আনোয়ার সাহেব বাংলাদেশের একটি অঞ্চলে বেড়াতে গেলেন। সেখানে তিনি কিছু বসতি খুঁজে পেলেন যেগুলোর বেশিরভাগই পুঞ্জীভূত এবং অল্প কিছু বসতি বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে। এছাড়া তিনি আরও দেখতে পান যে, ঐসব এলাকার বসতিগুলো কৃষিভূমির আশেপাশে গড়ে উঠেছে।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

আনোয়ার সাহেবের ভ্রমণকৃত এলাকা গ্রামীণ বসতির উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ হাটবাজারগুলো গড়ে ওঠার পেছনে কারণগুলো হলো স্থানীয় চাহিদার উদ্বৃত্ত চালান, দূরবর্তী পরিব্রাজক সেবা প্রদান, অনুকূল যোগাযোগ ব্যবস্থা, চাহিদার তারতম্য প্রভৃতি। যে অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি উর্বর, রাস্তাঘাট কাঁচাপাকা বা আধাপাকা এবং কয়েকটি অঞ্চলের সাথে ভালো যোগাযোগব্যবস্থা থাকে সেসব অঞ্চলে হাটবাজারগুলো গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ হাটবাজার গড়ে উঠে বাজারসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর মধ্যে উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মধ্যে তারতম্য হলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তন্মধ্যে বিক্ষিপ্ত বসতি ও পুঞ্জীভূত বসতি দুটি গ্রামীণ বসতির আওতাভুক্ত।

নিচে বিক্ষিপ্ত বসতি-ও পুঞ্জীভূত বসতি সম্বন্ধে আলোকপাত করা হলো-
দুই বা তিনটি ঘরের ছোট বসতি এবং মাঝে মাঝে ফসলি খেতের পর আবার ছোট বসতি বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে ওঠে বলে এ ধরনের বসতিকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে। ক্ষুদ্র আকৃতির বসতিগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে। এরূপ বসতি এলাকায় লোক সমাগম কম হয়। প্রায় ক্ষেত্রেই বসতিগুলো কৃষিজমি দ্বারা পৃথক থাকে। এ বসতির লোকদের সামাজিক মূল্যবোধ খুবই কম। অন্যদিকে অনেকগুলো ঘরবাড়ি যখন পরস্পর খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয়ে একটি সম্মিলিত রূপ লাভ করে, তখন ঐ বসতিকে পুঞ্জীভূত বসতি বলে। বাসগৃহগুলো অত্যন্ত ঘন ও একটি অন্যটির নিকটে সন্নিবেশিত থাকে। এ বসতিগুলো বৃহৎ আকৃতির। এক্ষেত্রে কৃষিভূমিগুলো বসতি এলাকা থেকে অনেক দূরে থাকে। বসতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ উন্নত থাকে। প্রতিটি বসতি আধাপাকা বা কাঁচাপাকা রাস্তা দ্বারা সংযুক্ত থাকে। সুতরাং বলা যায়, বিক্ষিপ্ত বসতি ও পুঞ্জীভূত বসতি দুটিতে দু' ধরনের বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। সাধারণত ভৌগোলিকগত কারণেই বসতিতে এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বসতিগুলো কৃষিভূমির আশেপাশে গড়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে।

শহর থেকে দূরে যেখানে নিভৃত, কোলাহলমুক্ত, দূষণমুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অনিবিড় ঘরবাড়িতে বসবাস করা স্বল্পসংখ্যক মানুষ, যাদের অধিকাংশই কৃষিকাজের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে তারা সাধারণত কৃষিভূমির সাথে সম্পর্ক রেখে তাদের বসতি স্থাপন করে।
বাংলাদেশের একটি বিরাট আয়তনের উর্বর ভূমিতে কৃষিজ চাষাবাদ করা হয়। এ কৃষিভূমিতে বিভিন্ন ধরনের শস্য উৎপাদনে বহু মানুষ নিয়োজিত থেকে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। আর এ পেশায় নিয়োজিত মানুষ তাদের কর্মের সুবিধার জন্য কৃষিকাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার জন্য তাদের আবাসভূমি কৃষিভূমির আশেপাশেই গড়ে তোলে। এভাবে শুরু হয় গ্রামীণ বসতি নির্মাণ। যেহেতু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকে এবং তাদের আবাসভূমি। কৃষিকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে। এর ফলে ভূমিকেন্দ্রিক একটি বৃহৎ গ্রামীণ বসতির সৃষ্টি হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, কৃষিভূমির সাথে বসতি গড়ে ওঠার একটা আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
68

Related Question

View All
উত্তরঃ

৫০ লাখেরও বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট নগরকে মেগাসিটি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
157
উত্তরঃ

গ্রামের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের উদ্বৃত্ত পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বীকৃত জনজমায়েতকে গ্রামীণ হাট বলে।
গ্রামীণ জীবনযাত্রায় হাটের ভূমিকা অসামান্য। বৃহত্তর অর্থে গ্রামীণ পরিসরে হাট হচ্ছে আর্থসামাজিক স্নায়ুকেন্দ্র। এ হাটের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ভোগ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় মানুষের উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রয় এবং চাহিদাসম্পন্ন পণ্য ক্রয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে গ্রামীণ হাটের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
193
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি হলো ঢাকা, যা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু।

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। সব ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়। ঢাকায় বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল প্রভৃতি গড়ে উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তরও ঢাকায় অবস্থিত। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টও ঢাকায় অবস্থিত।

এক কথায় বাংলাদেশের যাবতীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তাই ঢাকাকে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
109
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো ঢাকা অঞ্চল এবং 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো রাজশাহী অঞ্চল। এ উভয় অঞ্চলের মধ্যে জনসংখ্যা ঘনত্বের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।

ঢাকা হলো সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। বাংলাদেশের মূল প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হলো ঢাকায়। এর আয়তন ৩১,১২০ বর্গ কি.মি. এবং জনসংখ্যা ৪,৯৩,২১,৬৮৮ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব। ১,৫১২ জন। মোট নগর সংখ্যা ৪০টি। ঢাকায় প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা ব্যাপক আকারে থাকায় এ অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, যাতায়াত সুবিধা সরকারি বেসরকারি অফিসের অবস্থান; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সদর দপ্তরের অবস্থান, বড় বড় হাসপাতাল, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি ব্যাপক আকারে থাকায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। তাই ঢাকার জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।

অন্যদিকে রাজশাহী হলো বাংলাদেশের তৃতীয় জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। এ অঞ্চলের আয়তন ১৮,১৯০ বর্গ কি.মি.। মোট জনসংখ্যা ১,৯২,২৫,৯০৯ জন এবং ঘনত্ব ১,০১৮ জন। এ অঞ্চলে ৮টি নগর রয়েছে। রাজশাহী অঞ্চল প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক বিবেচনায় বসবাসের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করলেও ঢাকার মতো এত ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক কিছু নিয়ামকের তারতম্যের জন্য ঢাকা ও রাজশাহীতে জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্য হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
225
উত্তরঃ

যে বসতিতে একটি পরিবার অন্যান্য পরিবার থেকে বহু দূরে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করে তাকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
153
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ হাটগুলো গড়ে ওঠার পেছনে কারণগুলো হলো স্থানীয় চাহিদার উদ্বৃত্ত চালান, দূরবর্তী পরিব্রাজক সেবা প্রদান, অনুকূল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদনদীর অবস্থান, চাহিদার তারতম্য প্রভৃতি l

যে অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি উর্বর, রাস্তাঘাট কাঁচাপাকা বা আধাপাকা এবং কয়েকটি অঞ্চলের সাথে সড়ক ও নদীপথে ভালো যোগাযোগব্যবস্থা থাকে সেসব অঞ্চলে হাটগুলো গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ হাট গড়ে উঠে বাজারসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর মধ্যে উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মধ্যে তারতম্য হলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
232
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews