আব্দুল কাদের তার জমিদারির নায়েবকে খুব বিশ্বাস করতো। নায়েব মহাশয় জমিদারি নিয়ন্ত্রণ করতো। কিন্তু সে অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারের সাথে আঁতাত করে জমিদার সাহেবের জমিদারির গোপনীয় বিষয়গুলো পাচার করে দিত। এতে করে আব্দুল কাদের সাহেবের জমিদারি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আব্দুল কাদের সাহেব বুঝতে পেরে তার নায়েব মহাশয়সহ জড়িত সবাইকে বরখাস্ত করেন। তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারির সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেন এবং নতুন লোক নিয়োগ দেন। জমিদারি আবার পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ভাগীরথী নদীর তীরের তিনটি গ্রাম অর্থাৎ কোলকাতা, সুতানটি ও গোবিন্দপুরকে কেন্দ্র করে কোলকাতা নগরীর জন্ম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক কারণেই মূলত ইউরোপীয়রা ভারত উপমহাদেশে আগমন করেছিল।
প্রাচীনকাল থেকেই ভারত উপমহাদেশ ছিল ধনসম্পদে পূর্ণ। স্বয়ংসম্পূর্ণ এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপনের জন্য যা প্রয়োজন সবই তখন পাওয়া যেতো। কৃষকের ক্ষেতভরা ফসল, গোলাভরা ধান, পুকুর ভরা মাছ থাকতো, কুটির শিল্পেও গ্রাম ছিল সমৃদ্ধ। তাঁতিদের হাতে বোনা কাপড় ইউরোপের কাপড়ের চেয়েও উন্নত ছিল। এর মধ্যে জগদ্বিখ্যাত ছিল মসলিন কাপড়। তাছাড়া এ উপমহাদেশে নানা ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য ও মসলা পাওয়া যেতো। এসব পণ্যের আকর্ষণেই ইউরোপীয় বণিকরা এ উপমহাদেশে বাণিজ্য করতে এসেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নায়েব মহাশয়ের মধ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীর জাফরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাওয়া যায়।
ইরানি বংশদ্ভূত মীর জাফর আলী খান ছিলেন নবাব আলীবর্দি খানের সেনাপতি। আলীবর্দি খানের দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা বাংলা, বিহার উড়িষ্যার নবাব হলে প্রধান সেনাপতি হয়ে মীর জাফর নবাবকে মেনে নিতে পারেননি। তার আশা ছিল আলীবর্দি খানের পরে তিনি নবাব হবেন। সিরাজউদ্দৌলার কাছে তার স্বপ্নভঙ্গ হলে তিনি তাকে সিংহাসনচ্যুত করতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লর্ড ক্লাইভের সাথে এক গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। আর সেই ষড়যন্ত্রে ইয়ার লতিফ, জগত শেঠ, রায় দুর্লভ, উমি চাঁদ প্রমুখকে যুক্ত করতে সক্ষম হন। এই ষড়যন্ত্রের কারণেই সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন।
উদ্দীপকে জমিদার আব্দুল কাদেরের নায়েব মহাশয় অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারের সাথে আঁতাত করে জমিদার সাহেবের জমিদারির গোপনীয় বিষয়গুলো পাচার করে দিত, যা উপরে বর্ণিত নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মীর জাফরের ষড়যন্ত্রের অনুরূপ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে নায়েব মহাশয়ের মধ্যে মীর জাফরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

"নায়েবের কাজগুলোর বিরুদ্ধে আব্দুল কাদেরের মতো, পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণেই বাংলার ভাগ্যে দুর্যোগ নেমে আসে"- বক্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকের নায়েব অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী জমিদারের সাথে আঁতাত করে তার নিজ জমিদারের গোপন বিষয়গুলো পাচার করে দিত। যার ফলে আব্দুল কাদের সাহেবের জমিদারি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিচক্ষণ আব্দুল কাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে নায়েব মহাশয়সহ জড়িত সবাইকে বরখাস্ত করেন এবং নতুন লোক নিয়োগ করেন। এর ফলে তার জমিদারি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
অন্যদিকে তরুণ নবাব সিরাউদ্দৌলার অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও দৃঢ়তার অভাব ছিল। সেনাপতি মীর জাফরের ষড়যন্ত্রের কথা জানা সত্ত্বেও, তিনি বারবার তার ওপরই নির্ভর করেছেন, যা উদ্দীপকের জমিদারের সম্পূর্ণ বিপরীত। ইংরেজদের সম্পর্কে সতর্কতা, ফরাসি এবং ইংরেজদের ষড়যন্ত্র এসব বিষয়ে আলীবর্দি খানের উপদেশ সিরাজউদ্দৌলার কাছে গুরুত্ব পায়নি। ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার ফলেই নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন। যার ফলে বাংলার ভাগ্যে নেমে আসে দুর্যোগ।
পরিশেষে তাই বলা যায়, নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার অভাবেই বাংলার ভাগ্যে দুর্যোগ নেমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
99

প্রাচীনকাল থেকে ভারত উপমহাদেশ - বিশেষ করে বাংলা অঞ্চল ছিল ধনসম্পদে পূর্ণ রূপকথার মতো একটি দেশ । এ অঞ্চলের স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামে মানুষের জীবনযাপনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন সবই তখন পাওয়া যেত । এই স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামের কৃষকের ক্ষেতভরা ফসল, গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ থাকত। কুটির শিল্পেও গ্রাম ছিল সমৃদ্ধ । তাঁতিদের হাতে বোনা কাপড় ইউরোপের কাপড়ের চেয়েও উন্নতমানের ছিল । এর মধ্যে জগৎ বিখ্যাত ছিল মসলিন কাপড়। তাছাড়া উপমহাদেশের অন্যান্য অঞ্চলও নানা ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য ও মসলার জন্য বিখ্যাত ছিল। এসব পণ্যের আকর্ষণেই অনেকেই এদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে এসেছে । ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও উপমহাদেশে এসেছিল ব্যবসায়-বাণিজ্য করতে। পরবর্তী সময়ে তারা এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে সক্ষম হয়। এদেশে আগত অন্যান্য ইউরোপীয় কোম্পানিকে পরাজিত করে এবং স্থানীয় শাসকদের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে কীভাবে ইংরেজ ব্যবসায়ী কোম্পানি এ অঞ্চলে ইংরেজ শাসনের সূচনা করে, বর্তমান অধ্যায়ে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • বাংলায় ইংরেজ শাসনের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • পলাশি ও বক্সারের যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল মূল্যায়ন করতে পারব; 
  • ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় দিওয়ানি লাভের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পটভূমি ও ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ইংরেজ শাসনের ফলে বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনসমূহ অনুধাবনে সক্ষম হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীনকালে বাংলা সম্পদে সমৃদ্ধ ও স্বয়সম্পূর্ণ ছিল বলে অনেকেই বাণিজ্য করতে এসছিল।
প্রাচীন বাংলার গ্রামের স্বয়ংসম্পূর্ণ কৃষকদের ক্ষেত ভরা ফসল, গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ থাকত। এদেশের তাঁতিদের হাতে বোনা কাপড় ইউরোপের কাপড়ের চেয়েও উন্নতমানের ছিল। এ অঞ্চলের নানা ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য ও মসলার বেশ খ্যাতি ছিল। এসব পণ্যের আকর্ষণেই এদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে এসেছে অনেকেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ক্ষমতা ভাগাভাগির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের দ্বৈত শাসনের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুণ্ঠনের একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে। দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবনীয় ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের। এর মাধ্যমে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পরিণত হয় ক্ষমতাহীন শাসকে। অথচ নবাবের দায়িত্ব থেকে যায় ষোলআনা। ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মামুন ও কামালের মাঝে পারিবারিক গার্মেন্টস ও সংসারের দায়িত্ব বণ্টন হয়। এতে মামুন কামালকে উপযুক্ত অর্থ প্রদান না করায় সংসারে জটিলতা দেখা দেয়। এই বিষয়টির সাথে দ্বৈত শাসনের মিল রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
578
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, উক্ত ঘটনা বাংলার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল।
দ্বৈত শাসনের ফলে বাংলার সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার দ্বারা প্রশাসনে চরম দুর্নীতি শুরু হয়েছিল। নামে বেনামে অর্থ ইংল্যান্ডে পাচার হয়েছিল। ফলে বাংলার রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। এর ফলে জনগণের ওপর অতিরিক্ত করারোপ করা হয়। এছাড়াও অনাবৃষ্টির কারণে ঐ সময় (১৭৭০ সাল) দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ যা ইতিহাসে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামে পরিচিত। এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এই দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা এমন ছিল যে, মানুষ মৃত মানুষের মাংস খেতে বাধ্য হয়েছিল। আর এই দুর্ভিক্ষেও রাজস্ব না কমিয়ে তা অব্যাহত রাখা হয়। ফলে চরম শোষণ-নির্যাতনে বাংলার মানুষ হতদরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে। তাছাড়াও কোম্পানির কর্মচারীদের দুর্নীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় বণিকশ্রেণি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তাই বলা যায় যে, দ্বৈত শাসনের ফলে বাংলার অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
606
উত্তরঃ

ইংরেজ বন্দি হলওয়েল বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে নবাবকে হেয় করার জন্য এক মিথ্যা কাহিনীর প্রচারণা চালায় যা ইতিহাসে অন্ধকূপ হত্যা নামে পরিচিত।
এতে বলা হয় যে, ১৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৪.১০ ফুট প্রশস্ত ছোট একটি ঘরে ১৪৬ জন ইংরেজকে বন্দি করে রাখা হয়। এতে প্রচণ্ড গরমে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ১২৩ জনের মৃত্যু হয়। এই মিথ্যা প্রচার মাদ্রাজ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। আর এই মিথ্যা প্রচারই হলো 'অন্ধকূপ হত্যা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
541
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews