আফ্রিকা মহাদেশের একটি বৃহৎ রাষ্ট্র 'ক'। রাষ্ট্রটি দু'টি অংশে বিভক্ত। উত্তর অংশে গড়ে ওঠা একটি রাজনৈতিক দল ঐ অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে এবং দক্ষিণ অংশে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দলটি দক্ষিণ অংশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এ কারণে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে দল দু'টি অঞ্চলভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

আগরতলা মামলার আসামি ছিল ৩৫ জন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্ট বলতে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি রাজনৈতিক জোটকে বোঝায়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলায় (পূর্ব পাকিস্তান) ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে মোকাবিলা করার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, এ. কে. ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীর প্রচেষ্টায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একটি জোট গঠন করে। ১৯৫৩ সালে গঠিত চারটি দলের এ জোটটিই 'যুক্তফ্রন্ট' নামে পরিচিত। জোটের দলগুলো হলো-১ আওয়ামী মুসলিম লীগ, ২. নেজাম-ই-ইসলামি পার্টি, ৩. কৃষক-শ্রমিক পার্টি ও ৪. বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' দেশের উত্তর অংশের রাজনৈতিক দল ঐ - অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। অন্যদিকে দক্ষিণ অংশের রাজনৈতিক দলটিও কেবল সে অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এ কারণে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে দল দুটি অঞ্চলভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এমনটি দেখা যায়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) অংশের জনগণের মূল প্রতিনিধি ছিল আওয়ামী লীগ। আর তখন ঐ রাষ্ট্রের পশ্চিম অংশে বেশি জনপ্রিয় দল ছিল পাকিস্তান পিপলস পার্টি।
পাকিস্তানের দুই অংশে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনি ফলাফলে দেখা যায়, জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় এবং ১৬০টি আসনেই জয়লাভ করে। অবশিষ্ট ২টি আসনে নির্বাচিত হন পিডিপির নুরুল আমিন এবং নির্দলীয় প্রার্থী ত্রিদিব রায়। পশ্চিম পাকিস্তানের ৪টি প্রদেশে পিপিপি মোট ৮৩টি আসন পায়। আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আর দলটির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিপিপি মোট ৮৮টি আসন পায়। অপরদিকে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মোট ৩১০ (১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ) আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসন পেয়ে একচেটিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। লক্ষ্যণীয় যে, এ নির্বাচনে 'আওয়ামী লীগ যেমন পশ্চিম পাকিস্তানে ১টি আসনও পায়নি, পিপিপিও তেমনি পূর্ব পাকিস্তানে কোনো আসন পায়নি। এ তথ্য থেকে প্রমাণিত হয় যে, উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' রাষ্ট্রের নির্বাচনটি পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নির্বাচন অর্থাৎ পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচন দেশটির জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে সংকট তৈরি করেছিল।
১৯৭০ সালের নির্বাচন অখণ্ড পাকিস্তান রাষ্ট্রের সর্বশেষ নির্বাচন। এ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাঙালিরা তাদের নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য পৃথক পথ বেছে নিয়েছে। তারা আর পশ্চিম শাবিস্তানি নেতাদের নিষ্পেষণমূলক শাসনে থাকতে রাজি নয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের প্রত্যাখ্যান করাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এর সমাপ্তি ঘটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে।
পাকিস্তানি অগণতান্ত্রিক শাসকচক্রের অনড় অবস্থান ও ক্ষমতালিপদা এভাবেই দেশটির বিভক্তি ডেকে আনে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক উভয় পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রষমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বিপুল বিজয় পায়। সে অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হওয়া ন্যায়সঙ্গত ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বরং নতুন জাতীয় পরিষদের ৩ মার্চের নির্ধারিত অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় বক্তাবন্ধু তার ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালিদের স্বাধীনতার লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জানান। তার নির্দেশ অনুযায়ী দেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর সাথে ১৬-২৪ মার্চ প্রহসনের আলোচনায় বসেন। আলোচনার আড়ালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাঙালিদের বিরুদ্ধে গণহত্যার প্রস্তুতি নিতে থাকে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতের দিকে ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে পাকিস্তানি সেনারা বর্বর হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটেই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা প্রচার করেন।
তাই বলা যায়, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানি কায়েমি স্বার্থবাদী শাসকরা এদেশে হত্যাযজ্ঞ চালায়। এর পরিণতিতে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামের স্বাধীন রাষ্ট্র। সুতরাং উপরের আলোচনায় স্পষ্ট যে, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফল এবং সে ব্যাপারে পাকিস্তানের শাসকদের চরম অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী প্রতিক্রিয়া দেশটির জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
27
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের দ্বারা অর্থাৎ পরোক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
77
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ বলতে বোঝায় সরকারের সে বিভাগকে যে বিভাগ দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাসনকার্য পরিচালনা করে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে শাসন বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাসন বিভাগই সরকারের আসল চালিকা শক্তি। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের নিয়ে শাসন বিভাগ গঠিত হয়। শাসন বিভাগের কাজ হলো আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের বাস্তবায়ন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
66
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে আমার পঠিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাদৃশ্য বৃয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হলেও দেশটির জাতীয় পরিষদের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ও ৮ ডিসেম্বর। উত্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্যদিকে, পশ্চিম পাকিস্তানের ৪টি প্রদেশের মধ্যে পিপিপি মোট ৮৩টি আসন পায়। আওয়ামী লীগের এ বিজয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতা হারানোর ভীতি ছড়িয়ে দেয়। ফলে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তারা নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ঘ' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার দুই যুগ পর প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকরে। কিন্তু সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় বিজয়ী দলের নেতা স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। যা আমার পঠিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
58
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন অর্থাৎ ১৯৭০ সালের নির্বাচন বস্তুতপক্ষে পাকিস্তান রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতীয়তাবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অভূতপূর্ব বিজয় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর সুদীর্ঘ ২৫ বছরের অত্যাচার, নিপীড়ন ও শোষণের হাত থেকে বাঙালির স্বাধিকার এবং মুক্তি লাভের দাবিরই বহিঃপ্রকাশ।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে টালবাহানা শুরু করে। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেও তা আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব বাংলায় হরতালের ডাক দেন। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তার ভাষেেণ তিনি স্বাধীনতার ডাক দেন। ১৯৭১ সালের ২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন চলে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে হাজার হাজার নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার সাথে সাথে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন অর্থাৎ ১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রকৃতই পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
50
উত্তরঃ

ছয়দফা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত বাঙালির অধিকার আদায়ের ৬টি দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
66
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্ট বলতে ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি রাজনৈতিক জোটকে বোঝায়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এ জোট চারটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত হয়। দলগুলো হলো- আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম-ই-ইসলামি পার্টি এবং গণতন্ত্রী দল। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
74
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews