
একবার দাদার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে আৰু বিশাল একটা বোয়াল মাছ ধরেছিল। তখন ছিল আষাঢ় মাস। ঝরঝর বৃষ্টি পড়ছিল থেকে থেকে। আর বিদ্যুতের ঝলক আকাশের ওপরে সোনার দাগ কেটে পালিয়ে যাচ্ছিল মাবো মাঝে। যাবার সময় মেঘের আড়াল থেকে তবলার শব্দ শুনিয়ে দিচ্ছিল। আবুর যে বয়স, তাতে তার ঘন বর্ষার রাতে মৌরিবিলে মাছ ধরতে যাবার কথা নয়। কারণ বয়স তার মোটে দশ। বড়ো ভাইয়েরা তাকে কোনো সময় সঙ্গে নিতে চায় না। বোয়াল মাছ ধরার দিনও দাদা সাজেদ ও তার বন্ধুরা একেবারেই জানতে পারেনি যে ছোট্ট আবু তাদের সঙ্গে যাচ্ছে। বলে-কয়ে যেতে চাইলে দাদারা ওকে সঙ্গে নেবে না। তাই বেচারা আবু চুপিচুপি গিয়ে নৌকার খোলের মধ্যে ঢুকে লুকিয়ে ছিল এবং সেখানে সে ঘুমিয়ে পড়েছিল।
বর্ষাকাল মানে আষাঢ় এলেই মৌরিবিলে প্রচুর মাছ পড়ে। বোয়াল, পাঙ্গাস থেকে শুরু করে ট্যাংরা, পুঁটি, পারশে, বেলে সবই পাওয়া যেত। আবুর বড়ো ভাই সাজেদের মাছ ধরার নেশা খুব। অনেকবার সে বড়ো বড়ো মাছ ধরেছে। এবারও দুই বন্ধু বিপুল আর বায়েজিদকে নিয়ে সে মাছ ধরার প্ল্যান করেছিল। তারপর সব গোছগাছ করে বাড়ির নৌকাটা নিয়ে মৌরিবিলের পথে রওনা হলো। সঙ্গে নিল কয়েক রকম জাল, হারিকেন, মাছ আনার বড়ো বড়ো 'খালুই'। আর নিল রাতের খাবার। নৌকা বাইবে কিষান তিনু। দরকার হলে এরাও হাত লাগাবে। অতিরিক্ত দুটো বৈঠাও সঙ্গে করে নিল তারা।
ওদিকে আবু ছটফট করছে কী করে সে ওদের সঙ্গে যাবে। বিপুল ও বায়েজিদকে নিয়ে সাজেদ যখন নৌকায় মৌরিবিলে যাবার পাকাপাকি প্ল্যান করছিল, তখন আবু শুনে মনে মনে ঠিক করে ফেলল যে সে ওদের সঙ্গে যাবে। তাতে যা হয় হবে। আবুর এই গোপন প্ল্যান সাজেদরা কিছুই জানতে পারেনি। আকাশে মেঘ। তাই তারা সন্ধ্যার আগেই বেরিয়ে পড়ল। মাছ ধরা হবে রাতে। হারিকেনের আলো দেখলে মাছেরা কেমন যেন রাতকানা হয়ে যায়। তখন মাছশিকারিরা জাল দিয়ে ধরে ফেলে সেই পথভোলা মাছগুলোকে।
কিছুদূর যাবার পর ঝরঝর করে বৃষ্টি নামল। ওরা তিনজন ছাতা মাথায় দিল। মাথাল মাথায় তিনু নৌকার হাল ধরে বসে রইল। সন্ধ্যা হলো। বৃষ্টি থামল। হারিকেন জ্বালাল ওরা। একটু পরেই হারিকেন নিবুনিবু হয়ে এল। সাজেদ হারিকেনটা নাড়িয়ে দেখে তেল নেই একটুও তাতে। নৌকার খোলের মধ্যে কেরোসিন তেলের বোতল। পাটাতনের তক্তা তুলে দেখে সেখানে ছোটো মতো কে যেন শুয়ে আছে। সাজেদ চেঁচিয়ে উঠল-
: এই বিপুল। এই বায়েজিদ। দ্যাখ এখানে কে যেন শুয়ে আছে।
: কে আবার নৌকার খোলের মধ্যে শুতে যাবে। বোধহয় ধানের বস্তা। কিষানেরা নামাতে ভুলে গেছে।
'না, বস্তা না। এই কে তুই? কে? কে?'- বলে সাজেদ শোয়া ব্যক্তিকে ঠেলা দিল।
আবু তখন হুড়মুড় করে উঠে বসে চোখ ডলতে ডলতে বলল, 'আমি আবু।' বলেই সে কেঁদে দিল। সাজেদ বিস্মিত হয়ে বলল, 'আবু তুই এখানে কী করে এলি? আজ তোকে পিটিয়ে ঠান্ডা করব। কাউকে না-বলে চলে এসেছিস। বাড়িতে সবাই তো কান্নাকাটি শুরু করেছে। তাহলে তো মাছ ধরা যাবে না। বাড়ি ফিরে যেতে হবে।' আবু তখন কাঁদতে কাঁদতে বলল, 'দাদা মেরো না আমাকে। আমি লুকিয়ে লুকিয়ে তোমাদের সাথে এসেছি মাছ ধরার জন্য। তবে কালুকে বলে এসেছি কেউ খুঁজলে বলে দিতে।'
: ভালো কথা। বুদ্ধির কাজ করেছিস। তা পুঁচকে ছেলে তুই কী মাছ ধরবি?
: বড়ো মাছ ধরব দাদা।
: বেশ থাক। বড়ো মাছ তোকেই ধরে না নিয়ে যায় দেখিস। দাদার আশ্বাস পেয়ে আবু মনের সুখে গান ধরল। সাজেদ শুনে বলল, 'তুই বরং পাটাতনের নিচে তোর জায়গায় গিয়ে ঘুমিয়ে থাক। মাছ এসে তোকে ডেকে তুলবে।'
: না আমি ঘুমাব না। বড়ো মাছ ধরব। তোমরা মাছ ধরবে আর আমি ঘুমিয়ে থাকব, তা হবে না! তা হবে না!
: তা তুই মাছ কী দিয়ে ধরবি?
: আমি বড়শি আর টোপ নিয়ে এসেছি।
আবু তখন তার পুঁটলি থেকে বড়শি আর টোপ বের করে দেখাল। তা দেখে সাজেদ ও তার বন্ধুরা হেসেই গড়াগড়ি। এমন অদ্ভুত বড়শি আর টোপ তারা কখনও দেখেনি। সাজেদ বলল-
: ও, এই তোর বড়শি, কেরোসিনের টিনের আংটা দিয়ে বানানো! এ দিয়ে মাছ কেন কুমিরও ধরতে পারবি। জলহস্তী তো আমাদের দেশে নেই। থাকলে তা-ও তোর এই বড়শি দিয়ে ধরতে পারতিস। তা দেখি তোর টোপ।
ও, তেলাপোকা। মাছ কি তেলাপোকা খায়?
: খায় খায়, আমি জানি।
: ঠিক আছে তুই নৌকায় বসে কুমির, জলহস্তী যা খুশি ধর। আমরা পানিতে নেমে জাল ফেলব। দেখিস ঘুমিয়ে পড়িস না যেন। আর তিনু ভাই তুমি ওকে দেখ। আমরা চললাম। দেরি হয়ে গেল অনেক। আর দেরি করলে মাছ পাওয়া যাবে না। তোর জন্য খালি খালি সময় নষ্ট হলো। বলেকয়ে এলে কী হতো?
আবু কোনো জবাব না-দিয়ে চুপ করে রইল। একা নৌকায় থাকতে পেরে আবুর খুব আনন্দ হলো। সে তাড়াতাড়ি মাছ ধরার সরঞ্জাম বের করল। তার দুটো বড়শিতে তেলাপোকার টোপ গেঁথে পানিতে ছুড়ে দিল। তারপর বড়শির দড়ি নৌকার গলুইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে বেঁধে বসে রইল। অন্ধকার চারদিক। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে।
আবুর মনে খালি একটাই ভয়। বড়শিতে মাছ ধরা পড়বে কি না। এত কষ্ট করে লুকিয়ে এসে যদি মাছ না-পায় তাহলে তো সবাই খেপাবে। বড়শির দড়ির সঙ্গে কয়েকটা জোনাকি পলিথিনের থলের মধ্যে ভরে ফাতনার মতো বেঁধে দিয়েছিল। সেই জোনাকি ফাতনার দিকে সে চেয়ে বসে ছিল। সুবোধ কাকার কাছে সে শুনেছিল যে বোয়াল মাছ তেলাপোকা ভালোবাসে। তাই সে তেলাপোকার টোপ দিয়ে পাঁচটা চিতল মাছ ধরেছিল। সে অবশ্য অনেকদিন আগের কথা। আবু ভাবতে লাগল মাছের কথা। এমন সময় সে দেখল, ফাতনাটা শাঁ করে পানির মধ্যে ডুবে গেল। সে তাড়াতাড়ি গলুইয়ের সঙ্গে বাঁধা বড়শির দড়ি ছাড়তে লাগল। ছাড়তে ছাড়তে দড়ি প্রায় শেষ হয়ে গেল। তারপর সে দড়ি টেনে টেনে আবার গলুইয়ের সঙ্গে জড়াতে লাগল। প্রথমে দড়িতে ভার লাগল না। তার মনটাই দমে গেল। কিন্তু একটু পরেই দড়িতে ভার বোধ হতে লাগল আর খুব টানাটানি শুরু হয়ে গেল। এমন সময় বৃষ্টি নামল।
তিনু হাল ধরে বসে ছিল। আবু তিনুকে প্রাণপণে ডাকতে লাগল, তিনু ভাই তিনু ভাই। বড়ো মাছ, শিগগির আস।
তিনু বলল-
: ধুর পাগল। এই বিলে বড়ো মাছ কোথা থেকে আসবে। খাল, বিল তো এখন মরেই গেছে। আগের দিন হলে কথা ছিল।
: না বড়ো মাছ ধরেছি। তুমি এসো তিনু ভাই। আমার হাত কেটে যাচ্ছে।
তিনু তখন এগিয়ে এসে বড়শির দড়ি ধরল। তারা দুজনে ধরে দড়ি জড়াতে লাগল হালের খুঁটির সঙ্গে। জড়াতে জড়াতে ওরা দুজন একদম ক্লান্ত হয়ে গেল। বৃষ্টি তখনও ঝরছে। ওরা ভিজে একাকার। কিন্তু সেদিকে খেয়াল না-করে ওরা বড়শির দড়ি টেনে যেতে লাগল। টানতে টানতে শেষে একটা হ্যাঁচকা টান দিতে বড়ো কী যেন একটা নৌকার খোলের মধ্যে দড়াম করে এসে পড়ল। আর এলোপাথাড়ি লাফালাফি করতে লাগল।
তাতে নৌকা প্রায় ডুবে যাবার মতো হলো। জোরে বিদ্যুৎ চমকাল। ওরা সেই আলোতেই দেখল, বড়ো আকারের একটা বোয়াল মাছ, প্রায় আবুর সমান। বোয়াল লাফাতে লাগল। তিনু তখন খোলের তলা থেকে একটা বস্তা এনে বোয়ালের গায়ে চাপা দিল। খানিকক্ষণ ধস্তাধস্তি করে বোয়াল শান্ত হলো। আবুর খুশির নাচ তখন কে দেখে!
এমন সময় সাজেদরা ফিরে এল। আজ তাদের জালে পুঁটি ছাড়া কিছুই ধরা পড়েনি। তাই রাগ করে তারা তাড়াতাড়ি চলে এসেছে। এসেই দেখে, আবুর বিশাল বোয়াল। দেখে তাদের বিশ্বাস হতে চায় না। সাজেদ বলল, 'এই আবু, অত বড়ো বোয়াল কোথা থেকে এল?' আবু বলল, 'পানি থেকে। আর আমি ধরেছি!'
Related Question
View Allনৌকার হাল ধরে তিনু বসে ছিল।
আলোচ্য উক্তিটি সাজেদ আবুর উদ্দেশে কৌতুকের ছলে করেছিল।
আবু লুকিয়ে তার বড় ভাইদের সঙ্গে মাছ ধরতে যায়। কিন্তু বড় ভাই সাজেদ তাকে দেখে ফেলে এবং অনেক বকা-ঝকা করে। এক পর্যায়ে আবুর বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে চাওয়ার কথা শুনে সাজেদ ও তার বন্ধুরা খুব হাসাহাসি করে। আবুর বড়শি ও মাছ ধরার টোপ, দেখে তারা আবুকে নিয়ে উপহাস করে। সেই সঙ্গে আবুর পক্ষে আসলেই যে কোনো মাছ ধরা সম্ভব নয়, এ বিষয়টি বোঝাতেই সাজেদ প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।
ছোট কোনো কিছুকে অবহেলা না করার দিকটির সঙ্গে উদ্দীপকের এবং 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পের সাদৃশ্য রয়েছে।
ছোট বলে কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা মোটেই উচিত নয়। কারণ ছোট হলেও কর্মকৌশলের দিক থেকে সে অনন্য হতে পারে। তাই ছোট বলে কাউকে অবহেলা করা উচিত নয়।
উদ্দীপকে ঘাসের ছোট ছোট ফুলদের অবহেলা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কারণ ছোট হলেও তারা প্রকৃতিরই অংশ। আর তাদের সৌন্দর্যও প্রকৃতিকে সুশোভিত করে। তাই তারা কোনোভাবেই অবহেলার পাত্র নয়। 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পে আবু ছোট বলে তার ভাইয়েরা তাকে প্রথমে অবহেলা করেছে ও উপহাস করেছে। কিন্তু আবু তার ভাইদের চেয়েও বড় মাছ ধরে নিজের দক্ষতা ও কৌশল প্রমাণ করেছে। সে আরও প্রমাণ করেছে, সে অবহেলা বা তাচ্ছিল্যের পাত্র নয়। তাই বলা যায়, এদিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকের ঘাসফুলদের মিনতি যেন 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পের আবুর কর্মকান্ডেরই প্রতিচ্ছবি- মন্তব্যটি যথার্থ।
কর্মকৌশলই একজন মানুষের কাজের দক্ষতার পরিচয় বহন করে। তাই যেকোনো মানুষকে বিচার করার আগে তার কর্মদক্ষতা যাচাই করে তবেই মন্তব্য করা উচিত। না হলে সঠিক যাচাই বা মূল্যায়ন সম্ভব নয়।
উদ্দীপকে ঘাসফুলেরা তাদেরকে অবহেলা না করার জন্য এবং পায়ে দলে না দেওয়ার জন্য মিনতি করেছে। কারণ তারাও প্রকৃতির অংশ। তাদের সৌন্দর্যও প্রকৃতিকে সুন্দর করে তোলে। তারা ছোট বলে কখনই অবহেলার পাত্র নয়। 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পে বড় ভাই সাজেদ আবুকে তাচ্ছিল্য ও উপহাস করলেও সে তার যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। সাজেদ ও তার বন্ধুরা আবুর মাছ ধরার যে কৌশল নিয়ে তাকে তিরস্কার করা হয়েছে, তার মাধ্যমেই সে বড় বোয়াল মাছ ধরেছে। যেখান তার বড় ভাই ও তার বন্ধুরা পুঁটি মাছ ছাড়া অন্য কিছুই পায়নি।
উদ্দীপকের ঘাসফুলেরা নিজেদেরকে ছোট বলে অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়েছে। 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পে আবু ছোট হলেও তার কর্মের মধ্য দিয়ে সে তার দক্ষতা প্রমাণ করেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
বড়শির দড়ি ধরার জন্য আবু তিনুকে প্রাণপণে ডাকতে লাগল।
আবু একবার লুকিয়ে তার বড় ভাইদের সঙ্গে মাছ ধরতে, গিয়েছিল। বড়শি নিয়ে গিয়ে মাছ ধরার জন্য অপেক্ষা করতে করতে একসময় তার বড়শিতে টান লাগে। প্রথম দিকে দড়ি অতটা ভারী না লাগলেও পরের দিকে গিয়ে দড়ি একা ধরে রাখা এবং টেনে তোলা আবুর পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠল না। দড়িতে যখন বেশি ভার লাগল ঠিক তখনই বৃষ্টি নামল। তখন আবু একা আর বড়শির দড়ি ধরে রাখতে পারছিল না। আর সে সময়ই সে তিনুকে প্রাণপণে ডাকতে লাগল।
উদ্দীপকটি 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পের মূলভাবকে ধারণ করেছে- মন্তব্যটি যথার্থ।
. মানুষ ছোট হোক বা, বড় হোক, কর্মদক্ষতাই তার আসল পরিচয় বহন করে। তাই মানুষের বয়স নয়, বরং তার কাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
উদ্দীপকে খরগোশের সঙ্গে কচ্ছপের প্রতিযোগিতায় কচ্ছপ জয়ী হয়। যদিও খরগোশ কচ্ছপের চেয়ে দুরন্ত ও দ্রুতগতির, তাই তারই জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু খরগোশের অলসতা তাকে পরাজিত করেছে। অন্যদিকে কচ্ছপের অধ্যবসায় তাকে জয়ী করেছে। 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পে আবু সাজেদদের চেয়ে ছোট হলেও সে তার চেষ্টা থেকে সরে যায়নি। তাকে নিয়ে বড় ভাইরা হাসি-তামাশা করলেও সে তার মতো করে কাজ করে গেছে। শুধু তাই নয়, সে সফলও হয়েছে।
উদ্দীপকে কচ্ছপ ছোট হলেও তার অধ্যবসায় ও জয়ের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। 'আষাঢ়ের এক রাত' গল্পে আবু তার ভাইদের তুলনায় ছোট হলেও দৃঢ়তা ও একনিষ্ঠতার কারণে তার সার্থক হওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!