আজিম স্যার ক্লাসে প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ছাত্রদের বললেন, গাছ পরিবেশ রক্ষার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। বাংলাদেশে মোট প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কি.মি. বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর, ভাওয়াল গড় প্রভৃতি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। তাই আমাদের নিজেদের বাঁচার প্রয়োজনেই সারাদেশে প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। তাছাড়া দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল করা সম্ভব।-

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

কৃষি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ খাত। এদেশের শ্রমশক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল। দেশজ উৎপাদনের ১৫.৩৫% কৃষিখাতের অবদান। এদেশের মোট জনসংখ্যার ৭৫ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। কৃষিকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন ধরনের শিল্প ও বাণিজ্য এদেশে গড়ে উঠেছে। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ক্লাসে আজিম স্যারের দেওয়া তথ্যে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদের দিকটি ফুটে উঠেছে। নিচে বাংলাদেশের বনজ সম্পদের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ হলেও এদেশ বনজ সম্পদে
সমৃদ্ধ নয়। যেকোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ২৫% বনভূমি থাকা আবশ্যক হলেও বাংলাদেশে মাত্র ১১% বনভূমি রয়েছে। এদেশের বনভূমিকে ৪টি শ্রেণিতে
বিভক্ত করা হয়। যথা :
⇨ ক্রান্তীয় পতনশীল ও পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি : ময়মনসিংহ, ঢাকা, দিনাজপুর ও রংপুরের বনভূমি।
⇨ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার বনভূমি।

⇨ পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের অরণ্য: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলায় এ ধরনের বনভূমি দেখা যায়।
⇨ টাইডাল বনভূমি: খুলনা, পটুয়াখালী, সুন্দরবন ও চট্টগ্রামের উপকূলবর্তী বনভূমি। এর মধ্যে সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টাইডাল বনভূমি।
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের ৪.৪৩% বনজ সম্পদ থেকে
আসে। শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ, ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র নির্মাণ, জ্বালানি চাহিদা পূরণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনভূমির ভূমিকা অপরিসীম। এদেশের বনজ সম্পদ সংগ্রহ করে অনেক লোক জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।
অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের বনজ সম্পদ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ খনিজ সম্পদের অপার সম্ভাবনার দেশ। এদেশের ভূনিম্নস্থ যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তা নিয়ে উদ্দীপকের আজিম স্যার যথেষ্ট আশাবাদী। নিচে উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো-

নভোমণ্ডল, ভূতল ও অতল ভূগহ্বরে বিভিন্ন প্রকার শিলার গঠন উপাদানই হলো খনিজ। বাংলাদেশ ১৯৫১ সালে প্রথম খনিজ সম্পদ আবিষ্কার দিয়ে খনিজ যুগে পদার্পণ করে। এদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, কয়লা, পিট সম্পদ, চুনাপাথর, চীনামাটি, কঠিন শিলা প্রভৃতি খনিজ সম্পদ রয়েছে। এছাড়া সমুদ্রতীরের বালির মধ্যে অসংখ্য ইলমেনাইট, কার্বনেট, জিরকন, ম্যাগনেটাইট, মোনাজাইট জাতীয় প্রাকৃতিক মহামূল্যবান সম্পদ রয়েছে।
একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়, বাংলাদেশ গ্যাসের উপর ভাসছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এদেশের প্রায় ২০% গ্যাস শিল্প উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এ প্রাকৃতিক সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এছাড়া এদেশে যেসব খনিজ সম্পদ পাওয়া যায় তা খুব একটা সমৃদ্ধ নয়। তবে আশা করা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন ব্লকে তেল ও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার জন্য সেখানে অনুসন্ধান কাজ চলছে। বাংলাদেশের এসব প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এর ব্যবহার ঠিকভাবে করতে পারলে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে শক্তিশালী হতে পারবে। তাই আজিম স্যার ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আশাবাদী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
25

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের। অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
137
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। নিচে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের প্রকৃতি তুলে ধরা হলো-

দারিদ্র্য যেকোনো দেশের জন্যই অভিশাপ। সাধারণত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে। সেই দেশগুলোর জনগণের আয় অনেক কম থাকার কারণে সেসব দেশে সঞ্চয়ের পরিমাণও কম হয়। একটি দেশে যখন সঞ্চয়ের পরিমাণ কম হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দেশে বিনিয়োগ কম হবে। বিনিয়োগ যখন কম হয়, তখন সেই দেশের জনগণ বেকার থাকে। তাদের কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়, ফলে নিয়োগ কম হয়। একটি দেশে নিয়োগ, কর্মসংস্থান কম থাকার অর্থ সে দেশের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো অচল থাকে অথবা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধও থাকতে পারে। ফলে উৎপাদন কম হয়। একটি দেশের উৎপাদন কম হলে আয় কম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই একটি দেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে।
অতএব বলা যায়, একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
109
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অধিক জনসংখ্যা এ দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

এ দেশেও তাই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিদ্যমান রয়েছে। এ দেশে অধিক জনসংখ্যার কারণে শ্রম সস্তা। এই সস্তা শ্রমের কারণে জনগণের আয় কম। আয় কম হওয়ার কারণে সঞ্চয় কম। ফলে বিনিয়োগ কম। তবে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে, যার ফলে দেশের অধিক জনসংখ্যার কিছু অংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। তার পরও প্রায় ৩ কোটির উপরে বেকার জনগোষ্ঠী এ দেশে রয়েছে। ফলে এই নিয়োগ কম হওয়ায় আশানুরূপ উৎপাদন হচ্ছে না। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার কারণে জনগণের আয়ও কম হচ্ছে। এভাবেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে। দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র যত দিন বাংলাদেশ থেকে দূর না হবে, তত দিন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
104
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
113
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি। এদেশের মোট শ্রম শক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৭৫% মানুষ কৃষির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। ২০১৬-১৭অর্থবছরে দেশের জিডিপির ১৪.৭৯% আসে কৃষি থেকে। বাংলাদেশের শিল্পের কাঁচামালের বেশিরভাগই আসে কৃষি থেকে। তাই বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
152
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews