কখাদ্যের পুষ্টি উপাদান হতে নির্গত তাপশক্তি পরিমাপের একককে খাদ্যের ক্যালরি বলে
হাড় ও দাঁতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়ষ্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। এ সকল কারণে ক্যালসিয়াম মানুষের দেহের জন্য প্রয়োজনীয়।
দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচক হলো BMI বা ভরসূচি।
BMI =দেহের ওজন (কেজি)
[দেহের উচ্চতা (মিটার)
আনিকার BMI = ৫৫
(১.৫)
= ৫৫ = ২৪.৪৪ (প্রায়)
২.২৫
এখানে, আনিকার ওজন ৫৫ কেজি
আনিকার উচ্চতা = ১৫০ সেন্টিমিটার
= ১৫০ মিটার
১০০
= ১.৫ মিটার
আনিকার পছন্দ হলো আমিষ জাতীয় খাবার। আমিষ জাতীয় খাবার দেহ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমিষ প্রাণিদেহের গঠনে কাজ করে। দেহকোষের গঠন বস্তুর বেশিরভাগই আমিষযুক্ত। দেহের অস্থি, পেশি, লোম, নখ প্রভৃতি আমিষ দ্বারা তৈরি হয়। নতুন কোষ উৎপাদনে আমিষ প্রধান ভূমিকা পালন করে। দেহ গঠনে সাহায্যকারী বিভিন্ন উৎসেচক ও হরমোন গঠনেও আমিষের ভূমিকা রয়েছে। প্রাণিদেহের শুষ্ক ওজনের ৫০% আমিষ। তাই বলা যায়, আমিষ আনিকার দেহ গঠনে ভূমিকা পালন করবে কিন্তু স্থূলতা হ্রাসে কোনো ভূমিকা পালন করবে না।
আনিকার পছন্দ হলো আমিষ জাতীয় খাবার। আমিষ জাতীয় খাবার দেহ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমিষ প্রাণিদেহের গঠনে কাজ করে। দেহকোষের গঠন বস্তুর বেশিরভাগই আমিষযুক্ত। দেহের অস্থি, পেশি, লোম, নখ প্রভৃতি আমিষ দ্বারা তৈরি হয়। নতুন কোষ উৎপাদনে আমিষ প্রধান ভূমিকা পালন করে। দেহ গঠনে সাহায্যকারী বিভিন্ন উৎসেচক ও হরমোন গঠনেও আমিষের ভূমিকা রয়েছে। প্রাণিদেহের শুষ্ক ওজনের ৫০% আমিষ। তাই বলা যায়, আমিষ আনিকার দেহ গঠনে ভূমিকা পালন করবে কিন্তু স্থূলতা হ্রাসে কোনো ভূমিকা পালন করবে না।
উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, আনিকার বান্ধবীর পছন্দকৃত রাফেজ বা আঁশ জাতীয় খাবারই মূলত স্থূলতা
হ্রাসে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!