আবির যে রাষ্ট্রের বাসিন্দা সেটি ১৯৪৭ সালে আলাদা দু'টি ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়। রাষ্ট্রটি সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিমাঞ্চলের কায়েমী স্বার্থবাদী মহল পূর্বাঞ্চলের প্রতি ক্রমাগত শোষণ, অবহেলা ও বৈষম্যমূলক নীতির আশ্রয় নেয়। যার ফলে পূর্বাঞ্চলের মানুষের মনে ক্রমাগত অসন্তোষের জন্ম নেয়। এ প্রেক্ষাপটে পূর্বাঞ্চলের এক জনপ্রিয় নেতা একটি দাবি পেশ করেন এবং ঘোষণা করেন উক্ত দাবিই হচ্ছে পূর্বাঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ও মুক্তির সনদ।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভাষার মর্যাদা রক্ষার্থে ১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলার ছাত্র জনতা যে আন্দোলন করে তাই হলো ভাষা আন্দোলন।
পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পরপরই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলা ভাষার ওপর আঘাত হানে। ১৯৫২ সালে তারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় পূর্ব-বাংলার ছাত্র জনতা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং আন্দোলন পরিচালনা করে। এ আন্দোলনে কয়েকজন ছাত্র শহিদ হন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সংঘটিত এই আন্দোলনই হলো ভাষা আন্দোলন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে পূর্ব পাকিস্তানের ছয় দফা দাবির মিল আছে।

১৯৪৭ সালে বাঙালিরা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শোষণ থেকে মুক্ত হয়। এই মুক্তি তাদেরকে আর এক শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের কবলে পতিত করে। এই নির্যাতন অর্থাৎ পাকিস্তানিদের শোষণের বিরুদ্ধে ছয় দফা ছিল একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। উদ্দীপকে এই পদক্ষেপটিরই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রাষ্ট্রটি আলাদা দুটি ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়। এ রাষ্ট্রটি সৃষ্টির পর থেকেই এর একটি অঞ্চল শাসকদের বৈষম্যের শিকার হয়। এরই প্রেক্ষিতে শোষিতরা একটি দাবি পেশ করে। ছয় দফা দাবির ক্ষেত্রেও এমন প্রেক্ষাপট লক্ষণীয়। ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এর পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্বাঞ্চলের জনগণের প্রতি নানা অত্যাচার, অবিচার, শোষণ-বঞ্চনা ও নির্যাতন শুরু করে। চাকরি, কৃষি, শিল্পসহ অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রেই তারা পাহাড়সম বৈষম্য তৈরি করে। পূর্ব বাংলার কাঁচামাল নিয়ে পাকিস্তানি শিল্পপতিরা উত্তরোত্তর ব্যবসার উন্নয়ন করে আর পূর্ব বাংলা অনুন্নতই থেকে যায়। এছাড়া ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ দেখা দিলে পূর্ব বাংলা অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় বিভিন্ন বৈষম্য থেকে মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। তিনি এ কর্মসূচিকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি বলে অভিহিত করেন। সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা ছয় দফা আন্দোলনের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনা অর্থাৎ ছয় দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের স্বাধীনতার দ্বার উন্মুক্ত করে।

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কর্মসূচি অর্থাৎ ছয় দফা কর্মসূচি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। পাকিস্তানের স্বৈরশাসক গোষ্ঠীর শোষণ, নির্যাতন ও অবিচারের বিরুদ্ধে ছয় দফা ছিল একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। এ আন্দোলন ছিল শোষকের হাত থেকে শোষিতের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের হাতিয়ার।
১৯৬৬ সালের ছয় দফার মাধ্যমে বাঙালিরা প্রথম লিখিতভাবে স্বায়ত্তশাসনের দাবি পেশ করে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, বাঙালিদের সাফল্য লাভ করার কৌশল বা সামর্থ্য আছে। বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে নস্যাৎ করার জন্য সরকার নানা টাল-বাহানা করেছিল। কিন্তু এসব উপেক্ষা করে জনমত ক্রমেই ছয় দফার প্রতি সহানুভূতিপ্রবণ হতে থাকে। ছয় দফা দাবির ফলেই ১৯৭০ সাল পর্যন্ত যা ছিল স্বায়ত্তশাসনের দাবি ১৯৭১ সালে তা স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়। এই দাবিতে উজ্জীবিত হয়েই বাঙালিরা মুক্তি আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে আমরা মুক্তি বা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি।
পরিশেষে বলা যায়, ছয় দফাকেন্দ্রিক আন্দোলনের পথ ধরেই জন্ম নিয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এ কারণেই ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
62

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের দ্বারা অর্থাৎ পরোক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
123
উত্তরঃ

শাসন বিভাগ বলতে বোঝায় সরকারের সে বিভাগকে যে বিভাগ দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাসনকার্য পরিচালনা করে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে শাসন বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাসন বিভাগই সরকারের আসল চালিকা শক্তি। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের নিয়ে শাসন বিভাগ গঠিত হয়। শাসন বিভাগের কাজ হলো আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের বাস্তবায়ন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
123
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে আমার পঠিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাদৃশ্য বৃয়েছে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হলেও দেশটির জাতীয় পরিষদের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ও ৮ ডিসেম্বর। উত্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্যদিকে, পশ্চিম পাকিস্তানের ৪টি প্রদেশের মধ্যে পিপিপি মোট ৮৩টি আসন পায়। আওয়ামী লীগের এ বিজয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতা হারানোর ভীতি ছড়িয়ে দেয়। ফলে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তারা নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ঘ' রাষ্ট্রের স্বাধীনতার দুই যুগ পর প্রথম সাধারণ নির্বাচনে একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকরে। কিন্তু সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় বিজয়ী দলের নেতা স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। যা আমার পঠিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
97
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন অর্থাৎ ১৯৭০ সালের নির্বাচন বস্তুতপক্ষে পাকিস্তান রাষ্ট্রটির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতীয়তাবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অভূতপূর্ব বিজয় পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর সুদীর্ঘ ২৫ বছরের অত্যাচার, নিপীড়ন ও শোষণের হাত থেকে বাঙালির স্বাধিকার এবং মুক্তি লাভের দাবিরই বহিঃপ্রকাশ।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে টালবাহানা শুরু করে। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেও তা আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব বাংলায় হরতালের ডাক দেন। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তার ভাষেেণ তিনি স্বাধীনতার ডাক দেন। ১৯৭১ সালের ২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন চলে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে হাজার হাজার নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার সাথে সাথে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নির্বাচন অর্থাৎ ১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রকৃতই পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
92
উত্তরঃ

ছয়দফা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত বাঙালির অধিকার আদায়ের ৬টি দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
118
উত্তরঃ

যুক্তফ্রন্ট বলতে ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি রাজনৈতিক জোটকে বোঝায়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করার লক্ষ্যে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এ জোট চারটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত হয়। দলগুলো হলো- আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম-ই-ইসলামি পার্টি এবং গণতন্ত্রী দল। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
143
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews