আতিক সাহেবের পুঁজি গঠনে শেয়ার বাজার বিভিন্নভাবে ভূমিকা রাখে। নিচে এ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো-
সঞ্চয় সৃষ্টি: শেয়ার বাজার যখন উন্নত ও শক্তিশালী হয় তখন লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তখন জনগণের মধ্যে সঞ্চয়ের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। জনগণের সঞ্চয়ের আগ্রহ শেয়ার মার্কেটের পুঁজি প্রবাহ বৃদ্ধি করে।
বিনিয়োগকারী সৃষ্টি: শেয়ার বাজার বিনিয়োগকারী সৃষ্টিতে
সহায়তা করে। ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীরা শেয়ার ক্রয় করে কোম্পানির মালিক হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফলে দিন দিন এদের সংখ্যা বাড়ে।
অলস অর্থ: বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ অলস অর্থ থাকলে সেগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হয়। এতে শেয়ার বাজারে মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
লভ্যাংশ: শেয়ার মালিকগণ লভ্যাংশ পান বলে অন্যান্য, বিনিয়োগের চেয়ে শেয়ারে বিনিয়োগে জনসাধারণ বেশি আগ্রহী হয়। আবার মাধ্যমিক বাজারে শেয়ার ক্রয় বিক্রয় করে বেশি লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা এ বাজারের লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
বিদেশি বিনিয়োগ: শেয়ারবাজারের মজবুত ভিত্তি ও গতিশীলতা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে। ফলে প্রচুর বিদেশি মুদ্রার অনুপ্রবেশে মূলধন গঠন বৃদ্ধি পায়।
সবশেষে বলা যায়, উল্লিখিত উপায়ে শেয়ার বাজার আতিক সাহেবের পুঁজি গঠনে ভূমিকা রাখে।
Related Question
View Allপ্রয়োগগত দিক থেকে অর্থায়নকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- (১) সরকারি অর্থায়ন, (২) বেসরকারি অর্থায়ন।
ব্যাংক জনগণের অর্থ গ্রহণ করে ব্যবসায় করে। আমানত গ্রহণ করার সময় ব্যাংক তেমন কোনো বিচার-বিবেচনা করে না, কিন্তু ঋণ প্রদানের সময় নানা রকম বিচার-বিবেচনা করে ঋণ প্রদান করে। ঋণ প্রদানের সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয় তাকে Five C's দ্বারা বোঝানো যেতে পারে; যথা-Character (চরিত্র), Capacity (ক্ষমতা), Collatoral (জামানত) Contract (চুক্তি), Capital (মূলধন)।
উদ্দীপকের অনুপম বাবু রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ
করেছেন। নিচে উক্ত ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমের বর্ণনা করা হলো-অর্থসংস্থানে বাণিজ্যিক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ঋণ প্রদান করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে। বাংলাদেশে তিন ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যথা: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন শিল্পের কার্যকরী ঋণ প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন শিল্প স্বল্প মেয়াদে চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য ব্যাংক থেকে এরূপ ঋণ সংগ্রহ করে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে।
কোনো কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এককভাবে এরূপ ঋণ দীর্ঘ মেয়াদের জন্য প্রদান করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি সোনালী ব্যাংক, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। অর্থসংস্থানে এই ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের ব্যাংক স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ঋণ
প্রদান করে। ক্ষেত্রবিশেষে এই ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে থাকে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে। পক্ষান্তরে, বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বিনিয়োগ ব্যাংক অবলেখকের কাজও করে থাকে। বাংলাদেশে Investment Corporation of Bangladesh (ICB) একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ব্যাংক। এই ব্যাংক পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তাদান, পরামর্শ প্রদান, মূলধনের স্বল্পতা পূরণে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া জনগণের সঞ্চয়কে একীভূতকরণ ও তার সঠিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করে। এই ব্যাংক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন ও উন্নয়নও করে থাকে।
সময়গত দিক থেকে অর্থায়ন তিন প্রকার, যথা : স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি।
স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় অথবা দীর্ঘদিনের জন্য বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে যে অর্থায়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে। এ ধরনের অর্থায়ন সাধারণত ৭ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে। সাধারণত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!