আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্বসমূহ:

i. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব প্রধানত নিরাপত্তা পরিষদের।

ii. আন্তর্জাতিক সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে এমন সকল বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা, এসব বিবাদ মেটানোর পদ্ধতি অথবা মীমাংসার শর্তাবলি সুপারিশ করা, সমরাস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা তৈরি করা, শান্তির প্রতি হুমকির বাস্তবতা বা আগ্রাসনের ঘটনা চহ্নিত করা এবং এ ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা সুপারিশ করা

iii. আন্তর্জাতিক শান্তিভঙ্গকারী রাষ্ট্রের প্রতি নিরাপত্তা পরিষদ প্রথমে শান্তিপূর্ণ পথে সমাধানের আহ্বান জানায়। এই সিদ্ধান্ত অমান্য করলে নিরাপত্তা পরিষদ শান্তিভঙ্গকারী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবরোধ আরোপ করতে পারে।

iv. বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী প্রেরণ ও তাদের কার্যক্রম তদারকি করা।

V. নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদ কর্তৃক জাতিসংঘের যে-কোনো রাষ্ট্রের সদস্যপদ স্থায়ীভাবে বা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ, যা আরব উপদ্বীপ ও ইরানকে পৃথক করেছে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর সঙ্গে এর সরাসরি যোগাযোগের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে এ প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ খনিজ তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রধান সমুদ্রপথ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। এই প্রণালি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তেল এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। পৃথিবীর মোট সমুদ্রপথে বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানিকৃত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয় এবং প্রতিদিন প্রায় ২০.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে যায়। জাপান, চীনসহ এশিয়ার প্রধান অর্থনীতিগুলো জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে এই প্রণালির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ইরানের তেল রপ্তানিরও এটি অন্যতম প্রধান পথ। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেলজাত পণ্য ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) পরিবহন করা হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত, অবরোধ বা নৌযান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে গিয়ে তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে। তাই বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বাভাবিক গতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালিকে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক কূটনীতি (Economic Diplomacy) বলতে বোঝায় একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা ও প্রসারের জন্য পরিচালিত আন্তর্জাতিক নীতি ও কর্মকাণ্ডর সমষ্টিকে। এর মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়ানোর জন্য বৈদেশিক নীতির সরঞ্জাম ব্যবহার করা। সহজ কথায়, এটি হলো অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের জন্য কূটনীতিকে ব্যবহার করা।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির চ্যালেঞ্জসমূহ:

অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে গিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। আপনি যে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করেছে বলে মনে করেন, তা নিম্নরূপ:

১. প্রতিযোগিতা ও বাণিজ্য সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কারণে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের পর আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। এই সুবিধা ধরে রাখা বা নতুন বাজার সুবিধা তৈরি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

বাণিজ্য জোটের বাধা: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি) করার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি দর কষাকষি এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এর বিধিবিধান মেনে চলার চাপ।

পণ্য বহুমুখীকরণ অভাব: রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ (৮০% এর বেশি) তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। এই নির্ভরতা কমাতে রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ অর্থনৈতিক কূটনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

২. বিনিয়োগ ও অবকাঠামো চ্যালেঞ্জ

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ: প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। বিনিয়োগকারীদের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, জমি অধিগ্রহণে সমস্যা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো (গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর) সরবরাহের সীমাবদ্ধতা দূর করা কঠিন।

দক্ষ মানবসম্পদের অভাব: বিদেশি বিনিয়োগের সাথে আসা নতুন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, প্রয়োজনীয় উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন জনশক্তির অভাব একটি বড় বাধা।

৩. আন্তর্জাতিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

  • জলবায়ু পরিবর্তন জনিত চাপ: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। আন্তর্জাতিক ফোরামে জলবায়ু অর্থায়ন এবং ক্ষতিপূরণ আদায় করা একটি কঠিন কূটনৈতিক লড়াই।
  • ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ: বৃহৎ শক্তিগুলোর (যেমন: চীন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে নিজ দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা একটি সংবেদনশীল চ্যালেঞ্জ।
  • রোহিঙ্গা সংকট: মিয়ানমার থেকে আগত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর কারণে দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামোর ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং এই সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধানে কূটনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা কঠিন।

৪. প্রাতিষ্ঠানিক ও সুশাসনের চ্যালেঞ্জ

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতি: সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সকল পর্যায়ে দুর্নীতি দূর করতে হবে। দীর্ঘসূত্রিতা এবং দুর্নীতির অভিযোগ অনেক সময় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে এবং অর্থনৈতিক কূটনীতির কার্যকারিতা হ্রাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তন সমস্যা মোকাবেলায় G-7-এর

ভূমিকাসমূহ:

গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস: G-7 সদস্যরাষ্ট্রগুলো কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নেট-জিরো নির্গমন অর্জন, শিল্প ও পরিবহন খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর তারা গুরুত্ব দিচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার: কয়লা, তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে G-7 উদ্যোগ গ্রহণ করছে। পাশাপাশি জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছে। করছে।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো: কয়লা, তেল ও গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। তাই G-7 নবায়নযোগ্য ও কম-কার্বন জ্বালানিতে রূপান্তর, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগকে উৎসাহিত করছে।

উন্নয়নশীল দেশকে জলবায়ু অর্থায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সীমিত। G-7 এসব দেশের জলবায়ু প্রশমন (mitigation) ও অভিযোজন (adaptation) কার্যক্রমে অর্থায়ন ও সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সবুজ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন: কার্বন নিঃসরণ কমাতে G-7 উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণায় বিনিয়োগ করছে। সবুজ হাইড্রোজেন, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি প্রযুক্তি, কার্বন ক্যাপচার ও অন্যান্য পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির উন্নয়ন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে।

জলবায়ু অভিযোজন ও দুর্যোগ মোকাবিলা: বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল ও তাপপ্রবাহের মতো জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় G-7 জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও দুর্যোগ প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নেতৃত্ব: G-7-এর অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে G-7 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

FTA-এর পূর্ণরূপ: Free Trade Agreement
PTA-এর পূর্ণরূপ: Preferential Trade Agreement
FTA এবং PTA এর মধ্যে পার্থক্য:

বিষয়FTAPTA
অর্থসদস্যদেশগুলোর মধ্যে অধিকাংশ পণ্য ও সেবার বাণিজ্যে শুল্ক ও অন্যান্য বাধা কমানো বা বিলোপ করানির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে পরস্পরকে বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার দেওয়া
শুল্ক সুবিধাতুলনামূলকভাবে ব্যাপক হারে শুল্ক কমানো বা শূন্য করা হয়নির্বাচিত পণ্যে সীমিত হারে শুল্ক সুবিধা দেওয়া হয়
পরিধিবিস্তৃততুলনামূলকভাবে সীমিত
উদ্দেশ্যসদস্যদেশগুলোর মধ্যে মুক্ত ও ব্যাপক বাণিজ্য বৃদ্ধিনির্দিষ্ট পণ্যের বাণিজ্যে পারস্পরিক সুবিধা সৃষ্টি
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
18

Related Question

View All
উত্তরঃ

BRRI= Bangladesh Rice Research Institute

BRRI is located in Joydevpur, Gazipur. 

Ab. Rahim
Ab. Rahim
3 years ago
2.2k
উত্তরঃ

রাষ্ট্রীয় নামঃ The Kingdom of Bhutan; রাজধানীঃ থিম্পু; ভাষাঃ জংখা/ভুটানি; মুদ্রাঃ গুলট্রাম

TALHA JUBAYER
TALHA JUBAYER
2 years ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews