আদেল সাহেব মধ্যবয়সী। স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো। তিনি তৈলাক্ত খাবার পছন্দ করেন এবং তার কাজ মোটামুটি বসেই করতে হয়। হঠাৎ সেদিন বুকে প্রচন্ড ব্যথা হওয়ায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ধরা পড়ে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত। ডাক্তার তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর বলেন তার হৃদপিণ্ডের তিনটি ধমনিই সরু হয়ে গেছে। তিনি ভয় পেয়ে গেলেন এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও পরিশ্রম করতে শুরু করলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অসুস্থ ব্যক্তি বা রোগী গ্রহণযোগ্য খাবারকে পথ্য বলে।

উত্তরঃ

ঘরোগ হলে সাধারণত পরিপাক ক্ষমতা হ্রাস পায়। 

এ সময় পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য দিয়ে পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়। পথ্য প্রধানত তিনটি কাজ করে। যথা- 

১. দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে। 

২. দেহে তাপশক্তি উৎপন্ন করে।

৩. দেহকে সুস্থ ও সবল করে তুলতে সাহায্য করে।

উত্তরঃ

রোগ নিরাময়ে খাদ্যের ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে শরীর সুস্থ থাকার জন্য পরিমিত উপযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

উদ্দীপকের আদেল সাহেব মধ্যবয়সী একজন ব্যক্তি। তার শারীরিক পরিশ্রমও তেমন একটা করার প্রয়োজন হয় না। এর উপর সে আবার তৈলাক্ত খাবার পছন্দ করে। হঠাৎ বুকে ব্যথা ধরা পড়ায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তার হৃদরোগ হয়েছে বলে জানান। তার এ পরিণতির জন্য তার খাদ্য ব্যবস্থাই দায়ী বলে আমি মনে করি। কারণ যখন চর্বি ধমনীর গায়ে জমা হয় তখন তা ধমনীকে সরু করে ফেলে ও এক ধরনের অবরোধ তৈরি করে। এজন্য প্রয়োজন খাদ্য ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ক্যালরির পরিমাণ কমানো। প্রাণিজ প্রোটিনের পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন গ্রহণ করা। চিনি, মধু, মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিমিত গ্রহণ করা। জটিল শর্করা খাবার খাওয়া ভালো, চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন, মগজ, চিংড়ি মাছ, লবণ, পনির ইত্যাদি বর্জন করতে হবে। উদ্ভিজ্জ তেল গ্রহণ করা ভালো। যেহেতু আদেল সাহেব মধ্যবয়সী ও তাকে কম পরিশ্রম করতে হয় সেহেতু তার খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত ছিল।'

উত্তরঃ

হৃদরোগে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল, অক্সিজেন সরবরাহ প্রভৃতি গুরুত্বেপূর্ণ কাজ বাধাগ্রস্থ হয়।

হৃদরোগে হৃৎপিন্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। হৃদপেশী নষ্ট হয় এমন-কি রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।

দেীপকের আদেল সাহেব হৃদরোগে আক্রান্ত। তিনি বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করেন। আবার তাকে তেমন পরিশ্রম করতে হয় না। তিনি সমবয়সী একজন ব্যক্তি। হঠাৎ তার বুকে ব্যথা ধরা পড়ে ও ডাক্তার তার হৃদরোগ হয়েছে বলে জানান।

সতর্কতা অবলম্বন করলে আদেল সাহেবকে এ রোগের শিকার হতে হতো না। এজন্য পূর্বেই তার উচিত ছিল বেশি চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়া। মোটামুটি পরিশ্রমযুক্ত কাজ করা। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা। কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা যাতে তার ধমনীর গায়ে চর্বি জমতে না পারে। যেহেতু এখন তার মধ্যে হৃদরোগজনিত সমস্যা হয়েই গেছে এখন তাকে খাদ্য ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে, জটিল শর্করা জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন, চিংড়ি মাছ, মগজ, পনির, লবণ, মিষ্টি দুধের সর ইত্যাদি খাবার পরিহার করতে হবে, উদ্ভিজ্জ তৈল গ্রহণ করতে হবে। খনিজ উপাদানের মধ্যে সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এভাবেই তিনি এ রোগ হতে নিরাপদে থাকতে পারবেন।

205
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

রক্ত প্রবাহের সময় রক্তবাহী নালির ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

488
উত্তরঃ

শাকসবজি ও তরল খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সম্ভব হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। কারণ এগুলোর আঁশ কোষ্ঠ পরিষ্কারে সহায়তা করে। সুষম খাদ্যে যতটা শাকসবজি থাকা দরকার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তার দ্বিগুণ পরিমাণ শাকসবজি খেতে হবে। এ সময় চা-কফি বর্জন করা ভালো।

255
উত্তরঃ

জামান সাহেবের শারীরিক লক্ষণসমূহ হৃদরোগকে নির্দেশ করছে। হৃদরোগে হৃৎপিণ্ডের ধমনীর গায়ে চর্বি ও অন্যান্য স্নেহপদার্থ জমে ধমনীর ভিতরের গাত্র সরু হয়ে হয়ে যায় এবং অবরোধের সৃষ্টি করে।

ফলে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল, অক্সিজেন সরবরাহ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ বাধা প্রাপ্ত হয়, হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। হৃদপেশি নষ্ট হয় এমনকি রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

জামান সাহেবের শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই তার বুক ধড়ফড় এবং বুকে ব্যথা করে। এ লক্ষণগুলো হৃদরোগকেই নির্দেশ করে। হৃদরোগ নানা কারণে হয়ে থাকে। মধ্যবয়সী অথবা তার বেশি বয়সে হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। শরীরের ওজন বেশি হলে তাদের মধ্যে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যারা শারীরিক পরিশ্রম করে না তাদের হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। বর্তমান যুগের মানসিক চাপ হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। বংশগত হৃদরোগ থাকলে এই রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। যারা অধিক ধূমপান করেন তাদের মধ্যে হৃদরোগের আশঙ্কা বেশি থাকে। খাদ্যে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় উপাদান থাকলে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে।

246
উত্তরঃ

'সচেতনতাই পারে জামান সাহেবকে সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দিতে' উক্তিটির সাথে আমি একমত।. সঠিকভাবে নিয়মকানুন মেনে জীবনযাপন করলে হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এক্ষেত্রে সচেতনতাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হৃদরোগের অন্যতম কারণ হলো দেহের ওজন বেড়ে যাওয়া। শারীরিক পরিশ্রম না করলেও হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে। এছাড়া খাবারে চর্বি জাতীয় উপাদান হৃদরোগে আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

জামান সাহেব হাঁটাচলা কম করেন। শারীরিক পরিশ্রমও তেমন একটা করেন না। কিন্তু তিনি খেতে খুব ভালোবাসেন। এর ফলে তার শরীরের ওজনে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সকল কারণে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু তিনি যদি সচেতনভাবে জীবন যাপন করেন তাহলে তিনি সুস্থ জীবন ফিরে পেতে পারেন। তাই তাকে কতগুলো নিয়ম মেনে চলতে হবে।

জামান সাহেবকে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ওজন কমানোর জন্য তাকে খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কমাতে হবে। চিনি, মধু, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য বর্জন অথবা পরিমিত পরিমাণ গ্রহণ করতে হবে। শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল, চর্বিহীন মাংস, মাছ, ডিমের সাদা অংশ, গোটা ডিম সপ্তাহে ১-২ বার গ্রহণ করতে হবে। চর্বিযুক্ত মাংস, মাখন, মগজ, চিংড়ি মাছ, দুধের সর, আইসক্রীম, দুধের ঘন পায়ে, লবণ, ভাজা খাদ্য, পনির ইত্যাদি বর্জন করতে হবে। উদ্ভিজ্জ তেল গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া তাকে খাদ্যে সোডিয়ামের পমিাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ওজনে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জামান সাহেবকে শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটতে হবে। কোনো রকম মানসিক চাপ নেয়া যাবে না। নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবন-যাপন করলে জামান সাহেব হৃদরোগ-নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। কিন্তু তিনি যদি নিয়ম মেনে না চলেন তাহলে তার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এমনকি মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। তাই সুস্থ জীবনের জন্য জামান সাহেবের উচিত হবে উপরিউক্ত নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা।

221
উত্তরঃ

আঁশ জাতীয় খাদ্য কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। 

খাবার গ্রহণের কতক্ষণ পর খাদ্যের অবশিষ্টাংশ মলরূপে দেহ থেকে নিষ্কাশন হবে তা নির্ভর করে খাদ্যের প্রকৃতির ওপর। শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাদ্য মল দ্রুত নিষ্কাশনে সাহায্য করে। এছাড়া এ ধরনের খাদ্য মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তাই আঁশ জাতীয় খাদ্য ও শাকসবজি বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা যায়।

283
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews