আব্দুস সামাদ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি এলাকার মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সমাজের সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বলেন। এতে সমাজের এক শ্রেণির মানুষের কাছে তিনি শত্রু হয়ে যান। এক পর্যায়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মাতার নাম আমিনা বেগম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে মহানবি (স)-এর নবুয়ত লাভের পর ইসলাম প্রচার এবং এ কাজে নির্যাতনের শিকার হয়ে হিজরত করার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। সত্যের পথে থাকা এবং এ পথে মানুষকে আহ্বান করতে গিয়ে যুগে যুগে মহামানবেরা নানা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ (স) তাঁর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আর সত্যের পথে অবিচল থেকে ধৈর্য ও হিজরতের মাধ্যমে রাসুল (স)-এর পরিস্থিতি মোকাবিলার আংশিক প্রতিফলন লক্ষ করা যায় আব্দুস সামাদের কর্মকাণ্ডে। উদ্দীপকে দেখা যায়, আব্দুস সামাদকে এলাকাবাসী সবাই শ্রদ্ধা করত। তিনি মসজিদের ইমাম নিযুক্ত হওয়ার পর সবাইকে অনৈতিকতা পরিহার করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার আহ্বান জানান। কিন্তু তার এ কাজে সমাজের এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষীরা বিরোধিতা শুরু করে এবং তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করেন। একই ঘটনা পরিলক্ষিত হয় হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনে। ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুয়ত লাভের পর মহানবি (স) গোপনে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে এবং পরবর্তীতে ৬১৩ খ্রিষ্টাব্দে মক্কাবাসীদের কাছে তাওহিদের বাণী প্রচার শুরু করেন। এতে মক্কার পৌত্তলিক, কুরাইশসহ মূর্তিপূজার দিশারি সকল গোত্র মুহাম্মদ (স)-এর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মহানবি (স)-এর ওপর তারা অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে; তাঁকে পাগল বলে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে থাকে। কুরাইশদের অত্যাচার যখন চরম আকার ধারণ করে তখন মহানবি (স) আল্লাহর নির্দেশে তাঁর শিষ্যদের আবিসিনিয়ায় হিজরতের পরামর্শ দেন। তাছাড়া মহানবি (স) মক্কায় অবস্থান করলে তাঁর বিরুদ্ধে কুরাইশদের ষড়যন্ত্রের মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি তারা রাসুল (স) কে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ তাঁকে মদিনায় হিজরতের নির্দেশ দেন। কারণ তখন মদিনায় ইসলাম প্রচারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তাই মহানবি (স) মহান আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন এবং মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত প্রতিষ্ঠা করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, রাসুল (স)-এর ইসলাম প্রচার, নির্যাতন সহ্য করা এবং হিজরতের ঘটনার সাথে আব্দুস সামাদের কর্মকান্ড আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

রাসুল (স)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনা তাঁর জীবনের জন্য ছিল মোড় পরিবর্তনকারী এবং ইসলামের ভিত প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর ওপর কুরাইশদের অত্যাচারের মাত্রা যখন বেড়ে যায় তখন তিনি মহান আল্লাহর আদেশে হযরত আবু বকর (রা)-কে সাথে নিয়ে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন এবং এখানেই মুহাম্মদ (স)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। মদিনাবাসীর সহযোগিতায় ইসলামের বিস্তৃতি সহজ হয়ে যায়। এই হিজরতের ফলে মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়, যা পরবর্তীকালে মক্কা বিজয় তথা অর্ধেক পৃথিবী বিজয় করার দ্বার উন্মোচন করে। হিজরতের ফলে মহানবি (স)-এর জীবনধারায় পরিবর্তন আসে এবং তিনি সুস্থ পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ লাভ করেন। ঐতিহাসিক P.K. Hitti বলেন, 'হিজরতের সাথে সাথে হযরতের, মক্কা জীবনের অবসান ও মদিনা জীবনের সূচনা হয় এবং এখানেই মুহাম্মদ (স)-এর জীবনের মোড় ঘুরে যায়।' মহানবি (স) মদিনায় হিজরত করলে মদিনাবাসী তাঁকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বরণ করে নেয়। এরপর মদিনায় ইসলাম দ্রুতগতিতে প্রসার লাভ করে এবং অল্প সময়ের মধ্যে সমগ্র আরবজাহান মুসলমানদের অধীনে আসে। হিজরতের পরপরই মুহাম্মদ (স) মদিনাতে মুসলমানদের মিলনকেন্দ্র হিসেবে মসজিদে নববি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও মদিনাবাসী মহানবির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে তাদের নগরীর নাম রাখেন 'মদিনাতুন্নবি' বা নবির শহর। এতে মদিনাবাসীর সম্মান অনেক বেড়ে যায়। মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে মদিনার লোকজন দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করে এবং মদিনাবাসী দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ও শত্রুতা ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। হিজরতের ফলেই মহানবি (স) বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান মদিনা সনদ' প্রণয়ন করেন।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, মহানবি (স)-এর হিজরতের ফলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
27
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
56
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
57
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
307
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews