যৌথ পরিবারের সকল সদস্যের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক বিরাজ করে। এটাই পারিবারিক বন্ধন। যখন যৌথ পরিবারের বন্ধন দৃঢ় থাকে, তখন তারা নানাভাবে একে অপরের সহযোগিতায় আসতে পারে। উদ্দীপকের পরিবারের বন্ধন দৃঢ় হওয়ার কারণেই আবিদের গোসল, খাওয়া ইত্যাদি কাজগুলো তার চাচি করে থাকেন। সারাদিন মা-বাবার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও দাদা-দাদির সাথে আনন্দ হৈচৈ করে আবিদের দিন কেটে যায়। তাদের সঙ্গ ও ভালোবাসা আবিদকে সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে।
পরিশেষে বলা যায়, আবিদের বয়সী শিশুদের বেড়ে উঠার পিছনে পরিবারের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ।
Related Question
View Allএকক পরিবার বলতে ওই পরিবারকে বোঝায় যেখানে পৃথক একটি বাসগৃহে শুধু মা-বাবা এবং তাদের অবিবাহিত সন্তান সন্ততি থাকে।' একক পরিবার হলো ছোট পরিবার। বর্তমানে অধিকাংশ পরিবার একক পরিবার।
উদ্দীপকের আবিদ যৌথ পরিবারে বেড়ে উঠেছে।
যে পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা ও সন্তানেরা একসাথে বসবাস করে তাকে যৌথ পরিবার বলে। এ ধরনের পরিবারে এক বা একাধিক কর্তা থাকে। সকলে একসাথে বসবাস করার কারণে একে অপরের বিপদে সাহায্য করে, পরামর্শ দেয়, সন্তান প্রতিপালনে একে অপরকে সাহায্য করে। যৌথ পরিবারে সকলের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যৌথ পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি সকলে একসাথে বসবাস করে বলে এটি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবার। এরূপ পরিবারে পুরুষের আয় উপার্জনের ওপর তার স্ত্রী, সন্তানের সেবা ও সুযোগ-সুবিধার মান নির্ভর করে। সুতরাং যৌথ পরিবার বলতে আমরা এমন একটি পরিবারকে বুঝি যেখানে এক বা একাধিক উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকে এবং দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা, সন্তানেরা সকলে একসাথে বসবাস করে।
জন্মের পর নবজাতকের প্রথম ভাষা হলো কান্না।
যেসব শিশু জন্মের সময় লালচে বা গোলাপি বর্ণের হয়, জন্মের পর পরই কাঁদে, স্বাভাবিকভাবে দুধ খেতে পারে, তারাই সুস্থ নবজাতক। নবজাতক প্রায় ১৮-২০ ঘণ্টা ঘুমায়। সুস্থ নবজাতক দু-তিন ঘণ্টা পর পর জেগে ওঠে, আহার করে মলমূত্র ত্যাগের পর আবার ঘুমায়।
উদ্দীপকের সাইয়ারা শৈশবের প্রথম পর্যায়ে আছে। কারণ ২.৫ বছর থেকে ৬ বছর পর্যন্ত প্রারম্ভিক শৈশব বা শৈশবের প্রথম পর্যায়। এ বয়সটির অন্য আর একটি নাম হলো প্রাক বিদ্যালয় শিশু বা স্কুল পূর্বের শিশু। সাইয়ারা এ বয়সে পড়ালেখা শুরু করে না; কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে পড়াশুনা শুরু করার পূর্বপ্রস্তুতি নেয়। এ সময় স্কুলে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পড়াশুনা শুরুর প্রস্তুতি নেয় বলে এ সময়কে খেলার বয়সও বলা যায়। সাইয়ারার বয়সে শিশুদের মনে হাজারো প্রশ্নের উদয় হয়। পৃথিবীটা তাদের কাছে একটা বিরাট বিস্ময়কর মনে হয়। বড়দেরকে এ বয়সে শিশুরা অনুকরণ করতে পছন্দ করে। বড়দেরকে যা করতে দেখে তারাও তাই করে। সাইয়ারাও ঠিক একই কাজগুলো করে। সুতরাং বলা যায়, সাইয়ারা এখন শৈশবের প্রারম্ভিক পর্যায়ে আছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!