আদিব ঢাকার উত্তরায় একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ালেখা করে। সে স্কুলের বাইরে সবসময় বাংলায় কথাবার্তা বলে। এতে তার বন্ধু নাফিজ আপত্তি করলে আদিব বলে, যে ভাষার জন্য বাঙালি আন্দোলন করেছে, যে ভাষার জন্য সালাম, জব্বার, রফিকসহ অনেকেই প্রাণ হারিয়েছে সে ভাষা কখনো ছোট কিংবা অবহেলিত হতে পারে না। দেশের সবার উচিত একান্ত প্রয়োজনের বাইরে ভিন্ন ভাষা ব্যবহার না করা।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তানের লিয়াকত আলীর শাসনামল ১৯৪৭-১৯৫১ সাল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পাকিস্তান সৃষ্টির পর সকল সরকারি অফিসের সদর দফতর স্থাপিত হয় পশ্চিম পাকিস্তানে। এর ফলে পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তান বঞ্চিত হয়। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন। এতে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিবিদদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়। ১৯৫৯ সালের মৌলিক গণতন্ত্র নামক অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করেন তিনি। এর ফলে ১৯৬০ ও ১৯৬৫ সালের নির্বাচনে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হতে বঞ্চিত হন। এছাড়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সকল পরিকল্পনা বা সিদ্ধান্ত কেন্দ্র হতে চাপিয়ে দেওয়া হতো। পূর্ব পাকিস্তানের এরূপ নাজুক রাজনৈতিক পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আদিবের কথায় যে আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো ভাষা আন্দোলন। কারণ ভাষা আন্দোলনে সালাম, জব্বার, রফিকসহ অনেকেই প্রাণ হারিয়েছে যা উদ্দীপকেও উল্লেখ রয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের ভাষাগত জনসংখ্যার একটি বিবরণীতে জানা যায়, পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৪.৬০% বাংলা, ৭.২% উর্দু এবং বাকি অন্যান্য ভাষাভাষী নাগরিক। ১৯ মার্চ, ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন। ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়াদী) অনুষ্ঠিত জনসভায় দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দেন, "Urdu, only Urdu shall be the state Language of Pakistan", অর্থাৎ উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনেও তিনি অনুরূপ ঘোষণা দেন। উপস্থিত ছাত্ররা 'না' 'না' বলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। ১৯৫২ সালে ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে' বলে আবারও ঘোষণা দেন। ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক আহূত হরতাল। দুপক্ষই প্রস্তুতি নিতে থাকে। ২১ ফেব্রুয়ারি সরকার ঢাকায় এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ ভোর হতে পুলিশ গোটা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে কর্ডন করে রাখে। ছাত্রসমাজ ১৪৪ ধারা ভাঙার পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র হাবিবুর রহমান শেলীর (সাবেক বিচারপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা) নেতৃত্বে ১০ জনের একটি দল বের হয়। বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা মিছিল সহকারে গণপরিষদের দিকে অগ্রসর হতে চেষ্টা চালায়। সামগ্রিকভাবে পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালায়। পুলিশের গুলিতে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার শহিদ হন। কেন্দ্রীয় সর্বদলীয়l রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের আহ্বানে ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'শহিদ দিবস' রূপে উদ্যাপন করা হয়। ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আদিবের দেওয়া তথ্যে যে আন্দোলনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে, তার মধ্যে সাংস্কৃতিক কারণ অন্যতম।

সাধারণভাবে জনগণ যা কিছু করে এবং যেভাবে করে তা সে জাতির সংস্কৃতি। বাঙালি যা, তাই বাঙালি সংস্কৃতি। সে অর্থে জীবনের সকল কিছুই সংস্কৃতির অংশ। বাঙালিদের জীবনযাপনের ধরন, পোশাক, খাদ্য, উৎসব-অনুষ্ঠান, ভাষা, গানবাজনা, শিল্প, সাহিত্য, বাড়িঘর, যানবাহন, অলঙ্কার, তৈজসপত্র, বিশ্বাস সব নিয়েই বাঙালি সংস্কৃতি। সংস্কৃতিই একটি জাতির প্রাণ। বাংলা ভাষা বাংলা সংস্কৃতিকে ধারণ করে এবং তাকে বাঁচিয়ে রাখে। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভাষা বাংলার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। তারা বাংলা ভাষার গুরুত্ব ও বাস্তবতাকে অস্বীকার করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রচেষ্টা চালায়। ফলে বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) জনগণের প্রতিক্রিয়াও ছিল বেশ জোরালো। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ও রাজনৈতিক ফোরাম থেকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়। দেশের বুদ্ধিজীবীমহল কেন বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা উচিত তার বিস্তারিত বিবরণ পত্রিকায় ও বিভিন্ন সভাসমিতিতে তুলে ধরেন। পরবর্তীকালে পত্রপত্রিকাসমূহেও এ বিষয়ে প্রচুর লেখালেখি হয়। গোটা পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৬.৪০% মুখের ভাষা বাংলাকে সম্মান জানানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি শান্তিপূর্ণভাবে আহ্বান জানানো হয়। কর্তৃপক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে শান্তিপূর্ণ দাবি আস্তে আস্তে আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
176

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
539
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
400
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
748
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
620
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews