আদালতে আসামিকে দোষী বা নির্দোষ প্রমাণ করতে চান আইনজীবীগণ। এজন্য বিচারকের সামনে উপস্থাপন করা হয় অসংখ্য যুক্তি-তর্ক। রাজনীতির ময়দানে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে উপস্থাপন করেন অসংখ্য যুক্তি-তর্ক। ব্যবসায়ী পণ্য বাজারজাত করার জন্য যুক্তি দিয়ে পণ্যের গুণের প্রচার করেন। এমন সব ক্ষেত্রে প্রকৃত অবস্থার ভিত্তিতে উন্নয়ন ও শান্তির জন্য ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকরণ সম্পর্কের আবিষ্কার ও প্রমাণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কী প্রক্রিয়ায় কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণ করা যায়?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কারণ হচ্ছে কার্যের অব্যবহিত, অপরিবর্তনীয় এবং শর্তহীন পূর্ববর্তী ঘটনা এবং পরিমাণগতভাবে কারণ ও কার্য সমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ মিল ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য পাঁচ প্রকার পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির কথা বলেছেন। নিচে পরীক্ষাণাত্মক পদ্ধতি হিসেবে অন্বয়ী পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো-

'অন্বয়ী' শব্দের অর্থ হলো মিল; সুতরাং অন্বয়ী পদ্ধতি হচ্ছে মিলের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার সাথে নিয়ত অন্য একটা অবস্থা উপস্থিত রয়েছে। অন্যান্য অবস্থা প্রত্যেক দৃষ্টান্তে ভিন্নরূপ, অর্থাৎ আলোচ্য ঘটনার সঙ্গে কোনো মিল নেই। যে অবস্থার সঙ্গে প্রত্যেক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার মিল আছে, সে মিলের ভিত্তিতে আলোচ্য ঘটনার সাথে উক্ত অবস্থার কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে অনুমান করা হয়। এ পদ্ধতিতে নিরীক্ষণের সাহায্যে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টান্তগুলোকে পরস্পরের সাথে তুলনা করে তাদের মধ্যে যে মিল আছে তা খোঁজা হয়। এ জন্য এ পদ্ধতিকে অন্বয়ী বা মিলের পদ্ধতি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'অপনয়ন' শব্দের অর্থ হলো বাদ দেওয়া, পরিহার করা। বেকন এর মতে, “কোনো জটিল প্রাকৃতিক ঘটনার কারণ বা কার্য আবিষ্কার করতে হলে পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো অপনয়ন করতে হয়।” পরীক্ষণাত্মক পদ্ধতিগুলো কয়েকটি অপনয়নের সূত্র বা নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। এ নীতিগুলো কার্যকারণ নিয়ম থেকে লব্ধ। এখানে প্রথম সূত্রটি ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রথম সূত্র: পূর্বগের যে অংশ বাদ দিলে কার্যের কোনো ক্ষতি হয় না, সে অংশ কারণের অঙ্গ, হতে পারে না। যা কার্য সংগঠন করে, তা-ই কারণ, কারণের উপস্থিতি যেমন কার্যের উপস্থিতি বোঝায়, তেমনি কারণের অনুপস্থিতিও কার্যের অনুপস্থিতি বোঝায়। কারণের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও কার্যের উপস্থিতি স্বীকার করলে কার্যকারণ সম্পর্কিত নিয়মের বিরোধিতা করা হবে। কাজেই আমরা নিশ্চিত হতে পারি, কোনো নিরীক্ষণাধীন ক্ষেত্রে ঘটনার যে অংশ বাদ দিলে তাতে কার্যের কোনো ক্ষতি হয় না বা কোনোরূপ তারতম্য ঘটে না তা কারণ নয়, কিংবা কারণের অংশবিশেষও নয়। মনে করা যাক, কোনো বস্তু একটি দড়ি দিয়ে বাঁধা আছে। যদি দড়িটি কেটে দেওয়ার পরও সে বস্তুটি যথাস্থানেই অনড় হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে, বস্তুটির অনড় থাকার কারণ রশিতে বাঁধা থাকা নয়। এরূপ অবস্থা অপনয়নযোগ্য, যা কারণ তা অপরিবর্তনীয় এবং কার্যের অগ্রগামী হবে। এ নীতিটি অন্বয়ী পদ্ধতির মূলভিত্তি।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কোনো আরোহ অনুমানে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক আরোহে সিদ্ধান্ত স্থাপনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট দুটি ঘটনার মধ্যে একটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা খুবই জরুরি। তবে এ কাজটি করা দুঃসাধ্য। যুক্তিবিদরা কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের কাজটি সহজতর করার জন্য কয়েকটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এগুলো পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি নামে পরিচিত।

এ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে, ঘটনাবলির অনুসন্ধানকে সিদ্ধান্ত স্থাপনের পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া। এ থেকেই আমরা কার্যকারণ নিয়মের সাথে পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির একটি ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র খুঁজে পাই। এ যোগসূত্রের মধ্যে দুটি দিক লক্ষ করা যায়-

এক: কার্যকারণ নিয়মের যথার্থ প্রয়োগ পরীক্ষণমূলক প্রয়োগের উপর নির্ভরশীল। আমরা কার্যকারণ নিয়মকে বাস্তবে প্রয়োগ করে ঘটনাবলির মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করার চেষ্টা করি। আর তখনই যেকোনো একটি পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির উপর নির্ভর করতে হয়। আর এ পদ্ধতিগুলোর সাহায্য না নিয়ে যদি আমরা আকস্মিক ও পূর্ববর্তী ঘটনাকে কারণ বলে ধারণা করি, তবে আমরা কাকতালীয় অনুপপত্তি এবং কোনো দূরবর্তী শর্তকে কারণ বলে বা একটিমাত্র শর্তকে সমগ্র কারণ বলে ধরাণা করে কার্যকারণসংক্রান্ত অনুপপত্তির কবলে পড়তে পারি।

দুই: পরীক্ষণমূলক পদ্ধতিগুলো আবার পরোক্ষভাবে কার্যকারণ নিয়মের উপর নির্ভরশীল। কোনো একটি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের সময় আমরা বহুবিধ ঘটনা যেমন: কিছু প্রয়োজনীয় এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় ঘটনার সম্মুখীন হই। এরূপ অবস্থায় একটি পদ্ধতি তার সংশ্লিষ্ট একটি অপনয়নের সূত্রকে প্রয়োগ করে অপ্রয়োজনীয় ঘটনাকে অপনয়ন করে বা বাদ দিয়ে প্রাসঙ্গিক ঘটনাসমূহের প্রতি তার দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আর অপনয়নের সূত্রগুলো কোনো মৌলিক নিয়ম নয়। এগুলো কার্যকারণ নিয়ম থেকে অবরোহ পদ্ধতিতে নিঃস হয়েছে। তাই পরীক্ষণমূলক পদ্ধতি পরোক্ষভাবে কার্য নিয়মের অনুসারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
139
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতিটি আসলে অন্বয়ী পদ্ধতির দ্বিবিধ প্রয়োগ, যা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে গেলে দুই ধরনের দৃষ্টান্তগুচ্ছের প্রয়োজন হয়। একটি সদর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছ এবং অন্যটি নঞর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছ। এ পদ্ধতিতে প্রথমত, আলোচ্য ঘটনাটি উপস্থিত থাকে, এমন কয়েকটি দৃষ্টান্ত আহরণ করতে হয়, সে দৃষ্টান্তগুলোতে একটিমাত্র অবস্থার দিক থেকে সবার মধ্যে মিল বা অন্বয় লক্ষ করা যায়।

দ্বিতীয়ত, আলোচ্য ঘটনাটি অনুপস্থিত থাকে এমন কয়েকটি দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু লক্ষণীয় যে, সদর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছের মধ্যে যে একটিমাত্র অবস্থা সবসময় উপস্থিত দেখা দিয়েছিল, সেটিই শুধু এ দৃষ্টান্তগুচ্ছে অনুপস্থিত থাকে। কাজেই এ পদ্ধতির মাধ্যমে কার্য থেকে কারণ এবং কারণ থেকে কার্যে গমন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
360
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তপু লাইব্রেরিতে যুক্তিবিদ্যা বইয়ে কোনো ঘটনাবলির পর্যবেক্ষণ থেকে বাদ দেওয়ার যে বিষয়টি দেখতে পায় তা হলো অপনয়ন। নিচে অপনয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

ব্যাপক অর্থে কোনো ঘটনাবলির অনাবশ্যক ও অবান্তর বিষয়কে পর্যবেক্ষণ থেকে বাদ দেওয়াকে অপনয়ন বলে। অপনয়নের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিড বলেন, “গুণগতভাবে কোনো ঘটনার কারণ হলো উক্ত ঘটনার অপরিবর্তনীয়, শর্তহীন ও অব্যবহিত পূর্ববর্তী ঘটনা এবং পরিমাণগতভাবে কারণ হচ্ছে কার্যের সমান।"

যুক্তিবিদ বেইন অপনয়নের তিনটি সূত্র এবং যুক্তিবিদ যোসেফ বেইন এর সূত্রের সাহায্যকারী সূত্র হিসেবে সর্বমোট চারটি সূত্রের উল্লেখ করেন। সূত্রগুলো হলো- 

প্রথম সূত্র: যে পূর্ববর্তী ঘটনাকে পরবর্তী ঘটনার কোনো ক্ষতি না করে বাদ দেওয়া সম্ভম্ব, তা কারণের কোনো অংশ হতে পারে না।

দ্বিতীয় সূত্র: যে পূর্ববর্তী ঘটনাকে কোনো পরবর্তী ঘটনার ক্ষতি না করে অপসারণ সম্ভব, তা উক্ত পরবর্তী ঘটনার কারণ বা কারণের অংশ হতে বাধ্য।

তৃতীয় সূত্র: পরিমাণের দিক থেকে পরবর্তী ঘটনার হ্রাস-বৃদ্ধি না ঘটিয়ে যে পূর্ববর্তী ঘটনার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তা অসম্ভব।

চতুর্থ সূত্র: যা একটি ভিন্ন ঘটনার কারণ বলে পরিচিত, তা কখনোই আলোচ্য ঘটনার কারণ হতে পারে না। 

অপনয়নের উপরিউক্ত সূত্রসমূহ থেকে দেখা যায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সূত্র যথাক্রমে মিল এর অন্বয়ী, ব্যতিরেকী, সহপরিবর্তন ও পরিশেষ পদ্ধতির ভিত্তি। আবার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র দুটি যৌথভাবে যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
225
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তপুর শেষ উক্তিটি হলো, "উক্ত অধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক মতবাদগুলো জানার চেষ্টা করছি।" তপুর উক্তিটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি অধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক মতবাদ থেকে বলা।

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো ঘটনার কারণ হচ্ছে একটি অপরিবর্তনীয়, শর্তহীন পূর্ববর্তী ঘটনা। কালের বিবেচনায় কারণ সবসময়ই কার্যের একটি পূর্ববর্তী ঘটনা। কিন্তু যেকোনো পূর্ববর্তী ঘটনাই কোনো কার্যের কারণ নয়। কারণ হতে হলে তাকে অবশ্যই কার্যের পূর্বে ঘটতে হবে। শুধু তা-ই নয়, কারণ হতে গেলে তাকে শর্তহীনও হতে হবে। অর্থাৎ, ভিন্ন কোনো শর্তের প্রভাবমুক্ত হয়ে সবসময় কার্যের পূর্বগামী হতে হবে। বিজ্ঞানের মতে, কারণ একটি একক ঘটনা নয়। কারণ হচ্ছে সদর্থক ও নঞর্থক শর্তসমূহের একটি সমষ্টি। কোনো একটি কার্য উৎপাদনের জন্য যতগুলো শর্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে, তাদের সবগুলোর সমষ্টিকেই কারণ বলে। যুক্তিবিদ বেইন বলেন, “বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত বা অবস্থা কার্য উৎপাদনের পক্ষে প্রয়োজন, তাদের সম্পূর্ণ সমষ্টিকেই কারণ বলে গণ্য করা হয়।" যেমন : নদীতে নৌকা ডুবে একটি ছেলের সলিল সমাধি হলো বা পটল তুলল। এখানে ছেলেটির পটল তোলার ব্যাপারে অনেকগুলো শর্তের সন্ধান পাওয়া যায়। এগুলো হলো নদীর প্রখর স্রোত, দমকা বাতাস, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই, মাঝির অদক্ষতা ইত্যাদি শর্তের উপস্থিতির পাশাপাশি মাঝির অভিজ্ঞতা, ছেলেটির সাঁতার জ্ঞান, উদ্ধারকারী নৌকা ইত্যাদি শর্তের অনুপস্থিতি। এ ক্ষেত্রে ছেলেটির মৃত্যুর কারণ হচ্ছে সদর্থক বা নঞর্থক শর্তসমূহের সমষ্টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
219
282
উত্তরঃ

জে. এস. মিল প্রবর্তিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির অন্যতম একটি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি, যা অন্বয়ী পদ্ধতির সমস্যাগুলো দূর করার মানসে অবতারণা করা হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির অর্থ হচ্ছে পার্থক্যের পদ্ধতি, যা মাত্র দুটি উদাহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এদের একটিতে আলোচ্য ঘটনা এবং তার সাথে অপর একটি অবস্থা উপস্থিত থাকে। দৃষ্টান্ত দুটির মধ্যে অনেক দিক দিয়েই মিল থাকে, শুধু একটি বিষয়ে পার্থক্য থাকে, তা হলো আলোচ্য ঘটনা এবং একটি অবস্থার উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি। এদিকে লক্ষ রেখে উভয়ের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
460
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews