প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন পর্যায়ে এর রূপগত উপযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের ব্যবহার উপযোগী পণ্য ও সেবা উৎপাদনের সামগ্রিক কর্মপ্রচেষ্টাকে শিল্প বলে।
বাণিজ্য পরিবহনের মাধ্যমে পণ্যে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
শুধু পণ্য উৎপাদন করলেই ব্যবসায়ের কাজ শেষ হয়ে যায় না। উৎপাদিত পণ্য ক্রেতা বা ভোক্তার নিকট পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হয়। ক্রেতা বা ভোক্তা উৎপাদনকারী থেকে ক্রেতা বা ভোক্তার নিকট পৌঁছায় না। এজন্য প্রয়োজন হয় পরিবহনের। পরিবহনের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য ক্রেতা বা ভোক্তার নিকট পৌঁছায়। তাই বলা যায়, বাণিজ্য পরিবহনের মাধ্যমে পণ্যে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
আব্দুল মতিনের মান অনুযায়ী লিচু বিভক্তকরণ বাণিজ্যের পর্যায়িতকরণ শাখার অন্তর্ভুক্ত।
পূর্ব নির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্যকে বিভাজন করার কাজকে পর্যায়িতকরণ বলা হয়।
উদ্দীপকে আব্দুল মতিন রাজশাহী থেকে লিচু এনে মান অনুযায়ী বিভক্ত করে ঢাকার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। মান অনুযায়ী বিভক্ত করা হয় পর্যায়িতকরণে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আব্দুল মতিন মান অনুযায়ী লিচুর লিচুর যে বিভক্ত করেছেন তা বাণিজ্যের পর্যায়িতকরণের অন্তর্ভুক্ত।
লোকসান কমাতে আব্দুল মতিন গুদামজাতকরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
যে পদ্ধতিতে এক সময়ে উৎপাদিত পণ্য অন্য সময়ে সরবরাহের মাধ্যমে ভোক্তার চাহিদা পূরণ করা যায়, তাকে গুদামজাতকরণ বলা হয়। পণ্যসামগ্রী উৎপাদনের পর হতে ভোগের সময় পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে তা সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়ে। পণ্য উৎপাদন হয় একসময়ে কিন্তু ভোগ হয় তার পরবর্তীতে অন্যসময়ে। ফলে অনেক পণ্য নষ্ট বা পচে যায়। গুদামজাতকরণের মাধ্যমে পণ্য নষ্ট বা পচে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
উদ্দীপকে আব্দুল মতিন রাজশাহী থেকে লিচু এনে পর্যায়িতকরণের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। হঠাৎ ঢাকার বাজারে প্রচুর লিচু আমদানি হওয়ায় দাম কমে যায়। ফলে লিচু পচে যাওয়ার হাত থেকে বাচার জন্য তাকে কম দামে দ্রুত লিচু বিক্রি করে দিতে হয়। ফলে তিনি অনেক লোকসানের সম্মুখীন হন। ভবিষ্যতে এ অবস্থা মোকাবিলায় তিনি বিকল্প পদ্ধতিতে লিচু পচনের হাত থেকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবছেন। অথচ তার পণ্যের যদি গুদামজাতকরণের ব্যবস্থা থাকত তাহলে তিনি লোকসানের সম্মুখীন হতেন না।
তাই বলা যায়, গুদামজাতকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে আব্দুল মতিন সাহেব লোকসান কমাতে পারবেন বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allমুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন ও বন্টন সহ সকল, ঝুঁকিবহুল, ধারাবাহিক এবং বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যবসা বলে।
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পেশাজীবী গ্রাহকদের প্রয়োজন পূরণের সামর্থ্য কোন কাজ বা সুবিধা প্রদানকে প্রত্যক্ষ সেবা বলে।
সামাজিক ব্যবসায় হল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত একশ্রেণীর অর্থনৈতিক প্রকল্প যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিবর্তে মানবকল্যাণ। যে কোন সাধারণ ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠানের মতোই এই সকল প্রকল্প পরিচালিত হয় ; কেবল লক্ষ্য থাকে মানুষের কল্যাণ—বিশেষ করে দারিদ্র ও আয়বৈষম্য দূর করা। মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যাংকিং, টেলিকম, সৌরশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, টেক্সটাইল, তাঁত, বিপণন প্রভৃতি খাতে অনেকগুলো কোম্পানী স্থাপন করেছেন যেগুলোর মৌলিক উদ্দেশ্য মুনাফা ম্যাক্সিমাইজ করা নয় ; অন্যদিকে এগুলোর কোনটিই ব্যক্তিগত মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। এই উদ্যোগগুলো কার্যত সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য স্থাপিত ব্যবসায়িক প্রকল্প। এ ধরনের ব্যবসায়িক পুজিঁলগ্নির কথা ঐতিহ্যগত অর্থশাস্ত্রে নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে "সামাজিক ব্যবসায়" ধারনাটি প্রবর্তন করেন।সামাজিক ব্যবসায়ের সঙ্গে সনাতন ব্যবসায়ের পার্থক্য কেবল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে: সনাতন ব্যবসায় মুনাফামুখী এবং সামাজিক ব্যবসায় কোম্পানি মুনাফা করবে নিশ্চয়ই, কিন্তু মালিক মুনাফা নেবে না, মালিক কেবল মূলধন ফেরত নিতে পারবে।
যে ব্যবসায় গঠন করতে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী মূলধন সরবরাহ করেন কিন্তু তার প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধন করা তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!