নিঃসঙ্গ আমগাছটির ছায়ায় একটি ছেলে খেলতে এসে তাকে সঙ্গ দিত। ছেলেটির প্রতি আমগাছটির ছিল অসীম মমতা। ফলে সে ছেলেটিকে তার সবকিছু বিলিয়ে দিতে পারলেই সুখী হতো।
'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পের আমগাছটির ছায়ায় একটি ছোটো ছেলে খেলা করত। তার ঝরাপাতা দিয়ে মুকুট বানিয়ে রাজা সাজত। তার কাণ্ড বেয়ে উপরে উঠে ডাল ধরে দোল খেত, আম খেতো। মাঝে মধ্যে তারা লুকোচুরি খেলত। তারপর এইসব করে ক্লান্ত হয়ে গেলে তার ছায়ায় ঘুমিয়ে যেত। গাছটি ছিল একা। তার নিঃসঙ্গ জীবনে ছেলেটি আনন্দ নিয়ে আসত। সে ছেলেটির সঙ্গ উপভোগ করত। এভাবে ছেলেটির প্রতি তার স্নেহ-মমতা ও ভালোবাসা জন্মে যায়। সে ছেলেটির জন্য নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে। দেখতে দেখতে ছেলেটি বড়ো হয়ে যায়। অনেক দিন পর পর আসে। তবুও গাছটি তাকে পূর্বের ন্যায়ই ভালোবাসত। দীর্ঘদিনের ব্যবধানে এলেও তার প্রতি গাছটির মমতা কমত না। বড়ো হয়ে ছেলেটি তার কাছে নিজ প্রয়োজনে আসত। আমগাছ তাকে ভালোবাসা হিসেবেই বিবেচনা করত। সে ছেলেটিকে সাহায্য করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠত। এভাবে ছেলেটির প্রয়োজন মাফিক তার আম, ডালপালা, কান্ড সবই সে দিয়ে দেয়। নিজেকে নিঃস্ব করে বিলিয়ে দেওয়াতেও তার ছিল অপরিসীম আনন্দ।
ছেলেটি আমগাছটির নিঃসঙ্গ জীবনে আনন্দ নিয়ে এসেছিল বলে ছেলেটির প্রতি তার ছিল ভীষণ কৃতজ্ঞতা। আর ছিল অসীম মমতা, স্নেহ ও ভালোবাসা। ফলে ছেলেটির জন্য সে তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েও আনন্দ পেত, সুখী হতো।
Related Question
View Allছেলেটি ছোটো থাকাকালীন আমগাছের সঙ্গে ছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সম্পর্ক। বড়ো হতে গিয়ে যা তার প্রয়োজনীয়তায় রূপ নেয়।
'একটি সুখী গাছের গল্প' গল্পে একটি ছেলে একটি আমগাছের ছায়ায় খেলা করত। তার ডালে দোল খেত। তার আম পেড়ে খেত। আমগাছটির সঙ্গে লুকোচুরি খেলত। ক্লান্ত হয়ে পড়লে তার ছায়ায়ই ঘুমিয়ে যেত। নিঃসঙ্গ গাছটি ছেলেটির সঙ্গ উপভোগ করত। সে নিজেকে সুখী মনে করত।
ছেলেটিকে দেখলেই আনন্দিত হতো। ছেলেটির ছিল অল্পবয়স। সামান্য প্রয়োজন আর সরল মন। সে তখন গাছের সঙ্গে খেলা করেই আনন্দ পেত। তার মধ্যে বাড়তি কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের।
ছোটোবেলায় আমগাছের সঙ্গে ছেলেটির সরল ও নিঃস্বার্থ সম্পর্ক থাকে। বড়ো হতে গিয়ে সেখানে জায়গা নেয় জীবনের জটিলতা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!