আঞ্চলিক কিংবা আন্তর্জাতিক যে ধরনের সংগঠনই হোক না কেন সময়ে সময়ে তার পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। তাছাড়া পরিবর্তনশীল সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে উক্ত সংগঠন তার কার্যকারিতা হারাবে এটিই স্বাভাবিক।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতিদানে ভূমিকা রাখে ইউনেস্কো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

NATO-এর পূর্ণরূপ হলো- North Atlantic Treaty Organization. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত আধিপত্যের ভীতি থেকে ইউরোপের ১১টি দেশের সাথে ২০ বছরের জন্য আত্মরক্ষামূলক যে সামরিক চুক্তি সম্পাদন করে তারই নাম NATO, যা ১৯৪৯ সালে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তিভুক্ত কোনো দেশ আক্রান্ত হলে এ আক্রমণকে সদস্যভুক্ত দেশ নিজেদের মধ্যে আক্রমণ বলে গণ্য করবে। NATO-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩১।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত সর্ববৃহৎ সংস্থা জাতিসংঘের মিল রয়েছে।
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম সংগঠন জাতিসংঘ যদিও এখন পর্যন্ত অস্তিত্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তথাপিও যুগোপযোগী সংস্কার ও পরিবর্তনশীলতার অভাবে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে শতভাগ কার্যকারিতা হারানোর পথে। এক্ষেত্রে কতিপয় সংস্কার কার্যক্রমের সুপারিশ নিম্নরূপ-

১. জাতিসংঘের সাংগঠনিক কাঠামো পরিবর্তন করে এর অভ্যন্তরে সকল সদস্য রাষ্ট্রের সমান মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
২. নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাচিত হওয়া উচিত।
৩. নিরাপত্তা পরিষদের বৃহৎ রাষ্ট্রের একক ভেটো ক্ষমতা বিলুপ্ত করতে হবে।
৪. সকল সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিদ্যমান সামরিক জোট ও চুক্তিসমূহ বাতিল করতে হবে।
৫. জাতিসংঘের মহাসচিবের পদমর্যাদা ও ক্ষমতার পুনর্মূল্যায়ন করা আবশ্যক।
৬. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কার্যপরিধি আরও বিস্তৃত করা আবশ্যক

৭. অনুন্নত ও দরিদ্র দেশসমূহে জাতিসংঘের সাহায্য ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি আরও জোরদার করতে হবে।
উল্লিখিত ব্যবস্থাসমূহ সঠিকভাবে কার্যকর করতে পারছে জাতিসংঘ তার যুগোপযোগিতা ধরে রাখতে সক্ষম হবে।
উপর্যন্ত আলোচনার আলোকে বলা যায় যে, উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের জাতিসংঘের মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ভেটো ক্ষমতার অপপ্রয়োগ উক্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ উক্তিটি যথার্থ। ভেটো ক্ষমতা বলতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র যথা- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীনের নিজস্ব মতামত। প্রদানের বিশেষ ক্ষমতাকে বোঝায়। বিশেষ এ ক্ষমতাবলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উত্থাপিত যেকোনো বিতর্কিত বিষয়ে স্থায়ী পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্রের যেকোনো একটি অনাস্থা আনলে উত্ত প্রস্তাবটি পাস হতে পারে না। ভেটো শব্দের অর্থ- আমি ইহা মানি না। অর্থাৎ প্রস্তাব পাসে সকলকে উক্ত প্রস্তাবটি মানতে হবে নতুবা তা কার্যকারিতা হারাবে। এরূপ ক্ষমতা বৃহৎ শক্তির হাতে ক্ষুদ্র রাষ্ট্রসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করা ও তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির অন্যতম অস্ত্রস্বরূপ। ভেটো ক্ষমতার কারণে নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বিধানে বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে না।
এক্ষেত্রে বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা সংকট নিরসনের পদক্ষেপ ভেটো ক্ষমতার জালে আটকা পড়ে থাকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে।
যার ফলে জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দিন দিন তার কার্যকারিতা হারাচ্ছে।
সুতরাং ভেটো ক্ষমতার অপপ্রয়োগই যে জাতিসংঘের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
36
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৪৭ সালের ৫ জুন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জর্জ সি. মার্শাল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন সম্পর্কে মার্কিন নীতি ব্যাখ্যা করেন। মার্শালের এ নীতি ক্ষুধা, দারিদ্রদ্র্য, হতাশা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কোনো দেশ বা মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, ইউরোপকে অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করবে। মার্শালের এ পুনরুজ্জীবনের পরিকল্পনা বিশ্ব ইতিহাসে 'মার্শাল পরিকল্পনা' নামে অভিহিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
123
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে তা হলো জাতিসংঘ।

বিশ্ব ইতিহাসে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার আশার আলো প্রজ্বলিত করে জাতিসংঘ জন্মলাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস গঠিত হয়। কিন্তু ১৯৩৮ সালের মধ্যেই লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্ব এক প্রকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। একদিকে জাপান, ইতালি ও জার্মানির আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ এবং অপরদিকে যৌথ নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা পালনে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা, যুক্তরাষ্ট্রর বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি এবং সোভিয়েত রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে বাইরে থাকার নীতি প্রভৃতি কারণে লীগের সমাধি হয়। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বৃহৎ শক্তিবর্গ বিভিন্ন জোট গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকতর ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যৎ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চিন্তান্বিত হয়ে পড়ে। ফলে বিশ্ববাসী একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই মিত্রশক্তির নেতারা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা ভাবতে থাকেন। তারা ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও তার ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে এক বিশ্ব সম্মেলনে জাতিসংঘের সনদ উত্থাপিত হয়। পরিশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১টি দেশ জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষর করে এবং এ চার্টার স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথে জাতিসংঘ কার্যকরী রূপ লাভ করে। উদ্দীপকে এমন ঘটনারই ইঙ্গিত রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
67
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রদানে উক্ত সংগঠনটির অর্থাৎ জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল নীরব বা নেতিবাচক।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না। এজন্য মুজিবনগর সরকার তার ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য তৎপর হয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের এই স্বীকৃতির দাবি অযৌক্তিক ছিল না। কেননা, একটি নতুন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য যেসব শর্ত পূরণ করা প্রয়োজন, তার সবই বাংলাদেশ পূরণ করেছিল। তবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো ভূমিকা নিতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমেই তার স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সামনে যে সমস্যাটি ছিল তা - হলো এর সনদের ২/৭ ধারা। এই ধারায় কোনো রাষ্ট্রের জনগণের মানবাধিকার বা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার নীতির মধ্যে সীমারেখা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম দেশগুলোর পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বীকৃতির বিরোধিতা করে। অন্যদিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, পোল্যান্ড ইত্যাদি রাষ্ট্র পাকিস্তানি বর্বরতা ও গণহত্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু জাতিসংঘ রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার যুক্তির প্রশ্নে বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদসা হিসেবে যোগদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
66
উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪১ সালে যখন হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার আক্রমণ করে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে যুদ্ধ জাহাজে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। উভয় নেতা একটি সনদে স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে আর্টলান্টিক সনদ বা আটলান্টিক চার্টার নামে পরিচিত। যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক হলেও যুদ্ধ বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পায়, যা পরবর্তী পর্যায়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
82
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews