আব্দুল মোমিন তালুকদার একটি বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন। তার ছিল চার পুত্র। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী কে হবেন এ নিয়ে তার পুত্রদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ফলে এক পর্যায়ে তা গৃহযুদ্ধে রূপ নেয় এবং
আব্দুল মোমিন গৃহবন্দী হন।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

বাবর শব্দের অর্থ সিংহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

স্থাপত্য শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য সম্রাট শাহজাহানকে The prince of builders or Engineer King বলা হয়।
সম্রাট শাহাজাহান ছিলেন সৌন্দর্যপিপাসু এবং শৈল্পিক মনের মানুষ। তিনি স্থাপত্য শিল্পের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেন। তার আমলে তাজমহল, মতি মহল, শিশ মহল, দিউয়ান ই-আম, দিউয়ান-ই-খাস, মোতি মসজিদ, মুসাম্মার বুরুজ প্রভৃতি স্থাপত্য শৈলী নির্মাণ করা হয়েছিল। এসব স্থাপত্য ছিল কারুকার্যখচিত মূল্যবান শ্বেত পাথর দ্বারা নির্মিত। তাই তাকে The Prince of builders or Engineer king বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত আব্দুল মোমিনের চরিত্রের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সাদৃশ্য রয়েছে।

সম্রাট শাহজাহান মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শাসক। তার প্রকৃত নাম খুররম। তার শাসনামলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা উত্তরাধিকার সংগ্রাম। ১৬৫৭ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চার পুত্র দারাশিকো, সুজা, আওরঙ্গজেব ও মুরাদ সিংহাসন লাভের জন্য আত্মঘাতী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। উদ্দীপকেও অনুরূপ ঘটনা লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকে বর্ণিত আব্দুল মোমিন তালুকদার একটি বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সিংহাসনের পরবর্তী উত্তরাধিকারী কে হবেন এ নিয়ে তার পুত্রদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক পর্যায়ে তিনি গৃহবন্দী হন। যা সম্রাট শাহজাহানের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়। শাহজাহানের চার পুত্রের মধ্যে সম্রাট আওরঙ্গজেব ছিলেন উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। কিন্তু তিনি দারার প্রতি অন্ধস্নেহে আওরঙ্গজেবকে দাক্ষিণাত্যের সুবাদার পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেন এবং গোলকুন্ডা ও বিজয়পুর অভিযানে নিষিদ্ধ করেন। যা ভাতৃদ্বন্দ্বকে প্রকট করে তোলে। ফলশ্রুতিতে আওরঙ্গজেব, দারা ও মুরাদের মধ্যে ত্রি-শক্তিজোট গঠিত হয়। এক পর্যায়ে সম্রাট শাহজাহান গৃহবন্দী হন। উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে আব্দুল মোমিনের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ সম্রাট শাহজাহানের পুত্রদের মধ্যকার উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে আওরঙ্গজেব সফলতা লাভ করেছিলেন।

সম্রাট শাহজাহানের চার পুত্রের মধ্যে আওরঙ্গজেব সব দিক থেকে উপযুক্ত ছিলেন। ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, 'প্রতিদ্বন্দ্বিদের এমন কেউই ছিলেন না যিনি কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সেনাপতিত্বে আওরঙ্গজেবের সমকক্ষ ছিলেন।' এছাড়া দারার সেনাবাহিনী অপেক্ষা আওরঙ্গজেবের সেনাবাহিনী ছিল রণনিপুণ এবং সুশৃঙ্খল। তার সেনাপতিরাও দারার সেনাধ্যক্ষের তুলনায় শ্রেষ্ঠ ছিল। মীর জুমলা, শায়েস্তা খান নিঃসন্দেহে দারার সেনাপতি খলিলুল্লাহ খান, যশোবন্ত সিংহ ও রুস্তম খানের তুলনায় আওরঙ্গজেবের অস্ত্রশস্ত্র তার ভ্রাতাদের চেয়ে উন্নত ছিল। এমনকি সম্রাট আওরঙ্গজেবের গোলাবারুদ, কামান, গোলন্দাজ বাহিনী তার ভ্রাতাদের তুলনায় উন্নত ছিল। তাছাড়া দারা শিয়া মতালম্বী ও হিন্দুদের প্রতি অনুরাগী হওয়ায় আওরঙ্গজেব সুন্নি জনগণের সমর্থন লাভ করেন। তারা আওরঙ্গজেবকে ইসলামের রক্ষক হিসেবে, মনে করে তাকে সমর্থন জানান। অধিকন্তু শাহজাহানের পক্ষপাতিত্ব নীতি ও দারার প্রতি মাত্রাধিক দুর্বলতা উত্তরাধিকারী দ্বন্দ্বের সময় অসুস্থতার জন্য নির্লিপ্ত থাকা প্রভৃতি আওরঙ্গজেবের বিজয়কে সহায়তা করেছিল।

পরিশেষে বলা যায় যে, আওরঙ্গজেব তার সাংগঠনিক দক্ষতাসহ ওপরে আলোচিত কারণে ভ্রাতাদের সঙ্গে উত্তরাধিকার সংগ্রামে সফলতা লাভকরেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
14
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মোজা' শব্দ থেকে মোঙ্গল এবং মোঙ্গল থেকে মুঘল নামের উৎপত্তি ঘটেছে। তারা আদি বাসভূমি মঙ্গোলিয়া ছেড়ে মধ্য এশিয়ার পশ্চিম অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে মুঘল নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৫২৬ খ্রি. মুঘলরা ভারতের সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতবর্ষের শাসক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত এরপর থেকেই মুঘলরা একটি বৃহৎ জাতিগঠনে অবদান রাখতে শুরু করে।

338
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে ভারতবর্ষের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর ফারগানার সিংহাসনে উপবিষ্ট হন। সিংহাসন লাভের পর পরই তার দুই পিতৃব্য ও আত্মীয়স্বজন এবং উজবেক নেতা সাইবানি খানের রিরোধিতার মুখে পড়েন। ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে বাবর সমরখন্দ দখল করেন। কিন্তু ভাগ্যবিপর্যয়ে পতিত হয়ে তিনি সমরখন্দ হারান। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে ফারগানাও হস্তচ্যুত হয়। অর্থাৎ দাবার ছকের রাজার মতো বাবর স্থান থেকে স্থানান্তর ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। কিন্তু ১৫০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ফারগানা পুনরুদ্ধার করেন।
১৫০২ খ্রিস্টাব্দে সমরখন্দ অধিকার করেন। পরবর্তীকালে ১৫০৩ খ্রিষ্টাব্দে আরচিয়ানের যুদ্ধে সাইবানি খানের কাছে পরাজিত হয়ে ফারগানা ও সমরখন্দ থেকে বিতাড়িত হন। এ সময় কাবুলের অভ্যন্তরীণ অরাজকতার সুযোগে ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল অধিকার করে বাদশাহ উপাধি নিয়ে রাজত্ব করতে থাকেন। ১৫১১ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের শাহ ইসমাইল সাফাভীর সহযোগিতায় সমরখন্দ দখল করলেও ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে তা আবারও হাতছাড়া হয়ে যায়। এরপর ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কাবুলেই রাজত্ব করেন। কিন্তু অসাধারণ সাহসী বাবর এতেই সন্তুষ্ট থাকেননি। ১৫২৬ খ্রি. তিনি পানিপথের প্রথম যুদ্ধে সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে দিল্লির সুলতানি সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাগ্য বিড়ম্বিত যুবুক ইরফান ও ভারতবর্ষে মুঘল শাসনের প্রতিষ্ঠাতা বাবরই অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

637
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সম্রাট বাবরের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সম্রাট বাবর কেবল নির্ভীক সৈনিক, দক্ষ সেনাধ্যক্ষ, সুদক্ষ অস্ত্র পরিচালক, প্রশংসনীয় ঘোড়সওয়ারই ছিলেন না; বরং আলেকজান্ডারের মতো দেশ জয়ের নেশায় বিভোর থাকতেন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, খানুয়ার যুদ্ধ এবং গোগরার যুদ্ধে তার সাফল্য তাকে ভারতীয় সমর ইতিহাসে উচ্চাসনে- অধিষ্ঠিত করেছে। বাবর মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হন। বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে তিনি প্রথমে কাবুলে এবং পরে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। শুধু প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হননি, তার ভিত্তি সুদৃঢ় করে একে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
বাবরের চার বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিগ্রহ কেটে যায়। এ অবস্থায় নবপ্রতিষ্ঠিত মুঘল সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থায় কোনো প্রকার পরিবর্তন ও সংস্কার সাধন করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তথাপি তিনি নিজেকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা হ্রাস করেন। প্রাদেশিক শাসনকার্য পরিচালনার জন্য প্রত্যেক প্রদেশে একজন ওয়ালি (প্রাদেশিক কর্মকর্তা), একজন দিওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা), শিকদার (সামরিক কর্মকর্তা) এবং কোতওয়াল (নগরকর্তা) ছিল। তিনি প্রশাসনিক কাজে তুর্কি, আফগান ও হিন্দুদের সমান সুযোগ দিতেন। সমগ্র সাম্রাজ্যে ১৫ মাইল অন্তর তিনি ডাক চৌকির ব্যবস্থা করেন। প্রজারঞ্জক বাবর দিল্লি ও আগ্রায় ২০টি উদ্যান, বহু পাকা নর্দমা, সেতু, অট্টালিকা নির্মাণ করেন।
পরিশেষে বলতে পারি, সম্রাট বাবর শুধুমাত্র একজন বিজেতা হিসেবেই প্রশংসার দাবিদার নন, বরং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবেও তিনি কৃতিত্বের দাবিদার। তাই সার্বিকভাবে বাবরের শাসনকাল কৃতিত্বপূর্ণ একথা নিঃসন্দেহেই বলা যায়।

387
উত্তরঃ

ফিরোজশাহ তুঘলক দিওয়ান-ই-বন্দেগান গঠন করেন কারণ, তিনি ছিলেন ক্রীতদাসদের প্রতি অনুরক্ত। তাই তিনি সিংহাসনে আরোহনের পর একটি বিরাট ক্রীতদাস বিভাগ গড়ে তোলেন। তার আমলে ক্রীতদাসের সংখ্যা ছিল ১,৮০,০০০, যার মধ্যে ৪০,০০০ ক্রীতদাস সুলতানের প্রাসাদে অবস্থান করত। সুলতান তাদের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার জন্যই 'দিওয়ান-ই-বন্দেগান' গঠন করেন।

829
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews