আজাদ সাহেব সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। চাকরিজীবন শেষে প্রাপ্ত পেনশনের টাকা একটি সুদি ব্যাংকে জমা রেখে প্রতিমাসে সুদের টাকায় সংসার চালান। এটি জেনে মসজিদের ইমাম সাহেব তাকে বলেন- 'ইসলাম ব্যবসাকে হালাল আর সুদকে হারাম করেছে। সুতরাং আপনি ইসলামি ব্যাংকে টাকা রাখুন এবং শরিয়তসম্মতভাবে হালাল মুনাফা গ্রহণ করুন।'

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সুদকে আরবিতে রিবা ( رِبو ) বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে ব্যাংকের সব কর্মকাণ্ড ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি ব্যাংক বলে। ইসলামি ব্যাংক এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যার মৌলিক বিধান, নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতিতে শরিয়তের মূলনীতি অনুসরণের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার থাকবে এবং যার সমুদয় লেনদেন হবে সুদমুক্ত। দীন ইসলামের বিধান অনুযায়ী আর্থ-সামাজিক সুবিচার কায়েমের প্রত্যয়ে ইসলামি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আজাদ সাহেবের ব্যাংকিং ব্যবস্থাটি কুরআন ও সুন্নাহর বিধিবিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত নয় বলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদভিত্তিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষেধ। আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল আর সুদকে হারাম করেছেন। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে লাভের পাশাপাশি ক্ষতির ঝুঁকিও নিতে হয়। কিন্তু আজাদ সাহেবের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই এবং সুদের বিষয়টি স্পষ্ট উল্লেখ থাকায় এ ধরনের ব্যবস্থা ইসলামের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, আজাদ সাহেব সরকারি চাকরি শেষে প্রাপ্ত পেনশনের টাকা একটি সুদি ব্যাংকে জমা রাখেন। সেখান থেকে প্রতি মাসে যে সুদ পান তা দিয়ে তিনি সংসার চালান। অথচ সুদি লেনদেনের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাষায় নিষেধ করেছেন। রাসুল (স) সুদ দাতা, সুদ গ্রহণকারী এবং এর সাক্ষ্যদাতার প্রতি অভিশাপ দিয়েছেন। সুতরাং আজাদ সাহেব জীবিকা নির্বাহের জন্য যে পথ বেছে নিয়েছেন নিঃসন্দেহে তা কুরআন ও হাদিসের নীতিমালার বিরোধী। আর ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থি হওয়ায় এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ইমাম সাহেব সুদি ব্যাংক ছেড়ে ইসলামি শরিয়তের আলোকে পরিচালিত ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য আজাদ সাহেবকে পরামর্শ দিয়েছেন। ইসলামি শরিয়তে সুদকে সম্পূর্ণ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাই প্রত্যেকের উচিত শরিয়তসম্মত পন্থায় বৈধভাবে উপার্জন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, যা উদ্দীপকের আজাদ সাহেবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আজাদ সাহেব সুদি ব্যাংকে টাকা জমা রেখে সেই টাকার সুদ দিয়ে সংসার পরিচালনা করেন। যেটা ইসলামি শরিয়তের আলোকে হারাম। ইমাম সাহেব উক্ত বিষয়টি জানার পর তাকে ইসলামি ব্যাংকে টাকা রাখার পরামর্শ দিলেন। ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক অর্থাৎ শরিয়তের আলোকে পরিচালিত। সেখানে সুদের কোনো লেনদেন নেই। ইসলামি ব্যাংকে লাভ-ক্ষতির ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালিত হয় এবং প্রাপ্ত মুনাফা হালাল উপার্জন হিসেবে বিবেচিত হয়। সুতরাং আজাদ সাহেব ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলো ভালোভাবে জেনে তার পছন্দমতো যে কোনো পন্থায় বিনিয়োগ করতে পারেন। আবার তিনি বৈধ উপায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন। ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- মুদারাবা, মুশারাকা, বাই মুয়াযযাল, বাই সালাম, ইসতিসনা, ইজারা, বাই তাওলিয়া, বাই মুতলাক ইত্যাদি। আজাদ সাহেব ইসলামি ব্যাংকের উক্ত পদ্ধতির যে কোনো একটি গ্রহণ করতে পারেন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আজাদ সাহেবের প্রথম করণীয় হলো সুদি ব্যাংক পরিহার করা। এরপর তার পছন্দমতো যেকোনো হালাল পথে বিনিয়োগ করা অথবা ইসলামি শয়িয়াহ মোতাবেক পরিচালিত কোনো ব্যাংকে জমা রাখা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
194

Related Question

View All
393
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় সুলাহা। 

তাকওয়ার দ্বিতীয় সোপান হলো এমন হালাল কথা, কাজ, বিষয় ও বস্তু বর্জনের স্তর, যে হালালের হালাল হওয়া সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। কেননা, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করতে এবং যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
311
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ইসলামি অর্থব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রফিকুল ইসলাম এমন একটি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যেখানে হালাল উপার্জন এবং জাকাতের বিষয়টি বাধ্যতামূলক। তার আলোচিত অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি এব উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উপার্জনও করা যায় না। এ অর্থব্যবস্থায় হালাল পন্থায় উপার্জন বাধ্যতামূলক। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসরণ করা হয়। এ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- হালাল-হারাম নির্ধারণ। সম্পদ উপার্জন, ব্যয় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের নির্ধারিত সীমা- পরিসীমা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- জাকাতভিত্তিক ও সুদমুক্ত। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
250
উত্তরঃ

ইবাদত কবুলের জন্য আমাদের হালাল উপার্জন করতে হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকতে হবে- মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের আলোকে যথার্থ। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক। তাই মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
242
উত্তরঃ

স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে বিশেষ করে অভাবগ্রস্ত ও নিঃস্ব লোকদের কিছু দান করাকে সাদাকাত বলে। সাদাকাত অর্থ হলো দান। এটি দুই প্রকার। যথা- ১. নফল বা ঐচ্ছিক সাদাকাত এবং ২. ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক সাদাকাত। অর্থাৎ বাধ্যবাধকতা ছাড়া অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে যে দান করা হয় তাই ওয়াজিব সাদাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
357
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews