আজমলের স্বভাব একটু ভিন্ন প্রকৃতির। সে সবসময় মুখে একরকম বলে, কিন্তু অন্তরে অন্য ধারণা পোষণ করে। নিজের প্রয়োজনে সে প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে। লোক দেখানোর জন্য সে নামাজ আদায় করে কিন্তু ছোটখাটো অন্যায় থেকে নিজেকে কখনো বিরত রাখার চেষ্টা করে না। প্রায়ই সে অন্যদেরকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য প্রতারণার আশ্রয় নেয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ কুরআন সর্বপ্রথম সংরক্ষিত হয় লাওহে মাহফুজে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কুরআনকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করে কুরআন পাঠের অভিন্ন রীতি চালু করায় হযরত উসমান (রা) কে জামিউল কুরআন বলা হয়। হযরত উসমান (রা) এর সময় ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে কুরআন পাঠের ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য কুরআনের প্রথম পাণ্ডুলিপিটি থেকে সাতটি কপি তৈরি করা হয়। এবং সেগুলো বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয় যাতে সবাই একই রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আল কুরআনের ভাষায় আজমলের চরিত্র বিশ্লেষণ করে তাকে মুনাফিক হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। মুনাফিক )الْمُنَافِقُ( আরবি শব্দ। এর অর্থ ভন্ড, প্রতারক, দ্বিমুখী নীতি বিশিষ্ট প্রভৃতি। অর্থাৎ যাদের অন্তরে নিফাক তথা ভণ্ডামি, প্রতারণা, ধোঁকাবাজি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তারাই মুনাফিক। মুনাফিকরা লোক দেখানোর জন্য বাহ্যিকভাবে ইমানদারসুলভ আচরণ করে। প্রকৃতপক্ষে তারা অন্তরের দিক দিয়ে অবাধ্য, মিথ্যাবাদী। তারা গোপনে নানা অপরাধমূলক কাজ করে বেড়ায়। মহান আল্লাহ সুরা বাকারার ২য় রুকুর আয়াতসমূহে মুনাফিকদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন, যা আজমলের চরিত্রেও লক্ষণীয়। 

উদ্দীপকের আজমল মুখে একরকম বলে, কিন্তু অন্তরে অন্য ধারণা পোষণ করে। লোক দেখানোর জন্য সে নামাজ আদায় করে। অর্থাৎ সে দ্বিমুখী চরিত্রের লোক এবং তার ইবাদত লোক দেখানোর জন্য। এটি মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। সুরা আল বাকারার ২য় রুকুতে মুনাফিকদের এরূপ দ্বিমুখী আচরণের কথা বলা হয়েছে। মুনাফিকরা আল্লাহ ও ইমানদারদের ধোঁকা দেওয়ার জন্য মুখে ইমানের কথা বলে, প্রকৃতপক্ষে তারা ইমানদার নয়। আবার সুরা মাউনে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারা লোক দেখানোর জন্য সালাত আদায় করে। জনাব আজমলের এরূপ নামাজ আদায় লোক দেখানোর শামিল। সুতরাং কুরআনের ভাষায় আজমল একজন মুনাফিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সুরা আল বাকারার ২০ নং আয়াতে আজমলের মতো মুনাফিকদের করুণ পরিণতির ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে। মুনাফিকরা পথভ্রষ্ট ও শঠতাপূর্ণ জীবনযাপন করে। এর ফলে তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত থেকে বঞ্চিত হয় এবং চিরস্থায়ী ক্ষতিই তাদের প্রাপ্য। তারা পৃথিবীতে যেমন ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তেমনি পরকালের জীবনেও মহাশাস্তি ভোগ করে। অর্থাৎ তারা চিরস্থায়ী ধ্বংসের মুখে পতিত হয় এবং এর থেকে তাদের মুক্তি নেই। সুরা আল বাকারার ২০ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা মুনাফিকদের কর্মতৎপরতা ও দূরবস্থার বাস্তব চিত্র উপস্থাপন করেছেন। এ আয়াতের শিক্ষা এরূপ যে, মুনাফিকরা চরম হতভাগ্য। মুমিনদের সাথে থেকে তাদের মতো বাহ্যিক আচরণ করেও তারা হেদায়াতের পথে চলার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়। পৃথিবীতে তাদের জীবন যেমন অসম্মান ও অবিশ্বাসে ভরা থাকে, পরকালেও তারা কল্পনাতীত যন্ত্রণা ও আজাবে নিমজ্জিত থাকবে। বস্তুত তারা চিরস্থায়ী ধ্বংস ও ক্ষতিতে পতিত হবে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, মুনাফিকের মত আচরণ করায় আজমল এরূপ দুর্ভাগ্যের শিকার হবে। মিথ্যা ও শঠতার পথ অবলম্বন করায় সে আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত এবং কঠিন আজাবের সম্মুখীন হবে।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মুনাফিকদের শাস্তি কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক। তাই আজমলের উচিত পরিপূর্ণভাবে ইমান আনা এবং আল্লাহর বিধান অনুসারে জীবনযাপন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
129
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

 'সিহাহ সিত্তাহ' হলো- বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
825
উত্তরঃ

আলোচ্য হাদিসের অর্থ হলো- 'লজ্জাশীলতা ইমানের একটি বিশেষ অঙ্গ'। উল্লেখিত হাদিসটি সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফে সংকলিত হয়েছে। এ হাদিসে রাসুল (স) লজ্জাশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একজন মুমিন তার আচার-আচরণ, কথাবার্তা, কাজকর্মে অবশ্যই লজ্জাশীল হবেন। কারণ লজ্জাশীলতা ইমানের অপরিহার্য একটি দিক। তাই মান-সম্মান রক্ষা করার জন্য ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক মুমিনের লজ্জাশীল হওয়া প্রয়োজন। আলোচ্য হাদিসে ইমানের সাথে লজ্জার সম্পর্কের দিকটিই ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
644
উত্তরঃ

হাবিবের বক্তব্যে ওহিয়ে মাতলু তথা পবিত্র কুরআনের পরিচয় ফুটে উঠেছে। কুরআন মাজিদ আল্লাহর বাণী। এটি সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব যা সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল। উদ্দীপকের হাবিব ওহির বিভিন্ন প্রকার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। উদ্দীপকের তিন বন্ধু ইসলামি শরিয়ার উৎস সম্বন্ধে আলোচনা করছিল। হাবিব এ সময় বলে, কিছু ওহির ভাব ও ভাষা সরাসরি আল্লাহর, যা পাঠ করা ইবাদত এবং নামাজেও এর তিলাওয়াত আবশ্যক। এর মাধ্যমে হাবিব পবিত্র কুরআনকে বুঝিয়েছে। ওহি দুই প্রকার। যথা- ওহিয়ে মাতলু ও ওহিয়ে গায়রে মাতলু। ওহিয়ে মাতলু বা পঠিত ওহি হলো কুরআন মাজিদ। এটি লাওহে মাহফুজ থেকে জিবরাইল (আ)-এর মাধ্যমে নবুওয়তের দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে মহানবি (স)-এর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে। 

কুরআন সন্দেহাতীতভাবে অদ্যাবধি অবিকল ও অবিকৃত অবস্থায় সুরক্ষিত হয়ে আসছে। এর শব্দ, অর্থ, মর্ম উপস্থাপনা, বিন্যাস সবই আল্লাহ তায়ালার নিজস্ব। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ছাড়া নামাজ আদায় হয় না। নামাজে কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা ফরজ। সুতরাং উদ্দীপকের হাবিব প্রথমোক্ত ওহির মাধ্যমে কুরআন মাজিদের দিকেই ইঙ্গিত করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
386
উত্তরঃ

হাসানের উল্লেখিত বিষয়টি ওহিয়ে গায়রে মাতলু তথা হাদিস; যার সাথে হাদিসে কুদসির কতিপয় সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ওহি দুই প্রকার- যার মধ্যে একটি 'ওহি গায়রে মাতলু' অর্থাৎ অপঠিত ওহি বা হাদিস। মহানবি (স)-এর কথা, কাজ এবং মৌন সম্মতি তথা রাসুল (স)-এর বাস্তব জীবনের প্রতিটি কাজ ও সমর্থনই হাদিস। হাসানের বক্তব্যে হাদিসের কথাই প্রকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকের হাসান ইসলামি শরিয়ার দ্বিতীয় উৎস হাদিসের প্রসঙ্গে কথা বলছিল। সে বলে, হাদিস নামাজে তিলাওয়াত করতে হয় না এবং অপবিত্র অবস্থায়ও এটি স্পর্শ করা যায়। হাসানের উল্লেখিত ওহি গায়রে মাতলু বা হাদিসের বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে হাদিসে কুদসি অন্যতম। হাদিসে কুদসি অন্যান্য হাদিসের মতই, তবে এ প্রকার হাদিসের ভাব স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এবং ভাষা রাসুল (স)-এর নিজের। অপরদিকে সাধারণ হাদিসের ভাব ও ভাষা উভয়টিই রাসুল (স)-এর নিজস্ব। তাছাড়া হাদিসে কুদসিও অপবিত্র অবস্থায় স্পর্শ করা যায়। 'রাসুল (স) বলেছেন', একথা অন্যান্য হাদিসের প্রারম্ভে থাকে। কিন্তু হাদিসে কুদসি শুরু হয় 'আল্লাহ বলেছেন' এ কথা দিয়ে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, হাসানের উল্লিখিত বিষয়টি হচ্ছে রাসুলের (স) বাণী বা কাজ তথা হাদিস। আর হাদিসে কুদসি এরই একটি ধরন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243
উত্তরঃ

সম্পূর্ণ কুরআন সর্বপ্রথম সংরক্ষিত হয় লাওহে মাহফুজে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
482
উত্তরঃ

কুরআনকে বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করে কুরআন পাঠের অভিন্ন রীতি চালু করায় হযরত উসমান (রা) কে জামিউল কুরআন বলা হয়। হযরত উসমান (রা) এর সময় ভিন্ন ভিন্ন রীতিতে কুরআন পাঠের ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য কুরআনের প্রথম পাণ্ডুলিপিটি থেকে সাতটি কপি তৈরি করা হয়। এবং সেগুলো বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয় যাতে সবাই একই রীতিতে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews