আবিদ একজন যোদ্ধা। যুদ্ধের পর বাড়ি ফিরে এসে তার ছোট বোন লিমার কাছে যুদ্ধের কথা বর্ণনা করছিল। একটি যুদ্ধে তাদের অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছিল, লিমা এর কারণ জানতে চাইলে আবিদ বলল, তাদের রণকৌশল ঠিকই ছিল কিন্তু কিছু যোদ্ধা কমান্ডারের নির্দেশ ভুলে গিয়ে প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। অবশ্য তারা আর ভুল করেনি।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

কুরাইশ শব্দের অর্থ বণিক বা সওদাগর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে যারা হিজরত করেন তাদেরকে মুহাজির এবং যারা হিজরতকারীদের সর্বতোভাবে সাহায্য ও আশ্রয় দান করেন তাদেরকে আনসার বলা হয়।
মক্কায় ইসলাম প্রচারের কারণে মহানবি (স) এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। এ কারণে আল্লাহর নির্দেশে যারা জন্মভূমি ও আত্মীয়-স্বজনের মায়া কাটিয়ে মক্কা হতে মদিনায় হিজরত করেন তাদেরকে মহানবি (স) মুহাজির নামে অভিহিত করেন। আর রক্তের সম্পর্ক বিবেচনা না করে ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে মুহাজিরদের যারা আশ্রয়দান করেন তাদেরকে তিনি 'আনসার' (সাহায্যকারী) নামে অভিহিত করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ইসলামের ইতিহাসের উহুদ যুদ্ধের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

মহানবি (স) উহুদ যুদ্ধের সময় উদ্বুদ পাহাড়ের গোলাকার অংশের বাইরে থেকে যুদ্ধ পরিচালনার মনস্থির করেন এবং সেভাবে সৈন্য সমাবেশ করেন। মুসলিম শিবিরের পশ্চাতে বাম-পাশে একটি গিরিপথ ছিল। রাসুলুল্লাহ (স)-এর নির্দেশ ছিল 'জয় অথবা পরাজয় কোনো অবস্থাতেই মুসলিম তীরন্দাজ বাহিনী যেন গিরিপথ অতিক্রম না করে'। চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মল্লযুদ্ধে হযরত হামজা তালহাকে নিহত করেন। প্রথম দিকে মুসলমানরা পর পর সাফল্য লাভ করে। এতে শত্রুবাহিনী দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন শুরু করে। যুদ্ধের প্রাথমিক সাফল্যের উল্লাসে মুসলিম সৈন্যবাহিনী শৃঙ্খলা হারিয়ে ফেলে এবং তীরন্দাজ বাহিনী মহানবি (স)-এর আদেশ ভুলে গিয়ে গিরিপথের রক্ষণাবেক্ষণের পরিবর্তে গনিমতের মাল সংগ্রহে নিয়োজিত হয়। এই সুযোগে শত্রুপক্ষ মুসলমানদের আক্রমণ করে এবং মুসলমানরা পরাজয় বরণ করে।
উদ্দীপকের আবিদও একটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। এ যুদ্ধে যোদ্ধাদের রণকৌশল ঠিক থাকলেও প্রথম দিকে কয়েকজন শত্রু সৈন্য মারা যেতে দেখে তারা কমান্ডারের নির্দেশ অমান্য করে প্রকাশ্যে চলে আসে। ফলে যুদ্ধে তাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং কয়েকজন যোদ্ধা মারা যায় যেমনটি ঘটেছিল উহুদ যুদ্ধে। সুতরাং বলা যায়, এ যুদ্ধের সাথে উদ্বুদ যুদ্ধের মিল রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা এবং এ ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ইসলামের ইতিহাসের উহুদ যুদ্ধ থেকে যে শিক্ষা গ্রহণ করা যায় তা হলো- নেতার আদেশ অমান্য করা অনুচিত।

উহুদ যুদ্ধে মুহাম্মদ (স) আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইয়েরের নেতৃত্বে ৫০ তীরন্দাজ সেন্যকে উদ্বুদ ও আইনাইন পর্বতের মাঝামাঝি সংকীর্ণ গিরিপথে নিয়োজিত করেন। যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি সৈন্যদেরকে এখানে অবস্থান করতে বলেন। কিন্তু সৈন্যরা মহানবি (স)-এর আদেশ অমান্য করে গনিমতের মাল সংগ্রহে লিপ্ত হয়। ফলে এ পথ দিয়ে শত্রুরা আক্রমণ করে মুসলমানদের পরাজিত করে। বদর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের যে বিজয় যাত্রা শুরু হয়েছিল এ যুদ্ধে তা দারুণভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। তকে উদ্বুদের অগ্নিপরীক্ষা ইসলামের দৃঢ় সংকল্প ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ, নেতার নির্দেশ অমান্য করার কারণে উহুদের বিপর্যয় মুসলমানদেরকে পরবর্তীতে সুশৃঙ্খলাবদ্ধ সামরিক জাতিতে পরিণত করে। এ যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে তারা বুঝতে পারে নেতার আদেশ অমান্য করলে পরাজয় অনিবার্য। এ শিক্ষা পরবর্তী সময়ের সকল যুদ্ধে তাদের সফল হতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, আবিদ যে দলটিতে যুদ্ধ করছিল তারা কমান্ডারের নির্দেশ অমান্য করে। প্রথম দিকে কয়েকজন শত্রুকে মারা যেতে দেখে তারা নিজেদের বিজয়ের কথা ভেবে প্রকাশ্যে চলে আসে। ফলে সে যুদ্ধে তারা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তবে এখান থেকে তারা নেতার আদেশ অমান্য না করার শিক্ষাগ্রহণ করে এবং এ ভুল তারা আর করেনি।
উপর্যুক্ত আলোচনায় এটা প্রমাণ হয় যে, নেতার আদেশ অমান্য করার কারণে উদ্বুদ যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। তাই সর্বাবস্থায় নেতার আদেশ মান্য করাই উদ্দীপক এবং উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
22

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
146
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
82
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
87
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
357
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews