আধুনিক প্রতীকী যুক্তিবিদ আই.এম. কপি (I.M. Copi) যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তোলেন। এরিস্টটল সর্বপ্রথম সীমিত পরিসরে প্রতীকের ধারণা প্রচলন করলেও আধুনিক যুগে এর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষণীয়। বিন্দু, নাল, ফলা, ঢেউ, ত্রিরেখা বা ত্রিবলী ইত্যাদি বিষয় প্রতীকের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যে যুক্তিবিদ্যায় যুক্তিকে ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে 'সাবেকি যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে বাক্যকে বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অঙ্গবচন বা উপাদান পাওয়া যায় না মূলত সেটিই হলো সরল বাক্য। যেমন- রাসেল হন একজন দার্শনিক। এ বাক্যটিকে ভেঙ্গে আর কোনো বাক্য আমরা পাই না। তাই একে পারমাণবিক বাক্যও বলা হয়। সুতরাং সরল বাক্যকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাক্যে ভাগ করা যায় না। যেমন ভাবে পরমাণুকে ভাগ করা যায় না। অবশ্য এই ধারণা (পরমাণুকে ভাগ করা যায় না) আগের। সরল বাক্যকে 'নিরপেক্ষ বাক্য'ও বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে, এরিস্টটল সর্বপ্রথম প্রতীকের ধারণা প্রচলন করেন। যদিও তার পরিসর ছিল সীমিত। কোনো বিষয় নির্দেশ করার জন্য যে সংকেত ব্যবহার করা হয় মূলত তাই প্রতীক। এরিস্টটল প্রথম যে প্রতীকের ধারণা দেন তাকে পরিবর্ত প্রতীক বলে। অর্থাৎ প্রতীক কয়েক ধরনের আছে। যেমন- প্রকাশধর্মী প্রতীক, নির্দেশমূলক প্রতীক, পরিবর্তী প্রতীক। পরিবর্তী প্রতীক হলো কোনো কিছুর পরিবর্তে যে ধরনের প্রতীক ব্যবহার করা হয়। এ প্রতীক একান্ত প্রতিনিধিত্বমূলক। P. M. S-কে পদের পরিবর্তে এবং p. q. r. s. t-কে বাক্যের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। যেমন- সব মানুষ হয় মরণশীল

রহিম হয় একজন মানুষ
∴  রহিম হয় মরণশীল।

এখানে মানুষের পরিবর্তে p, মরণশীলের পরিবর্তে m এবং রহিমের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। তবে যুক্তির আকারটি হবে।

সকল p হয় m 
s হয় একজন p 
s হয় m

এরিস্টটলের প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা সীমিত হলেও এর গুরুত্ব কম নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যার যুক্তি এবং আকারিক দিককে যখন প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তার নাম প্রতীকী যুক্তিবিদ্যা। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার পূর্বের ভার্সনকে 'সাবেকি যুক্তিবিদ্যা' বলে। একে এরিস্টটলীয়, সনাতনী বা গতানুগতিক যুক্তিবিদ্যাও বলা হয়। উদ্দীপক অনুযায়ী আমরা বলতে পারি যে, প্রতীকের ধারণা সর্বপ্রথম এরিস্টটল প্রচলন করলেও তা ছিল সীমিত পরিসরে। আধুনিক যুগে এর ব্যাপক পরিসর লক্ষণীয়।

এরিস্টটল যে প্রতীকের কথা বলেছেন তা হলো পরিবর্ত প্রতীক। প্রধান পদ, অপ্রধান পদ ও মধ্যপদকে নির্দেশ করার জন্য তিনি p. s. m কে প্রতীক হিসাবে ব্যবহার করেছেন। যেমন-

সব m হয় p (সব প্রাণী হয় মরণশীল) 
সব s হয় m (সব মানুষ হয় প্রাণী) 
সব s হয় p (সব মানুষ হয় মরণশীল)

কিন্তু আধুনিক যুগে এর ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যেমন- বিন্দু, নাল, ফলা ইত্যাদি। এগুলো একেকটি বিষয়ের প্রতীক।

বিন্দু (.) আমরা 'এবং', 'ও', 'আর' যোজক-এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। যেমন- বিশখ একজন ডাক্তার (p) এবং শিঞ্জন একজন ইঞ্জিনিয়ার (q)। একে প্রতীকায়িত করলে আমরা পাবো p. q নাল (১) চিহ্নকে আমরা যদি..তবে.... এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। যেমন যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো। একে প্রতীকায়িত করলে পাওয়া যাবে- pq.

ফলা (v)- কে আমরা 'অথবা' এর পরিবর্তে ব্যবহার করি। সে বুদ্ধিমান অথবা সৎ P v q 

ঢেউ (~) দ্বারা নঞর্থক বা 'না' বোঝায়। যেমন সে সৎ নয়। ~p.

ত্রিরেখা (=) দ্বারা সমান বোঝায়। যদি এবং কেবল যদি দ্বারা একাধিক বাক্যযুক্ত হলে তা সমমানিক (=) চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেমন বাংলাদেশ উন্নত হবে, যদি এবং কেবল যদি দেশের মানুষ সৎ হয়। p = q. 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
273

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে সংকেত প্রকৃতির রাজ্যে অবস্থান করে তাকে স্বাভাবিক সংকেত বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
279
উত্তরঃ

সংকেত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে স্বাভাবিক সংকেত, অন্যটি কৃত্রিম সংকেত। স্বাভাবিক সংকেত হলো তাই যা প্রকৃতির রাজ্যে অবস্থান করে। যেমন- ঝড়-ঝঞ্ঝার সংকেত। কৃত্রিম সংকেত বলতে দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে সংকেত ব্যবহার করে থাকি। যেমন- ট্রাফিকের লালবাতি- গাড়ি থামানোর সংকেত। এই সংকেত আমরা নিজেদের প্রয়াজনে ব্যবহার করে থাকি এবং একে আমরা তথা মানুষ সৃষ্টি করেছে। সুতরাং কৃত্রিম সংকেত হলো যা দৈনন্দিন জীবনে আমরা ব্যবহার করে থাকি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
276
উত্তরঃ

প্রতীক বলত আমরা বুঝি যে কোনো কিছু নির্দেশ করার, বোঝার এবং ব্যক্ত করার জন্য যে লিখিত বা কথিত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কোনো কিছুর পাশে যখন (√) টিক চিহ্ন দেই তখন তা সঠিক বলে আমরা জানি। প্রতীককে মানুষ নিজ ইচ্ছা ও সুবিধা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করে থাকে। লাল বাতিকে গাড়ি থামানোর সংকেত হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এটি মানুষের ব্যবহার ও ব্যাখ্যার উপর নির্ভরশীল। প্রতীক যেহেতু লিখিত বা কথিত রূপ সুতরাং এর সাথে এর অর্থের সরাসরি বা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। যেমন 'লালবাতি' প্রতীককে আমরা সব সময় সর্বক্ষেত্রে জানি। এটিকে জানার জন্য প্রত্যক্ষণের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ এটি লিখিত রূপ বলেই সরাসরি প্রত্যক্ষণের প্রয়োজন হয় না।

লালবাতি হচ্ছে একটি প্রতীক যা মানুষের ব্যাখ্যা ও ব্যবহার এর উপর নির্ভরশীল। লালবাতি প্রতীকটি প্রত্যক্ষ হলে সংকেতের রূপ নিবে। লালবাতিকে আমরা গাড়ি থামানোর প্রতীক হিসাবে জানি। যখন এটি রাস্তার ট্রাফিক মোড়ে জ্বলে তখন গাড়ি থামানোর সংকেত হিসাবে বোঝানো হয়। সুতরাং লালবাতি- যেমন প্রতীক, তেমন সংকেতও বটে। লালবাতি যখন প্রতীকরূপে থাকে তখন তা কোনো ধরনের প্রত্যাশা জাগায় না। সুতরাং উদ্দীপকে যে লালবাতির কথা বলা হয়েছে তা মূলত প্রতীক এবং গাড়ি থামানোর সময় সংকেত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
324
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে লালবাতি গাড়ি থামানোর প্রতীক। অর্থাৎ লালবাতি যদি রাস্তার ট্রাফিক মোড়ে জ্বালানো হয় তবে গাড়ি থেমে যায়। সুতরাং এর উপযোগিতা আছে। অর্থাৎ প্রতীকের উপযোগিতা রয়েছে। প্রতীক বলতে এমন কিছু লিখিত বা কথিত চিহ্নকে বোঝায় যা কোনো কিছু নির্দেশ করে। লালবাতি একটি চিহ্ন যা জ্বলে উঠলেই গাড়ি থেমে যায়। প্রতীকের উপযোগিতা ব্যাপক। প্রতীকের ফলে জটিল বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করা যায়। যেমন কোনো গাড়িকে ট্রাফিক পুলিশ থামাতে চাইলে লালবাতি জ্বালায় এবং গাড়িটি থেমে যায়। কিন্তু লালধাতির প্রতীক ব্যবহারের পরিবর্তে সে যদি চিৎকার করে তবে তা থামানো কষ্টসাধ্য বটে। সুতরাং প্রতীকের উপযোগিতা রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতীকের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক জটিল যুক্তিকে প্রতীকের মাধ্যমে আমরা সহজে প্রকাশ করতে ও বুঝতে পারি। গণিতের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের দিকে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ ভূকিা রাখে। কোনো বিষয় যখন ভাষায় প্রকাশ করা হয় তখন দুর্বোধ্য মনে হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতীকের মাধ্যমে তা সহজ করা হয়।

সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রাজু ও মিনার বাবার উত্তরের মাধ্যমে প্রতীকের উপযোগিতা প্রকাশ পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
273
উত্তরঃ

যে যুক্তিবিদ্যায় যুক্তিকে ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে 'সাবেকি যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
358
উত্তরঃ

যে বাক্যকে বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অঙ্গবচন বা উপাদান পাওয়া যায় না মূলত সেটিই হলো সরল বাক্য। যেমন- রাসেল হন একজন দার্শনিক। এ বাক্যটিকে ভেঙ্গে আর কোনো বাক্য আমরা পাই না। তাই একে পারমাণবিক বাক্যও বলা হয়। সুতরাং সরল বাক্যকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাক্যে ভাগ করা যায় না। যেমন ভাবে পরমাণুকে ভাগ করা যায় না। অবশ্য এই ধারণা (পরমাণুকে ভাগ করা যায় না) আগের। সরল বাক্যকে 'নিরপেক্ষ বাক্য'ও বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
266
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews