আফিফ হিশাম শীতের ছুটিতে পরিবারের সবার সাথে সাগর কন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণে বের হয়। সদরঘাট থেকে লঞ্চযোগে তারা কুয়াকাটার 'উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। নিরাপদ আরামদায়ক এবং নদীর দু'পাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করে।' তারা দেখতে পায় অসংখ্য জলযান পণ্য বোঝাই করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে। নদী-মাতৃক বাংলাদেশে পরিবহন ও যোগাযোগের এই মাধ্যমটি সস্তা ও সুলভ বলে তাদের কাছে মনে হলো।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে তিন ধরনের রেলপথ আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে অথবা একদেশ থেকে অন্যদেশে পণ্যসামগ্রী, মালপত্র এবং যাত্রী চলাচলের মাধ্যমকে পরিবহন বলে। পরিবহন তিন ধরনের থাকে যথা- স্থল পরিবহন, জল পরিবহন ও আকাশ পরিবহন। পরিবহন ব্যবস্থা ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন ও চলাচলের মাধ্যমকে যোগাযোগ ব্যবস্থা বলে। যোগাযোগ পরিবহন, ডাক, টেলিগ্রাম ও টেলিযোগ, বেতার ও টেলিভিশন, ই-মেইল, মোবাইল, ইন্টারনেট, ভূউপগ্রহ, ইলেকট্রনিক মাধ্যম, তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আফিফ হিশামের ভ্রমণ করা পরিবহন অর্থাৎ নৌ পরিবহন পথটি গড়ে উঠার পেছনে ভৌগোলিক নিয়ামক হিসেবে নদনদী যথেষ্ট প্রভাববিস্তার করে।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশে অসংখ্য নদনদী রয়েছে। যে অঞ্চলে নদনদীর সংখ্যা বেশি সেসব অঞ্চলে নৌপরিবহন গড়ে উঠে।
এদেশের দক্ষিণাঞ্চল অর্থাৎ খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা বরগুনা জেলায় নদনদীর সংখ্যা অনেক বেশি। এসব জেলায় রাস্তাঘাট, রেলপথ তৈরি করতে হলে প্রচুর ছোট বড় সেতু, কালভার্ট নির্মাণ করতে হবে। এসব জেলায় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা অনেক কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। ফলে এসব জেলায় সড়কপথ ও রেলপথ পর্যাপ্ত পরিমাণে গড়ে উঠেনি। সুতরাং- নৌপরিবহন গড়ে উঠার ভৌগোলিক নিয়ামক হলো নদনদী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত নৌপরিবহন পথটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের যাতায়াত ব্যবস্থার মধ্যে নৌ পরিবহন পথ (জলপথ) সবচেয়ে সহজ ও সুলভ মাধ্যম। নদীমাতৃক বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদী জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই যাতায়াত মাধ্যম হিসেবে নৌ পরিবহন পৃথ গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্য, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করে নৌ পরিবহন পথ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশের বিশ্ববাণিজ্য চলে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে।
নদীপথের মাধ্যমে এ দুটি বন্দরে মাল আনা-নেওয়া করা হয়। নদীমাতৃক দেশ হিসেবে যাতায়াত ব্যবস্থায় নদীপথ গুরুত্বপূর্ণ। এ পথে স্বল্প খরচে এবং সহজেই পণ্য ও যাত্রী বহন করা হয়। ফলে দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতিতে এ পথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য নদীপথের ওপর নির্ভরশীল। জলপথে কৃষি ও শিল্প পণ্যসহ ভারী পণ্য সহজে ও সুলভে স্থানান্তর করা যায়। ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

সুতরাং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নৌপরিবহনের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের একটি নদী বন্দরের নাম হলো গোয়ালন্দ নদী বন্দর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
124
উত্তরঃ

ভগ্ন উপকূল বন্দর স্থাপনে সহায়ক।
ভগ্ন উপকূলে বহু গভীর প্রশস্ত খাঁড়ি দেখা যায়। এরূপ অবস্থায় অধিকসংখ্যক জাহাজ এক সাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে ভগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলো সামুদ্রিক ঝড়, প্রবল স্রোত প্রভৃতি দুর্যোগমুক্ত থাকে। তাই বন্দর স্থাপনের জন্য ভগ্ন উপকূল গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
147
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক', 'খ' হলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও ঢাকা যেখানে ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যমটি হলো সড়কপথ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম হলো সড়কপথ। কৃষিকাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, বীজ এবং উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামাল প্রভৃতি জরুরি ভিত্তিতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবহনের জন্য সড়কপথ অন্যতম মাধ্যম।
উদ্দীপকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াতের জন্য উত্তম মাধ্যম হলো সড়কপথ। ঢাকা হলো বাংলাদেশের রাজধানী। আর চট্টগ্রাম হলো বাণিজ্যিক নগর। তাই এ দুই অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনে সড়কপথ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সড়কপথের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অগণিত কৃষি ও শিল্প পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম অথবা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌছানোর জন্য সড়কপথই একমাত্র গুরুতত্বপূর্ণ পথ। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ পথে যাতায়াত করে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে এ পথ বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
139
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' 'খ' হলো সড়কপথ এবং 'খ'-'গ' হলো বিমানপথ। নিচে সড়কপথ ও বিমানপথের ধরন বিশ্লেষণ করা হলো।" বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করার জন্য উন্নত রাস্তা/সড়ক অপরিহার্য। তবে সব অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য ভালো সড়কপথ নেই। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে এক একটি অঞ্চলে সড়ক ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। গ্রাম, উন্নয়ন, পৌরসভা, শহর, নগর প্রভৃতির অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে জাতীয় জনপথ, জেলা বোর্ড সড়কপথ, উপজেলা সড়কপথ, ইউনিয়ন পরিষদ সড়কপথ রয়েছে।

অন্যদিকে আধুনিক যুগে বিমানে যাতায়াতের গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমান সার্ভিসে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। বিমানপথ বাংলাদেশের পরিবহনব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। অভ্যন্তরীণ সার্ভিস ব্যবস্থায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম থেকে যশোর, কক্সবাজার, সিলেট প্রভৃতি স্থানে যাওয়া যায়।

বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। তন্মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর। এটি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। এর পরেই চট্টগ্রাম শাহ আমানত এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানমন্দর রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
127
উত্তরঃ

কোনো একটি বন্দরে যে অঞ্চলের বহির্দ্ধায়ের কাজ করে সেই অঞ্চলকে উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি বলে।

অন্যভাবে বলা যায় যেসব স্থানের রপ্তানি দ্রব্যসমূহ কোনো বন্দরের মধ্যদিয়ে বিদেশে প্রেরণ করা হয় এবং ঐসব অঞ্চলের আমদানি দ্রব্যসমূহ ঐ বন্দরের মধ্য দিয়ে বিদেশ হতে আনয়ন করা হয়। সে অঞ্চলটি হলো উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি। তাই বন্দরের উন্নতি বহুলাংশে এর পশ্চাদভূমির বিস্তার ও সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। পশ্চাদভূমি যত বেশি বিস্তৃত, জনবহুল, শিল্পপ্রধান ও সম্পদশালী হবে বন্দর তত বেশি অগ্রগতি লাভ করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
137
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews