'সংকেত' শব্দের অর্থ ইঙ্গিত বা ইশারা।
প্রবন্ধটির নাম 'আকাশ' রাখার কারণ, এতে আকাশের রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে অ্যকাশের অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লেখক বলেছেন, আকাশ বায়ুর একটি বিশাল স্তর। এতে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস মিশে আছে। বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের লাল আলো মেশার কারণে কখনো কখনো মেঘ লাল দেখায়। আকাশ সম্বন্ধে এসব বিষয় এ প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে বলেই প্রবন্ধের নাম 'আকাশ' রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার দিক থেকে উদ্দীপক ও 'আকাশ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
প্রাচীনকালে মানুষ নানা কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে বেঁচে থাকত। তবে দিনে দিনে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে মানুষের ভুল ধারণাগুলো দূর হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সুবাদে মানুষ আজ অসম্ভবকে সম্ভব করছে'।
উদ্দীপকে আদিম যুগের প্রাচীন ধারণাকে পিছনে ফেলে মানুষের সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। আগে মানুষ পায়ে হেঁটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গেলেও চাকা আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত হয়েছে। বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলেই মানুষ মহাশূন্যে অতি দ্রুত যেতে পারছে এবং অসম্ভবকে সম্ভব করছে। 'আকাশ' প্রবন্ধেও দেখা যায়, আকাশ সম্পর্কে আগের দিনের মানুষের অনেক ভুল ধারণা ছিল। আজ বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মানুষের ভুল ধারণাগুলো দূর হয়েছে। উদ্দীপক ও প্রবন্ধ উভয় ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানের প্রসারের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, বিজ্ঞানের অগ্রগযাত্রার দিক থেকেই উদ্দীপক
ও 'আকাশ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
আলোচনাগত ভিন্নতা থাকলেও উদ্দীপকটির বিষয়বস্তু 'আকাশ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সমর্থন করে- উক্তিটি যথার্থ।
অজানাকে জানার আগ্রহ মানুষের চিরদিনের। রহস্যের জাল ভেদ করেই মানুষ এগিয়ে যায় সামনের দিকে। আজ মানুষ আকাশের অনেক রহস্য সম্পর্কে অবগত হয়ে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
উদ্দীপকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। অনেক বিষয় মানুষের অজানা থাকলেও বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার কারণে মানুষ আজ সেই অজানা বিষয়গুলো জানতে পারছে এবং অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় মানুষের সভ্যতাও এগিয়ে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুত অগ্রগতির ফলে মানুষ মহাশূন্যেও দ্রুতগতিতে যেতে পারছে। 'আকাশ' প্রবন্ধেও লেখক আকাশ নিয়ে বিভিন্ন রহস্য ও কৌতূহলের বিষয় উল্লেখ করে বিজ্ঞানের জয়যাত্রার কথা ব্যক্ত করেছেন। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার কারণেই মানুষ প্রাচীনকালের ভ্রান্ত ধারণাগুলোকে পরিহার করে আকাশের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে।
উদ্দীপকটির বিষয়বস্তু 'আকাশ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সমর্থন করে। কারণ উভয় ক্ষেত্রেই আদিম যুগের মানুষের ভ্রান্ত ধারণাকে পরিহার করে বিজ্ঞানের অগ্রগতির ধারাবাহিক যাত্রা তুলে আনা হয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, আলোচনাগত ভিন্নতা থাকলেও উদ্দীপকটির বিষয়বস্তু 'আকাশ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সমর্থন তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
Related Question
View All'চাঁদোয়া' অর্থ হচ্ছে শামিয়ানা।
প্রবন্ধটির নাম 'আকাশ' রাখার কারণ, এতে আকাশের রহস্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে আকাশের অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লেখক বলেছেন, আকাশ বায়ুর একটি বিশাল স্তর। এতে প্রায় বিশটি বর্ণহীন গ্যাস মিশে আছে। বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের অণু ছড়িয়ে আছে বলে আকাশ নীল দেখায়। সূর্যের লাল আলো মেশার কারণে কখনো কখনো এখানকার মেঘ লাল দেখায়। আকাশ সম্বন্ধে এসব বিষয় এ প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে বলেই প্রবন্ধের নাম 'আকাশ' রাখা হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে বর্ণিত আকাশ সম্বন্দ্বে মানুষের প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধ্যান-ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে।
প্রাচীনকালে অনেক কিছুই জানার অভাবে অন্ধকারে ঢাকা ছিল। কিন্তু বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারে সবকিছু এখন পরিষ্কারভাবে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে।
'আকাশ' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আগেকার দিনে লোকে ভাবত, আকাশটা বুঝি পৃথিবীর উপর একটা কিছুর কঠিন ঢাকনা। কখনো তারা ভাবত, আকাশটা পরতে পরতে ভাগ করা। প্রবন্ধের এই প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক ধারণার দিকটি উদ্দীপকের রফিক সাহেবের মধ্যে উঠে এসেছে। তিনি হাত দিয়ে মাথা, কপাল, পেট ইত্যাদি টিপেই রোগনির্ণয় করে ওষুধ দিতেন যা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে একেবারে অচল।
"আধুনিক ধ্যান-ধারণা এবং গবেষণাই বিজ্ঞানের জগতে ব্যাপক গতি এনে দিয়েছে, এ বিষয়টি উদ্দীপক এবং 'আকাশ' প্রবন্ধের আলোকে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।
বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কারের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়েছে, অনেক কুসংস্কার দূর হয়েছে, অনেক কৌতূহলী মানুষের কৌতূহল মিটেছে।
উদ্দীপকের সুমন সাহেব একজন বড় ডাক্তার। পিতার প্রথাগত পদ্ধতি থেকে তার রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি ভিন্ন। আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, এক্স-রে ইত্যাদির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করেন। বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কার তিনি কাজে লাগান। 'আকাশ' প্রবন্ধে আগেকার মানুষের আকাশ সম্পর্কে যে ধারণা ছিল সেটা বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে পরিবর্তিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা আগে বেলুন পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন, আর এখন মানুষ নিজেই মহাকাশযানে চড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা চালাচ্ছে।
উদ্দীপকের সুমন সাহেব পুরনো ধ্যানধারণা বদলে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। 'আকাশ' প্রবন্ধেও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারকেই গ্রহণ করার মানসিকতা দেখা যায়। তাই প্রবন্ধ এবং উদ্দীপক উভয় ক্ষেত্রেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।
বায়ুমণ্ডলের বিশাল স্তর পেরিয়ে আসতে পারে শুধু সূর্যের লাল রঙের ঢেউগুলো। এ কারণেই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।
পৃথিবীর উপরে আছে বিশাল বায়ুমণ্ডল এবং এতে রয়েছে ধুলা আর মেঘের স্তর। সন্ধ্যাবেলায় সূর্যের রশ্মিকে তেরছাভাবে বায়ুমণ্ডলের হাওয়ার স্তর পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু সব রঙের আলোক আসতে পারে না। শুধু লাল আলোর ঢেউগুলো আসতে পারে। এজন্যই সন্ধ্যায় আকাশে লাল আলোর বন্যা নামে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
