর করে গড়ে তুলতে তাদের প্রশিক্ষণও দেয় এই সংস্থাটি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সিঁড়ির স্থানগুলোতে ঢালু রাস্তাই হচ্ছে র‍্যাম।

উত্তরঃ

প্রতিবন্ধিতা বিভিন্ন ধরনের হয়। যাদের হাত কিংবা পা অসম্পূর্ণ, দুর্বল থাকে, দেহের গঠন স্বাভাবিক নয় বা দেহের কোনো অংশ ব্যবহারে অক্ষম তাদেরকে শারীরিক প্রতিবন্ধী বলা হয়।

উত্তরঃ

জাগরণ নামক সংস্থাটি প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো প্রতিবন্ধী শিশুদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।

প্রতিবন্ধীরা সমাজে খুবই অবহেলিত। প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও যত্নের প্রয়োজন হয়।

সঠিক প্রশিক্ষণ ও উদ্দীপনা পেলে তাদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলাও সম্ভব। জাগরণ প্রতিবন্ধী শিশুদের আর্থিক সহযোগিতাসহ বৃত্তিমূলক শিক্ষা দিচ্ছে। ফলে প্রতিবন্ধীরা বিভিন্ন ধরনের উপার্জনমূলক কাজে দক্ষ হচ্ছে। এছাড়া তাদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার জন্য সেমিনার, মিটিং, সমাবেশের ব্যবস্থা করে জাগরণ। আর্থিক সহায়তা করে প্রতিবন্ধী শিশুদের যেকোনো কাজ শুরু করতে সাহায্য করে। ফলে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারছে।

উত্তরঃ

প্রতিবন্ধীদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তাদের আত্মনির্ভরশীল করতে সহায়ক। সাধারণত প্রতিবন্ধীদের প্রতি সবাই নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে। ফলে এদের জীবনযাত্রা দুঃসহ হয়।

জাগরণ এমন একটি সংস্থা যা প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়। এছাড়া আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তিকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা। এছাড়া বিভিন্ন মিটিং, সমাবেশ ও সেমিনারের মাধ্যমে জনগণকে প্রতিবন্ধীদের প্রতি সচেতন করে তোলে এবং এদের অধিকার সম্পর্কে অবহিত করে। এতে করে সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয় ও প্রতিবন্ধীরা অবহেলিত হয় না।

এভাবেই জাগরণ নামক প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধীদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

48

আমাদের চারপাশে এমন কিছু শিশু দেখা যায় যারা স্বাভাবিক শিশুদের মতো নয়। তাদের দেহের গঠন আলাদা, তাদের আচরণ স্বাভাবিকের তুলনায় ধীর বা সমস্যাগ্রস্ত। এদের মধ্যে কেউ চোখে ভালো দেখতে পায় না, কারও হাঁটাচলায় অসুবিধা, কারও অন্যের কথা বুঝতে দেরি হয়, কেউ বা বয়সে বড় হলেও শিশুদের মতো আচরণ করে। এসব শিশু কোনো না কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার। এরাই প্রতিবন্ধী শিশু। এদেরকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুও বলা হয়। কারণ এদের পূর্ণ বিকাশে বিশেষ যত্ন ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়। এসব প্রতিবন্ধীদের জীবন যাপনে সহায়তার জন্য এদের সম্বন্ধে আমাদের সবার সুস্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি। এজন্য প্রতিবছর ৩রা ডিসেম্বর বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়।

কেউ জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে, কেউ জন্মের পর যেকোনো দুর্ঘটনা, অপুষ্টি বা গুরুতর অসুস্থতার কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ১৬ ভাগ প্রতিবন্ধী। এই হিসাবে আমাদের দেশে প্রায় ১.৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে প্রতিবন্ধী। দরিদ্র দেশ হিসেবে আমাদের দেশে এই সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্দীপনা হলো একটি শিশুকে তার চারপাশের বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানা ও দেখার সুযোগ করে দেওয়া, আর সেগুলো নিয়ে খেলা করার পরিবেশ সৃষ্টি করা। যেমন- শিশুকে সময় দেওয়া, শিশুর সাথে কথা বলা, গান করা, খেলাধুলা করা, কাজ করা, তাকে ভালোবাসা ইত্যাদি।

অতি শৈশব থেকে এই উদ্দীপকের সুযোগ সৃষ্টি করাই হলো প্রারম্ভিক উদ্দীপনা। সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শিশুকে প্রারম্ভিক উদ্দীপনা দেওয়া প্রয়োজন।

115
উত্তরঃ

প্রান্তির আচরণে গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা লক্ষ করা যায়।

যেসব শিশুর বুদ্ধি বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম তাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বলা হয়। বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা তাদের সমবয়সীদের মতো আচরণ করতে পারে না।

বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের মধ্যে তিন ধরনের মাত্রা লক্ষ করা যায়। যথা- মৃদু, মধ্যম ও গুরুতর। গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের বুদ্ধির মাত্রা এত কম থাকে যে তারা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মতো আচরণ করে। গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা বিভিন্ন কাজে অন্যের ওপর নির্ভরশীল থাকে। এ ধরনের প্রতিবন্ধীদের অন্যের তত্ত্বাবধানে জীবন ধারণ করতে হয়। প্রান্তি কিশোরী হলেও সে তার দু'বছর বয়সী ভাইয়ের মতো আচরণ করে। সে প্রায়ই অকারণে হাসতে থাকে। তার এ সকল আচরণ দেখে তাকে গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হিসেবে শনাক্ত করা যায়।

89
উত্তরঃ

প্রান্তি একজন গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।

কিশোরী হলেও প্রান্তি তার দু'বছর বয়সী ভাই প্রত্যয়ের মতো আচরণ করে। তাই তার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যয়ের মতোই তাকে গান শুনিয়ে, ছবি আঁকতে দিয়ে, গল্প শুনিয়ে ব্যস্ত রাখে। সবাই তার কথা মন দিয়ে শোনে। তার মা ধৈর্যের সাথে তার যত্ন নেন। এ ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সার্বক্ষণিক যত্নের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যত্ন পেলে এরা নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী আচরণ করতে পারে। এদের স্বাভাবিক শিশুর মতোই ভালোবাসা প্রয়োজন। প্রতিবন্ধী শিশুকে সময় দেওয়া, তার সাথে কথা বলা, গান, খেলাধুলা করা ইত্যাদিতে অনুপ্রাণিত করতে হয়। তাহলে তাদের আচরণ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রাপ্তি পরিবার থেকে প্রারম্ভিক উদ্দীপনা পাচ্ছে। এর ফলে তার আচরণের উন্নতি ঘটবে ও পরনির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে। সুতরাং, প্রান্তির পরিবারের সবার আচরণ তার সুস্থতার জন্য সহায়ক বলে আমি মনে করি।

77
উত্তরঃ

গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুরা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মতো আচরণ করে থাকে। তাদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা দেখা যায়। অন্যের তত্ত্বাবধানে তাদের জীবনধারণ করতে হয়। বিশেষ যত্ন ও প্রশিক্ষণে তাদের দৈনন্দিন কাজের অভ্যাস তৈরি করা যায়।

94
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews