উত্তরঃ 1985

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC) গঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। সার্ক প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নতি সাধন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখা।

সার্কের (SAARC) মূলনীতিসমূহ হলো:

        
  • সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
  •     
  • সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা।
  •     
  • শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা।
  •     
  • জাতিসংঘের সনদ (UN Charter) এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (Non-Aligned Movement) মূলনীতি অনুসরণ করা।
  •     
  • দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করা।
  •     
  • পারস্পরিক আস্থা, বোঝাপড়া এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে অঞ্চলের সামগ্রিক কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

বিশ্বায়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে রাষ্ট্রসমূহের অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে আন্তঃসংযোগ ও নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়। এর ইতিবাচক দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তির বিকাশ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।


বিশ্বায়ন (Globalization): এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিকভাবে পরস্পরের সাথে অধিকতর সংযুক্ত ও নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। এর ফলে পণ্য, পরিষেবা, মূলধন, প্রযুক্তি এবং ধারণা অবাধে এক দেশ থেকে অন্য দেশে আদান-প্রদান হয়। এটি মূলত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির উদারীকরণের ফলস্বরূপ ঘটে।

বিশ্বায়নের ইতিবাচক দিকসমূহ:

        
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন: বিশ্বায়ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে, যা দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করে। এর ফলে নতুন বাজার তৈরি হয় এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
  •     
  • প্রযুক্তির বিকাশ ও সহজলভ্যতা: বিশ্বায়নের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি সহজে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে জ্ঞান ও উদ্ভাবনের প্রসার ঘটে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষ আধুনিক প্রযুক্তির সুফল ভোগ করতে পারে।
  •     
  • সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া: এটি বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে যোগাযোগ ও বিনিময় বৃদ্ধি করে, যা বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
  •     
  • তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি: বিশ্বায়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে ভূমিকা রাখে, যা দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং যোগাযোগ সহজ করে তোলে।
  •     
  • জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: বিশ্বায়নের ফলে উন্নত মানের পণ্য ও পরিষেবা সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখে।
  •     
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি: বিশ্বায়ন বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা যেমন – পরিবেশ দূষণ, দারিদ্র্য, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদির সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও জোটবদ্ধতাকে উৎসাহিত করে।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ
        
  • পশ্চিমবঙ্গ: বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত জুড়ে অবস্থিত। বাংলাদেশের সাতটি বিভাগের (রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট) কিছু অংশের সাথে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত রয়েছে।
  •     
  • আসাম: বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু অংশের সঙ্গে আসামের সীমান্ত রয়েছে।
  •     
  • মেঘালয়: বাংলাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত। বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু অংশের সঙ্গে মেঘালয়ের সীমান্ত রয়েছে।
  •     
  • ত্রিপুরা: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের (কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী) কিছু অংশের সঙ্গে ত্রিপুরার সীমান্ত রয়েছে।
  •     
  • মিজোরাম: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান) কিছু অংশের সঙ্গে মিজোরামের সীমান্ত রয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪,১৫৬ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম সীমান্ত। এই সীমান্তটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাঁচটি ভারতীয় রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত। এই রাজ্যগুলো হলো পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
145

আরব লিগ আরব দেশসমূহের সংস্থা। ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লিগ গঠিত হয়। মিশরের রাজধানী কায়রোতে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠার ভিত্তি: ১৯৪৪ সালের আলেকজান্দ্রিয়া প্রোটোকল।

 

জেনে নিই

  • পরিচয়: আরবি ভাষাভাষী দেশের জোট।
  •  প্রতিষ্ঠা: ২২ মার্চ, ১৯৪৫ সালে।
  •  সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর
  •  প্রথম সম্মেলন : কায়রো, মিশর 
  • বর্তমান সদস্য: ২২ টি
  • ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সদর দপ্তর ছিল: তিউনিশ, তিউনিশিয়া
  •  প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬টি [মিশর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব ও সিরিয়া]
  •  ১৯৭৯ সালে বহিষ্কার হয়ে ১৯৯০ সালে ফিরে আসে: মিশর

Related Question

View All
উত্তরঃ

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক শিক্ষার হার 'মালদ্বীপ' এর ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
451
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews