আগেকার দিনে মানুষ জানত না যে, গাছেরও প্রাণ আছে। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু এ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে, গাছের প্রাণ আছে। তিনি দেখিয়েছেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মাঝে অনেক মিল বিদ্যমান। তার আবিষ্কারের মধ্যে গাছ বেড়ে ওঠা মাপার যন্ত্র কেস্কোগ্রাফ এবং গাছের দেহের উত্তেজনার বেগ মাপার সমতল তরুলিপি যন্ত্র অন্যতম।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ছোট মাপের ঢেউগুলোকে আমরা নীল রং হিসেবে দেখতে পাই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মহাকাশ যান ও উপগ্রহ থেকে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন তথ্য ও সংকেত; তাই দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে।

আধুনিক যুগ বিজ্ঞানের যুগ। বিজ্ঞান অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। আগেকার দিনে মানুষের কাছে যা ছিল কল্পনাতীত, বিজ্ঞান আজ তা বাস্তবে পরিণত করছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে যোগাযোগ করতে আগের দিনে অনেক সময় ও শ্রম ব্যয় হতো, কিন্তু বর্তমানে এটা মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার। আর এই বিষয়টি সম্ভব হয়েছে মহাকাশ যান থেকে পাঠানো তথ্য ও উপগ্রহের সংকেতের মাধ্যমে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিজ্ঞানমনষ্কতার দিকটি 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রতিনিধিত্ব করছে।

আগেকার দিনে মানুষ কুসংস্কার ও নানান ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে থাকত। কিন্তু ক্রমে বিজ্ঞানের উন্নতি হওয়ায় মানুষ ভুল ও সঠিকের পার্থক্যটা বুঝতে শিখেছে। যার ফলে সমাজ ক্রমশই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

উদ্দীপকে গাছের প্রাণ আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে আগেকার দিনের মানুষের গাছ সম্পর্কে যে ভ্রান্ত ধারণা ছিল তা দূর হয়ে গেছে। বিজ্ঞানের কল্যাণে জগদীশচন্দ্র বসু প্রমাণ করতে পেরেছেন গছেরও প্রাণ রয়েছে। উদ্দীপকে বিজ্ঞানমনস্কতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। 'আকাশ' প্রবন্ধেও দেখা যায় আকাশ সম্পর্ক আগে মানুষের নানা রকমের ভুল ধারণা ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে বৈজ্ঞানিকভাবে আকাশ সম্পর্কে মানুষের সেই ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব হয়েছে। প্রবন্ধেও ফুটে উঠেছে বিজ্ঞানের প্রসার। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের বিজ্ঞানমনষ্কতার দিকটি 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রতিনিধিত্ব করছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ও 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক উভয়েই সত্য উদ্‌ঘাটনের ক্ষেত্রে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপনে সক্ষম হয়েছেন।- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ অনেক সময়ই নিজের অনুমান থেকে অনেক রকমের ভুল ধারণা করে থাকে। তাই কোনোকিছু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না হওয়া পর্যন্ত তা নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। জেনে-বুঝে তবেই মন্তব্য করা উচতি।

উদ্দীপকে বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর গাছের প্রাণ আবিষ্কারের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। জগদীশচন্দ্র বসু বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষের ধারণা ভুল প্রমাণিত করতে পেরেছেন। তিনি গাছের বেড়ে ওঠা মাপার যন্ত্র এবং গাছের দেহের উত্তেজনার বেগ মাপার সমতল তরুলিপি যন্ত্র আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে তাঁর চিন্তার যৌক্তিকতা দেখিয়েছেন। 'আকাশ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বিজ্ঞানের মাধ্যমে আকাশের নানান উপাদানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আসলে আকাশ পৃথিবীর উপরকার কোনো ঢাকনা নয়। বরং তা নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এমন সব গ্যাসের মিশেলে তৈরি একটি ফাঁকা জায়গা। যার ফলে আকাশ সম্পর্কে মানুষের ভ্রান্ত ধারণাগুলো বদলানো সম্ভব হয়েছে।

উদ্দীপকে বিজ্ঞানের যৌক্তিকতা দিয়ে গাছের প্রাণের অস্তিত্বের কথা উঠে এসেছে। 'আকাশ' প্রবন্ধে আকাশের উপাদান, আকাশ কেন বিভিন্ন রং ধারণ করে তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞানের আলোকে। উদ্দীপকে যেমন গাছ নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব হয়েছে, তেমনই আলোচ্য প্রবন্ধে আকাশ নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা দূর করা সম্ভব হয়েছে। তাই বলা যায়, বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ও 'আকাশ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক উভয়ই সত্য উদ্‌ঘাটনের ক্ষেত্রে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপনে সক্ষম হয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
180

খোলা জায়গায় মাথার ওপরে দিনরাত আমরা আকাশ দেখতে পাই। গাছপালা, নদীনালা দুনিয়ায় কোথাও আছে, কোথাও নেই। এমনকি ঘরবাড়ি, জীবজন্তু, মানুষও সব জায়গায় না থাকতে পারে। কিন্তু আকাশ নেই, ভূপৃষ্ঠে এমন জায়গা কল্পনা করা শক্ত।

দিনের বেলা সোনার থালার মতো সূর্য তার কিরণ ছড়ায় চারপাশে। এমনি সময়ে সচরাচর আকাশ নীল। কখনো সাদা বা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশের কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা। কখনো-বা সারা আকাশ ভেসে যায় লাল আলোতে। রাতের আকাশ সচরাচর কালো, কিন্তু সেই কালো চাঁদোয়ার গায়ে জ্বলতে থাকে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য ঝকঝকে তারা আর গ্রহ।

আগেকার দিনে লোকে ভাবতো, আকাশটা বুঝি পৃথিবীর ওপর একটা কিছু কঠিন ঢাকনা। কখনো তারা ভাবতো, আকাশটা পরতে পরতে ভাগ করা।

আজ আমরা জানি, আকাশের নীল চাঁদোয়াটা সত্যি সত্যি কঠিন কোনো জিনিসের তৈরি নয়। আসলে এ নিতান্তই গ্যাস-ভরতি ফাঁকা জায়গা। হরহামেশা আমরা যে আকাশ দেখি তা আসলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঢাকনা। সেই বায়ুমণ্ডলে রয়েছে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড এমনি গোটা কুড়ি বর্ণহীন গ্যাসের মিশেল। আর আছে পানির বাষ্প আর ধুলোর কথা।

আকাশ যদি বর্ণহীন গ্যাসের মিশেল, তবে তা নীল দেখায় কেন? মাঝে মাঝে সাদা আর লাল রঙের খেলাই- বা দেখি কী করে? আসলে সাদা মেঘে রয়েছে জলীয়বাষ্প জমে তৈরি অতি ছোট ছোট অসংখ্য পানির কণা। কখনো মেঘে এসব কণার গায়ে বাষ্প জমার ফলে ভারি হয়ে বড় পানির কণা তৈরি হয়। তখন সূর্যের আলো তার ভেতর দিয়ে আসতে পারে না, আর তাই সে মেঘের রং হয় কালো।

কিন্তু সারাটা আকাশ সচরাচর নীল রঙের হয় কী করে? আকাশ নীল দেখায় বায়ুমণ্ডলে নানা গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে। এইসব গ্যাসের কণা খুব ছোট মাপের আলোর ঢেউ সহজে ঠিকরে ছিটিয়ে দিতে পারে। এই ছোট মাপের আলোর ঢেউগুলোই আমরা দেখি নীল রঙ হিসেবে। অর্থাৎ পৃথিবীর ওপর হাওয়ার স্তর আছে বলেই পৃথিবীতে আকাশকে নীল দেখায়।

সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায় আকাশের রঙ হুবহু এক রকম থাকে না। এরও কারণ হলো পৃথিবীর ওপরকার বায়ুমণ্ডল। সূর্য থেকে যে আলো আমাদের চোখে পড়ে, তাকে পৃথিবীর ওপরকার বিশাল হাওয়ার স্তর পেরিয়ে আসতে হয়। দুপুর বেলা এই আলো আসে সরাসরি অর্থাৎ প্রায় লম্বভাবে হাওয়ার স্তর ফুঁড়ে। কিন্তু সকালে বা সন্ধ্যায় এই আলো আসে তেরছাভাবে হাওয়ার স্তর পেরিয়ে। তাতে আলোকে হাওয়ার কণা ডিঙাতে হয় দুপুরের তুলনায় অনেক বেশি।
সকালে বা সন্ধ্যায় মেঘ আর হাওয়ার ধুলোর কণার ভেতর দিয়ে লম্বা পথ পেরিয়ে আসতে পারে শুধু সূর্যের লাল আলোর ঢেউগুলো। সে মেঘকে তখন দেখায় লাল। ঘন বৃষ্টি-মেঘের বড় বড় কণারা যখন আকাশ ছেয়ে ফেলে, তখন তার ভেতর দিয়ে আলো পেরিয়ে আসতে পারে না, তাই সে মেঘকে দেখায় কালো।
আগেকার দিনে আমাদের ওপরকার আকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন শূন্যে বেলুন পাঠিয়ে বা যন্ত্রপাতিসুদ্ধ রকেট পাঠিয়ে। আজ মানুষ নিজেই মহাকাশযানে চেপে সফর করছে পৃথিবীর উপরে বহু দূর পর্যন্ত। পৃথিবী ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে চাঁদে। পৃথিবীর উপর দেড়শ দুশ মাইল বা তারো অনেক বেশি উপর দিয়ে ঘুরছে অসংখ্য মহাকাশযান। যেখান দিয়ে ঘুরছে সেখানে হাওয়া নেই বললেই চলে।
মহাকাশযান থেকে দিনরাত তোলা হচ্ছে পৃথিবীর ছবি। জানা যাচ্ছে কোথায় কখন আবহাওয়া কেমন হবে, কোন দেশে কেমন ফসল হচ্ছে। মহাকাশযান থেকে ঠিকরে দেওয়া হচ্ছে টেলিফোন আর টেলিভিশনের সংকেত। তাই দূরদেশের সঙ্গে যোগাযোগ আজ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'চাঁদোয়া' অর্থ হচ্ছে শামিয়ানা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
427
উত্তরঃ

প্রবন্ধটির নাম 'আকাশ' রাখার কারণ, এতে আকাশের রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

'আকাশ' প্রবন্ধে আকাশের অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লেখক বলেছেন, আকাশ বায়ুর একটি বিশাল স্তর। এতে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস মিশে আছে। বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের লাল আলো মেশার কারণে কখনো কখনো এখানকার মেঘ লাল দেখায়। আকাশ সম্বন্ধে এসব বিষয় এ প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে বলেই প্রবন্ধের নাম 'আকাশ' রাখা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
548
উত্তরঃ

'আকাশ' প্রবন্ধে বর্ণিত আকাশ সম্বন্দ্বে মানুষের প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধ্যান-ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে।

প্রাচীনকালে অনেক কিছুই জানার অভাবে অন্ধকারে ঢাকা ছিল। কিন্তু বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারে সবকিছু এখন পরিষ্কারভাবে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে।

'আকাশ' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আগেকার দিনে লোকে ভাবত, আকাশটা বুঝি পৃথিবীর উপর একটা কিছুর কঠিন ঢাকনা। কখনো তারা ভাবত, আকাশটা পরতে পরতে ভাগ করা। প্রবন্ধের এই প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে। তিনি হাত দিয়ে মাথা, কপাল, পেট ইত্যাদি টিপেই রোগনির্ণয় করে ওষুধ দিতেন যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে একেবারে অচল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
310
উত্তরঃ

"আধুনিক ধ্যান-ধারণা এবং গবেষণাই বিজ্ঞানের জগতে ব্যাপক গতি এনে দিয়েছে, এ বিষয়টি উদ্দীপক এবং 'আকাশ' প্রবন্ধের আলোকে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়েছে, অনেক কুসংস্কার দূর হয়েছে, অনেক কৌতূহলী মানুষের কৌতূহল মিটেছে।

উদ্দীপকের সুমন সাহেব একজন বড় ডাক্তার। পিতার প্রথাগত পদ্ধতি থেকে তার রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি ভিন্ন। আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, এক্স-রে ইত্যাদির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করেন। বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কার তিনি কাজে লাগান। 'আকাশ' প্রবন্ধে আগেকার মানুষের আকাশ সম্পর্কে যে ধারণা ছিল সেটা বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে পরিবর্তিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা আগে বেলুন পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন, আর এখন মানুষ নিজেই মহাকাশযানে চড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চালাচ্ছে।

উদ্দীপকের সুমন সাহেব পুরনো ধ্যানধারণা বদলে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। 'আকাশ' প্রবন্ধেও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারকেই গ্রহণ করার মানসিকতা দেখা যায়। তাই প্রবন্ধ এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
214
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের বিশাল স্তর পেরিয়ে আসতে পারে শুধু সূর্যের লাল রঙের ঢেউগুলো। এ কারণেই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।

পৃথিবীর উপরে আছে বিশাল বায়ুমণ্ডল এবং এতে রয়েছে ধুলা আর মেঘের স্তর। সন্ধ্যাবেলায় সূর্যের রশ্মিকে তেরছাভাবে বায়ুমণ্ডলের হাওয়ার স্তর পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু সব রঙের আলোক আসতে পারে না। শুধু লাল আলোর ঢেউগুলো আসতে পারে। এজন্যই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
325
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews