“আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।”-এই আত্মনির্ভরতা যেদিন সত্যি সত্যিই আমাদের আসবে, সেই দিনই আমরা স্বাধীন হবো, তার আগে কিছুতেই নয়। নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেতো, তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকতো না।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি আবুল ফজলের 'মানব-কল্যাণ' নামক প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

“রাষ্ট্র জাতির যৌথ জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক" - এই উক্তিটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা তুলে ধরে। রাষ্ট্র শুধুমাত্র একটি ভৌগোলিক সীমারেখা বা প্রশাসনিক কাঠামো নয়, বরং একটি জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত অস্তিত্ব, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক।

একটি রাষ্ট্রের গঠন ও তার চালিকাশক্তি হলো তার জনগণের সম্মিলিত জীবনযাপন, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যতের প্রতি তাদের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। যখন একটি জাতির সকল সদস্য নিজেদের যৌথ সত্তা ও চেতনাকে রাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রকাশ করে, তখনই রাষ্ট্র তার প্রকৃত অর্থ ও শক্তি লাভ করে। এটি জাতীয় পরিচয় এবং সংহতির মূল ভিত্তি।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
উত্তরঃ

আবুল ফজল রচিত 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে মানবজাতির প্রকৃত মঙ্গলের জন্য আত্মনির্ভরশীলতা, কর্মোদ্যোগ এবং যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রবন্ধটি কুসংস্কার, অন্ধভক্তি এবং অন্যের উপর নির্ভরশীলতার পরিবর্তে আত্মশক্তির জাগরণ ও স্বাধীন চেতনার বিকাশকে মানব-কল্যাণের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে দেখে।

উদ্দীপকে "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে" এবং এই আত্মনির্ভরতার ফলেই প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে—এই উক্তিটির মাধ্যমে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। প্রবন্ধে লেখক ব্যক্তির আত্মমর্যাদা ও স্বাবলম্বী হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন, যা উদ্দীপকের এই অংশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।

এছাড়াও, উদ্দীপকের পরবর্তী অংশে "নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেতো, তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকতো না" - এই কথাটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সেই দিকটি উন্মোচন করে যেখানে লেখক নিষ্ক্রিয়তা ও অন্ধভক্তি পরিহার করে কর্মের মাধ্যমে মানব-কল্যাণ সাধনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। বস্তুত, উদ্দীপকটি প্রবন্ধের মর্মার্থকে ধারণ করে আত্মনির্ভরশীলতা ও কর্মপ্রেরণার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
উত্তরঃ

‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো জ্ঞানচর্চা, বুদ্ধি ও আত্মশক্তির ওপর নির্ভর করে মানব সমাজের কল্যাণ সাধন করা। প্রমথ চৌধুরী এই প্রবন্ধে নিষ্ক্রিয়তা, অলসতা এবং অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে কর্মের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তি অর্জনের কথা বলেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষ কেবল নিজের শক্তি ও বুদ্ধি কাজে লাগিয়েই প্রকৃত কল্যাণ ও স্বাধীনতা লাভ করতে পারে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।” এটি মূলত আত্মোপলব্ধি ও আত্মশক্তির উন্মোচনের উপর জোর দেয়। এখানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রকৃত স্বাধীনতা আসে আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে, কোনো মহাপুরুষের প্রতি অন্ধ ভক্তি বা নিষ্ক্রিয়তার মাধ্যমে নয়। নিষ্ক্রিয়ভাবে অন্যের উপর ভরসা করাকে পরাধীনতার সমতুল্য বলে অভিহিত করা হয়েছে, যা মুক্তির পথে অন্তরায়।

‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী জ্ঞান ও বুদ্ধির মুক্তিকে মানব কল্যাণের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখেছেন। তিনি মনে করতেন, অলসতা ও পরনির্ভরশীলতা মানুষকে পরাধীন করে রাখে। উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী, আত্মাকে চেনা বা নিজের শক্তিকে উপলব্ধি করা এবং এর ফলস্বরূপ আত্মনির্ভরশীল হওয়া ‘মানব-কল্যাণ’ প্রবন্ধের মূল ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রবন্ধে যেমন অন্ধ বিশ্বাস ও পরমুখাপেক্ষিতা পরিহার করে স্বাবলম্বী হওয়ার কথা বলা হয়েছে, উদ্দীপকেও তেমনি নিষ্ক্রিয় ভক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে আত্মনির্ভরতার মাধ্যমেই স্বাধীনতার পথ দেখানো হয়েছে।

সুতরাং, উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সেই মূলভাবকে যথার্থভাবে ধারণ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নতি এবং প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জনের জন্য আত্মোপলব্ধি, আত্মনির্ভরতা ও কর্মমুখরতার কোনো বিকল্প নেই। এটি প্রবন্ধের মূল বার্তা – অর্থাৎ, পরমুখাপেক্ষিতা ছেড়ে নিজস্ব শক্তি ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে মানব কল্যাণ সাধন – তা সফলভাবে তুলে ধরেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
67

মানব-কল্যাণ— এ শিরোনাম আমার দেওয়া নয়। আমাদের প্রচলিত ধারণা আর চলতি কথায় মানব-কল্যাণ
কথাটা অনেকখানি সস্তা আর মামুলি অর্থেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে । একমুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও আমরা মানব-কল্যাণ মনে করে থাকি । মনুষ্যত্ববোধ আর মানব-মর্যাদাকে এতে যে ক্ষুণ্ণ করা হয় তা সাধারণত উপলব্ধি করা হয় না ।
ইসলামের নবি বলেছেন, ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ। নিচের হাত মানে যে মানুষ হাত পেতে গ্রহণ করে, ওপরের হাত মানে দাতা- যে হাত তুলে ওপর থেকে অনুগ্রহ বর্ষণ করে। দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্ব অবয়বে কীভাবে প্রতিফলিত হয় তার বীভৎস দৃশ্য কার না নজরে পড়েছে? মনুষ্যত্ব আর মানব-মর্যাদার দিক থেকে অনুগ্রহকারী আর অনুগৃহীতের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত। এ কথা
ব্যক্তির বেলায় যেমন সত্য, তেমনি দেশ আর রাষ্ট্রের বেলায় বরং অধিকতর সত্য। কারণ, রাষ্ট্র জাতির যৌথ
জীবন আর যৌথ চেতনারই প্রতীক।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু প্রশাসন চালানোই নয়, জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলাও রাষ্ট্রের এক বৃহত্তর দায়িত্ব । যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না ।
তাই মানব-কল্যাণ অর্থে আমি দয়া বা করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতকে মনে করি না। মনুষ্যত্বের অবমাননা যে ক্রিয়াকর্মের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি তাকে কিছুতেই মানব-কল্যাণ নামে অভিহিত করা যায় না। মানব-কল্যাণের উৎস মানুষের মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি আর মানবিক চেতনা বিকাশের মধ্যেই নিহিত। একদিন এক ব্যক্তি ইসলামের নবির কাছে ভিক্ষা চাইতে এসেছিল । নবি তাকে একখানা কুড়াল কিনে দিয়ে বলেছিলেন, এটি দিয়ে তুমি বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা রোজগার করো গে। এভাবে তিনি লোকটিতে শুধু স্বাবলম্বনের পথ দেখাননি, সে সঙ্গে দেখিয়ে দিয়েছিলেন মর্যাদাবান হওয়ার, মর্যাদার সাথে জীবনযাপনের উপায়ও ।
মানুষকে মানুষ হিসেবে এবং মানবিক-বৃত্তির বিকাশের পথেই বেড়ে উঠতে হবে আর তার যথাযথ ক্ষেত্র রচনাই মানব-কল্যাণের প্রাথমিক সোপান। সে সোপান রচনাই সমাজ আর রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সমাজের ক্ষুদ্রতম অঙ্গ বা ইউনিট পরিবার— সে পরিবারকেও পালন করতে হয় এ দায়িত্ব। কারণ, মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের সূচনা সেখান থেকেই। ধীরে ধীরে ব্যাপকতর পরিধিতে যখন মানুষের বিচরণ হয় শুরু, তখন সে পরিধিতে যে সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সংযোগ ঘটে— তা শিক্ষা কিংবা জীবিকা সংক্রান্ত যা হোক না তখন সে দায়িত্ব ঐসব প্রতিষ্ঠানের ওপরও বর্তায়। তবে তা অনেকখানি নির্ভর করে অনুকূল পরিবেশ ও ক্ষেত্র গড়ে তোলার ওপর।
মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভূ, বিচ্ছিন্ন, সম্পর্ক-রহিত হতে পারে না । প্রতিটি মানুষ যেমন সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত, তেমনি তার কল্যাণও সামগ্রিকভাবে সমাজের ভালো-মন্দের সঙ্গে সংযুক্ত। উপলব্ধি ছাড়া মানব-কল্যাণ স্রেফ দান-খয়রাত আর কাঙালি ভোজনের মতো মানব-মর্যাদার অবমাননাকর এক পদ্ধতি না হয়ে যায় না, যা আমাদের দেশ আর সমাজে হয়েছে। এসবকে বাহবা দেওয়ার এবং এসব করে বাহবা কুড়োবার লোকেরও অভাব নেই দেশে ।
আসল কথা, মানুষের মনুষ্যত্বকে বাদ দিয়ে স্রেফ তার জৈব অস্তিত্বের প্রতি সহানুভূতিশীল এ ধরনের মানব-কল্যাণ কিছুমাত্র ফলপ্রসূ হতে পারে না। এ হেন মানব-কল্যাণের কুৎসিত ছবি দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, আমাদের আশে-পাশে, চারদিকে তাকিয়ে দেখলেই তা দেখা যায় ।
বর্তমানে মানব-কল্যাণ অর্থে আমরা যা বুঝি তার প্রধানতম অন্তরায় রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা— যা মানুষকে মেলায় না, করে বিভক্ত। বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না । করা যায় একমাত্র সমতা আর সহযোগ-সহযোগিতার পথে।
সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল। বাংলাদেশের মহৎ প্রতিভারা সবাই মানবিক চিন্তা আর আদর্শের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। দুঃখের বিষয়, সে উত্তরাধিকারকে আমরা জীবনে প্রয়োগ করতে পারিনি। বিদ্যাপতি চীদাস থেকে লালন প্রমুখ কবি এবং অপেক্ষাকৃত আধুনিককালে রবীন্দ্রনাথ-নজরুল সবাইতো মানবিক চেতনার উদাত্ত কণ্ঠস্বর। বঙ্কিমচন্দ্রের অবিস্মরণীয় সাহিত্যিক উক্তি : “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?” এক গভীর মূল্যবোধেরই উৎসারণ।
এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের নিম্নলিখিত উক্তিটিও স্মরণীয় : “Relationship is the fundamental truth of the world of appearance.” কবি এ উক্তিটি করেছিলেন তাঁর হিবার্ট বক্তৃতামালায়। অন্তর-জগতের বাইরে যে জগৎকে আমরা অহরহ দেখতে পাই তার মৌলিক সত্য পারস্পরিক সংযোগ-সহযোগিতা, কবি যাকে Relationship বলেছেন। সে সংযোগ বা সম্পর্কের অভাব ঘটলে মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ ভিক্ষা দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্কে পরিণত হয়।
মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয়— এ এক জাগতিক মানবধর্ম। তাই এর সাথে মানব-মর্যাদার তথা Human dignity-র সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখলে কী দেখতে পাই? দেখতে পাই দুস্থ, অবহেলিত, বাস্তুহারা, স্বদেশ-বিতাড়িত মানুষের সংখ্যা দিন দিনই বেড়ে চলেছে। সে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে রিলিফ, রিহেবিলিটেশন ইত্যাদি শব্দের ব্যাপক প্রয়োগ। রেডক্রস ইত্যাদি সেবাধর্মী সংস্থার সংখ্যা বৃদ্ধিই কি প্রমাণ করে না মানব-কল্যাণ কথাটা স্রেফ মানব-অপমানে পরিণত হয়েছে? মানুষের স্বাভাবিক অধিকার আর মর্যাদার স্বীকৃতি আর প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানব-কল্যাণ মানব-অপমানে পরিণত না হয়ে পারে না ।
কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই— বৃহত্তর মানবতার অংশ। তাই Go of humanity-কে বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত কিংবা খতিভাবে দেখা বা নেওয়া যায় না। তেমনি নেওয়া যায় না তার কল্যাণকর্মকেও খণ্ডিত করে। দেখতে মানুষও অন্য একটা প্রাণী মাত্র, কিন্তু ভেতরে মানুষের মধ্যে রয়েছে এক অসীম ও অনন্ত সম্ভাবনার বীজ। যে সম্ভাবনার স্ফুরণ-স্ফুটনের সুযোগ দেওয়া, ক্ষেত্র রচনা আর তাতে সাহায্য করাই শ্রেষ্ঠতম মানব-কল্যাণ। সেটা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিংবা কোনো রকম অপমান-অবমাননার পথে হতে পারে না। হালে যে দর্শনকে অস্তিত্ববাদ নামে অভিহিত করা হয়, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় Existentialism তারও মূল কথা ব্যক্তি মানুষের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দান ।
বল প্রয়োগ কিংবা সামরিক শাসন দিয়ে মানুষকে তাঁবেদার কিংবা চাটুকার বানাতে পারা যায় কিন্তু প্রতিষ্ঠা করা যায় না মানব-মর্যাদার আসনে। সব কর্মের সাথে শুধু যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকে তা নয়, তার সামাজিক পরিণতি তথা Social consequence-ও অবিচ্ছিন্ন। যেহেতু সব মানুষই সমাজের অঙ্গ, তাই সব রকম কল্যাণ-কর্মেরও রয়েছে সামাজিক পরিণতি। এ সত্যটা অনেক সময় ভুলে থাকা হয়। বিশেষত যখন দৃষ্টি থাকে ঊর্ধ্ব দিকে তথা পরলোকের পানে ।
স্রেফ সদিচ্ছার দ্বারা মানব-কল্যাণ সাধিত হয় না। সব ধর্ম আর ধর্ম-প্রবর্তকেরা বারংবার নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের ভালো করো, মানুষের কল্যাণ করো, সুখ-শান্তি দান করো মানুষকে । এমনকি সর্বজীবে হিতের কথাও বলা হয়েছে। অতএব আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে। নতুন পদ্ধতিতে— যা হবে বৈজ্ঞানিক, র‍্যাশনাল ও সুবুদ্ধি-নিয়ন্ত্রিত। সমস্যা যত বড় আর যত ব্যাপকই হোক না তার মোকাবেলা করতে হবে সাহস আর বুদ্ধিমত্তার সাথে। এড়িয়ে গিয়ে কিংবা জোড়াতালি দিয়ে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যায় না।
আমাদের বিশ্বাস মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথেই কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব। একমাত্র মুক্ত বিচারবুদ্ধির সাহায্যেই বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তে সৃজনশীল মানবিক কর্মে করা যায় নিয়োগ। তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।
[সংক্ষেপিত]
 

Related Question

View All
139
উত্তরঃ

আপনার উক্তিটি সঠিক, "ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।" কথাটি ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন।

বিস্তারিত:

  • উপরের হাত এবং নিচের হাত এই উক্তিতে ব্যবহৃত হয়েছে সাহায্যকারী এবং সহায়তাপ্রাপ্তকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে। এখানে "উপরের হাত" বোঝায় সাহায্য প্রদানকারী এবং "নিচের হাত" বোঝায় সাহায্য গ্রহণকারী।
  • নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই উক্তির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দান এবং সহায়তার গুরুত্ব ও মর্যাদা তুলে ধরেছেন। যারা সাহায্য করে তাদের মর্যাদা বেশি এবং তাদের সাহায্যের মানে বড় বলে উল্লেখ করেছেন।

এই উক্তিটি মানবিকতা ও দানের গুরুত্বকে নির্দেশ করে এবং সমাজে সাহায্য এবং সহানুভূতির মূল্য বৃদ্ধি করে।

127
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews