আপনাকে বিলাইয়া দীন দুঃখীদের মাঝে

, বিদূরিলে পথ দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।
তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি, যা

রোপিবে-তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান শোনায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক দৈহিক বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্মিক বিকাশের উপর বিশেষ জোর দিয়ে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।
থিবীর সব প্রাণীরই দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে। তবে মানুষকে দৈহিক বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্মিক বিকাশও ঘটাতে হয়। এই সর্বাঙ্গীণ বৃদ্ধি বা কাশে মানুষের নিজের ভূমিকা রয়েছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন, সুখ-দুঃখ বা আনন্দ-বেদনার উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্কতা তৈরি য় সেটাই আত্মা। এই আত্মা মানুষকে সৃষ্টি করে নিতে হয়। জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা, প্রেম ও গভীর অনুভূতির মাধ্যমে মানুষ দৈহিক দির পাশাপাশি আত্মারও বিকাশ ঘটাতে পারে, যা প্রশ্নোক্ত উত্তিটিতে উন্মোচিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে অন্যের জন্য আত্মনিবেদনের দিকটি বিশেষভাবে উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে পরার্থে আত্মনিবেদনই মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা হওয়া উচিত বলে লেখক মনে করেন। তিনি দেখিয়েছেন, বৃক্ষ কেমন করে ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা পায়, আর সেসব অন্যকে দান করে সার্থকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। মানবজীবনের সার্থকতার জন্য মানুষকেও নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে উঠতে হবে। তাহলেই স্বার্থপর, বিবেকহীন ও নিষ্ঠুর জবরদস্তিপ্রবণ মানুষের জায়গায় দেখা দেবে প্রেমে, সৌন্দর্যে ও সেবায় বিকশিত বিবেকবান পরিপূর্ণ মানুষ।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নিজেকে দীন-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দিলেই প্রকৃত সুখী হওয়া যায়। যে মানুষ সমাজের নিরীহ ও বিপন্ন মানুষদের জন্য কাজ করে তাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে নিজেকে উজাড় করে দেয় তিনিই পৃথিবীতে প্রকৃত মানুষ। মূলত, অন্যের জন্য মহৎ কিছু করার মধ্যে প্রকৃত সুখ নিহিত। তাই বলা যায়, অপরের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করার মহত্ত্বের দিকটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের পাশাপাশি উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক বহুমুখী বিষয়ের অবতারণা করেছেন যা উদ্দীপকের কবিতাংশে সম্পূর্ণভাবে ফুটে উঠেনি।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক পরার্থে আত্মনিবেদিত ও বিবেকবোধসম্পন্ন মানবজীবনের মহত্তম প্রত্যাশা থেকে জীবন কাঠামোকে তুলনা করেছেন বৃক্ষের সাথে। তিনি দেখিয়েছেন নদী নয়, বৃক্ষের নীরব সাধনার সাথে মানুষের জীবনের সাদৃশ্য রয়েছে। বৃক্ষ যেমন পশু, পাখি ও মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ, তেমনি মানবজীবনের সার্থকতার জন্যও পরার্থে কাজ করতে হয়। মানুষের ভিতরের স্বল্পপ্রাণ ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষটিকে দমন করতে হলে মানবপ্রেমে নিজেকে উজ্জীবিত করতে হবে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জীবন সংসারে নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্য কাজ করতে হবে। সমাজের গরিব-দুঃখী মানুষদের স্বার্থের কথা ভেবে তাদের মুখে হাসি ফোটা নোই জীবনের চরম সার্থকতা। কেবল এভাবেই আত্মার সুখ উপলব্ধি করা যায়। মানুষের জন্ম নিজের জন্য নয় বরং অন্যের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়াই মানবজন্মের সার্থকতা।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক মানুষের স্বার্থসন্ধানী বিবেকবর্জিত অহংকারী আত্মাকে পরাস্ত করে মানবপ্রেমে বিকশিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি মানুষকে বৃক্ষের আদর্শ অনুসরণ করতে বলেছেন। তিনি রবীন্দ্রনাথের সাথে একমত হতে পারেননি। তিনি মনে করেন, নদী নয় মানুষের জীবনকাঠামোকে বৃক্ষের সাথে তুলনা করাই অধিক যুক্তিযুক্ত। অর্থাৎ প্রবন্ধে বহুমুখী যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনার মধ্য দিয়ে মানুষের দায়িত্ব-কর্তব্য নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক আলোচ্য প্রবন্ধের সমগ্র ভাবকে বহন করে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
54


সমাজের কাজ কেবল টিকে থাকার সুবিধা দেওয়া নয়, মানুষকে বড় করে তোলা, বিকশিত জীবনের জন্য মানুষের জীবনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া। স্বল্পপ্রাণ স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ। তাদের কাজ নিজের জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলা নয়, অপরের সার্থকতার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করা। প্রেম ও সৌন্দর্যের স্পর্শ লাভ করেনি বলে এরা নিষ্ঠুর ও বিকৃতবুদ্ধি। এদের একমাত্র দেবতা অহংকার। তারই চরণে তারা নিবেদিতপ্রাণ । ব্যক্তিগত অহংকার, পারিবারিক অহংকার, জাতিগত অহংকার- এ সবের নিশান ওড়ানোই এদের কাজ। মাঝে মাঝে মানবপ্রেমের কথাও তারা বলে। কিন্তু তাতে নেশা ধরে না, মনে হয় আন্তরিকতাশূন্য, উপলব্ধিহীন বুলি ।
এদের স্থানে এনে দিতে হবে বড় মানুষ— সূক্ষ্মবুদ্ধি উদারহৃদয় গভীরচিত্ত ব্যক্তি, যাদের কাছে বড় হয়ে উঠবে জীবনের বিকাশ, কেবল টিকে থাকা নয়। তাদের কাছে জীবনাদর্শের প্রতীক হবে প্রাণহীন ছাঁচ বা কল নয়, গতি আছে, সজীব বৃক্ষ— যার বৃদ্ধি আছে, বিকাশ আছে, ফুলে ফলে পরিপূর্ণ হয়ে অপরের সেবার জন্য প্রস্তুত হওয়া যার কাজ । বৃক্ষের জীবনের গতি ও বিকাশকে উপলব্ধি করা দরকার, নইলে সার্থকতা ও পরিপূর্ণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হবে না ।
বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়। তাই, বারবার সেদিকে তাকানো প্রয়োজন । মাটির রস টেনে নিয়ে নিজেকে মোটাসোটা করে তোলাতেই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয় । তাকে ফুল ফোটাতে হয়, ফল ধরাতে হয়। নইলে তার জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই বৃক্ষকে সার্থকতার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা সজীবতা ও সার্থকতার এমন জীবন্ত দৃষ্টান্ত আর নেই।
অবশ্য রবীন্দ্রনাথ অন্য কথা বলেছেন। ফুলের ফোটা আর নদীর গতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি নদীর গতির মধ্যেই মনুষ্যত্বের সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। তাঁর মনে মনুষ্যত্বের বেদনা নদীর গতিতেই উপলব্ধ হয়, ফুলের ফোটায় নয় । ফুলের ফোটা সহজ, নদীর গতি সহজ নয়— তাকে অনেক বাধা ডিঙানোর দুঃখ পেতে হয়। কিন্তু ফুলের ফোটার দিকে না তাকিয়ে বৃক্ষের ফুল ফোটানোর দিকে তাকালে বোধহয় রবীন্দ্রনাথ ভালো করতেন। তপোবনপ্রেমিক রবীন্দ্রনাথ কেন যে তা করলেন না বোঝা মুশকিল ।
জানি, বলা হবে : নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ যতটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বৃক্ষের ফুল ফোটানোয় তা তত স্পষ্ট হয়ে ওঠে না । তাই কবি নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন ।উত্তরে বলব : চর্মচক্ষুকে বড় না করে কল্পনা ও অনুভূতির চক্ষুকে বড় করে তুললে বৃক্ষের বেদনাও সহজে উপলব্ধি করা যায়। আর বৃক্ষের সাধনায় যেমন একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, মানুষের সাধনায়ও তেমনি একটা ধীরস্থির ভাব দেখতে পাওয়া যায়, আর এটাই হওয়া উচিত নয় কি? অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয় । যাকে বলা হয় গোপন ও নীরব সাধনা তা বৃক্ষেই অভিব্যক্ত, নদীতে নয় । তাছাড়া বৃক্ষের সার্থকতার ছবি যত সহজে উপলব্ধি করতে পারি, নদীর সার্থকতার ছবি তত সহজে উপলব্ধি করা যায় না। নদী সাগরে পতিত হয় সত্য, কিন্তু তার ছবি আমরা প্রত্যহ দেখতে পাই না । বৃক্ষের ফুল ফোটানো ও ফল ধরানোর ছবি কিন্তু প্রত্যহ চোখে পড়ে । দোরের কাছে দাঁড়িয়ে থেকে সে অনবরত নতি, শান্তি ও সেবার বাণী প্রচার করে ।
সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস । নদীর সাগরে পতিত হওয়ায় সেই প্রাপ্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। সে তো প্রাপ্তি নয়, আত্মবিসর্জন। অপরপক্ষে বৃক্ষের প্রাপ্তি চোখের সামনে ছবি হয়ে ফুটে ওঠে। ফুলে ফলে যখন সে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে তখন আপনা থেকেই বলতে ইচ্ছা হয় : এই তো সাধনার সার্থকতা। বৃক্ষে প্রাপ্তি ও দান । সৃজনশীল মানুষেরও প্রাপ্তি ও দানে পার্থক্য দেখা যায় না। যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান ।
বৃক্ষের পানে তাকিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চয়ই অন্তরের সৃষ্টিধর্ম উপলব্ধি করেছেন । বহু কবিতায় তার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু গদ্যে তিনি তা স্পষ্ট করে বলেননি। বললে ভালো হতো। তাহলে নিজের ঘরের কাছেই যে সার্থকতার প্রতীক রয়েছে, সে সম্বন্ধে আমরা সচেতন হতে পারতাম ।
নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোনো হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপরে তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা । মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও । মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না। সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্বতা, তাই তো আত্মা । এই আত্মারূপ ফল স্রষ্টার উপভোগ্য । তাই মহাকবির মুখে শুনতে পাওয়া যায় : ‘Ripeness is all’- পরিপক্বতাই সব। আত্মাকে মধুর ও পুষ্ট করে গড়ে তুলতে হবে। নইলে তা স্রষ্টার উপভোগের উপযুক্ত হবে না। বিচিত্র অভিজ্ঞতা, প্রচুর প্রেম ও গভীর অনুভূতির দ্বারা আত্মার পরিপুষ্টি ও মাধুর্য সম্পাদন সম্ভব। তাই তাদের সাধনাই মানুষের শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু। বস্তুজিজ্ঞাসা তথা বিজ্ঞান কখনো শিক্ষার প্রধান বিষয়বস্তু হতে পারে না। কেননা, তাতে আত্মার উন্নতি হয় না- জীবনবোধ ও মূল্যবোধে অন্তর পরিপূর্ণ হয় না; তা হয় সাহিত্য-শিল্পকলার দ্বারা। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের এত মূল্য।
ওপরে যে বৃদ্ধির কথা বলা হলো বৃক্ষের জীবন তার চমৎকার নিদর্শন। বৃক্ষের অঙ্কুরিত হওয়া থেকে ফলবান হওয়া পর্যন্ত সেখানে কেবলই বৃদ্ধির ইতিহাস। বৃক্ষের পানে তাকিয়ে আমরা লাভবান হতে পারি— জীবনের গূঢ় অর্থ সম্বন্ধে সচেতন হতে পারি বলে।
বৃক্ষ যে কেবল বৃদ্ধির ইশারা তা নয়- প্রশান্তিরও ইঙ্গিত। অতি শান্ত ও সহিষ্ণুতায় সে জীবনের গুরুভার বহন করে।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews