"আছে, কাম আছে। দাওয়ের কাম আছে।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

'১৯৭১' উপন্যাসে সফদরউল্লাহ আলোচ্য উক্তিটি দ্বারা পাকিস্তানি সেনাদের প্রতি তার প্রতিশোধস্পৃহা ব্যক্ত করেছে। মিলিটারিরা নীলগঞ্জ গ্রামে এসে স্কুলঘরে ক্যাম্প স্থাপন করে এবং গ্রামের সাধারণ মানুষের উপর নিপীড়ন চালাতে থাকে। হঠাৎ ঝড় শুরু হলে একজন মিলিটারি সুবাদার ও তিনজন, রাজাকারের একটি দল ছুটতে ছুটতে সফদরউল্লাহর চালাঘরে আশ্রয় নেয়। সফদরউল্লাহ তখন পরিবারের নারীসদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ করতে গ্রামের মাতব্বর জয়নাল মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছিল। সুবাদার ও রাজাকাররা সফদরউল্লাহর স্ত্রী ও তার বোনের সম্ভ্রমহানি করে। এরপর সফদরউল্লাহ প্রতিশোধস্পৃহায় উন্মত্ত হয়ে দুজনকে খুঁজতে থাকে যাদের মধ্যে একজন তালগাছের মতো লম্বা ও গোঁফওয়ালা এবং অন্যজন বাঙালি যার মুখে বসন্তের দাগ আছে। তাদের শাস্তি দিতে অর্থাৎ নিজের স্ত্রী ও শ্যালিকার সম্ভ্রমহরণের প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর সফদরউল্লাহ প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।

64

Related Question

View All
উত্তরঃ

ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ '১৯৭১' উপন্যাসে চরিত্রগুলোকে অনুপম শিল্পকুশলী দৃষ্টিভঙ্গিতে বিনির্মাণ করেছেন। সংলাপনির্ভর এ উপন্যাসে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মধ্যে অন্যতম গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আজিজ মাস্টার। অত্যন্ত নিরীহ ও নির্বিরোধী এ চরিত্রটি পাকিস্তানি মেজরের নির্মম নির্যাতন ও জেরার মুখে বিপন্ন হয়েছিল। মৃত্যুভয়ে ভীত আজিজ মাস্টার প্রথমদিকে ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিতে না পারলেও পরে সংকটময় মুহূর্ত প্রবল ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সংকটময় পরিস্থিতি তার ব্যক্তিত্বের রূপান্তর ঘটিয়েছে।

নীলগঞ্জ গ্রামে মিলিটারিরা প্রবেশ করার পর মেজর স্কুলে ক্যাম্প স্থাপন করে আজিজ মাস্টারকে ডেকে নেন। তাকে প্রচুর সময় ও ধৈর্য নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন মেজর এজাজ আহমেদ। তিনি তাকে গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কিন্তু আজিজ মাস্টার মেজরের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেন না। তখন তাকে ইমাম সাহেবের সাথে স্কুলের টিচার্স রুমে আটকে রাখা হয়। আজিজ মাস্টারের জয়নাল মিয়ার মেয়ে মালার প্রতি অনুরাগের কথা শুনে মেজর তাদের বিয়ে দিতে চান। মেজরের বক্তব্যের চাতুর্য আজিজ মাস্টার বুঝতে পারেনি। মনা কৈবর্ত ও তার ভাই বিরুকে মাস্টারের চোখের সামনে হত্যা করে ত্রাস সৃষ্টি করেন মেজর এজাজ। তার উদ্দেশ্য ছিল আজিজকে ভয় দেখিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করা।

দ্বিতীয় পর্যায়ের জেরায় আজিজ মাস্টারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। তবুও সে প্রাণের ভয়ে শারীরিক নিপীড়ন সহ্য করে নেয়। বাঙালিদের অথর্ব, ভীতু প্রমাণিত করার জন্য মেজর এজাজ ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে নিপীড়ন করেছেন। আজিজ মাস্টারকে বিবস্ত্র করে তার সম্মান নিয়ে তিরস্কার করেছেন। এমনকি মাস্টারের পুরুষাঙ্গে ইটের টুকরা বেঁধে মালার সামনে উপস্থিত করতে চান মেজর। তখন আজিজ মাস্টার মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে মেজরের কাছে তাকে হত্যা করতে বলে। জনসম্মুখে বিবস্ত্র করে উপস্থাপনের পর যে সম্মানহানি তারপর তার বেঁচে থাকার কোনো অর্থ খুঁজে পায়নি আজিজ মাস্টার। তাই সাধারণ ভীতু গ্রামের মানুষ হয়েও সে তার ভয়কে অতিক্রম করতে পেরেছে। তাই বলা যায়, "স্কুলশিক্ষক আজিজ মাস্টার মৃত্যুভয়কে জয় করে সাহসিকতায় উত্তীর্ণ হয়েছে"- মন্তব্যটি যথার্থ।

322
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews