আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী অর্থাৎ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সংখ্যা কোনোভাবেই উপেক্ষা করার মতো নয়। জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের অধিবাসীদের শতকরা দশ ভাগ প্রতিবন্ধী। বর্তমানে দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে প্রায় দেড় কোটি লোক প্রতিবন্ধী বলে অনুমান করা হয়। বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের জনসংখ্যার চেয়ে এ সংখ্যা বেশি। এই বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কল্যাণকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। অথচ প্রতিবন্ধিতা থেকে মুক্ত করা গেলে কিংবা তাদের কর্মোপযোগী করা গেলে এ বিপুল সংখ্যক মানুষ পরিবার, সমাজ বা দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারত।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

'ঠাকুরঝি' শব্দের অর্থ ননদ, স্বামীর বোন বা শ্বশুরকন্যা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

কান্নার মধ্য দিয়ে দুঃখ লাঘব করার মাধ্যমে মানুষ যে সুখ অনুভব করে সেটিকে 'অন্ধবধূ' কবিতায় অভিহিত করা হয়েছে 'কাঁদার সুখ' বলে।

'কাঁদার সুখ' বলতে বোঝানো হয়েছে, যখন কোনো ব্যক্তি দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে না পেরে কান্নার মাধ্যমে মনের ভার লাঘব করে; তখন সে মানসিক শান্তি পায়। কিন্তু অন্ধবধূ সেই সুখ থেকেও বঞ্চিত, কারণ সে কাঁদতে পারে না বা তাকে কাঁদতে দেওয়া হয় না। তার দুঃখ এত গভীর যে, কান্নার মাধ্যমেও তা লাঘব করা সম্ভব নয়, বরং কাঁদতে পারার সামান্য সুযোগ পেলেও হয়তো কিছুটা শান্তি পেত। তাই কবি অন্ধবধূর কান্নার বিষয়টিকে নাম দিয়েছেন কাঁদার সুখ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'প্রতিবন্ধী' শব্দটি দ্বারা 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

আমাদের সমাজের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায়, সমাজ প্রতিবন্ধী তথা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের অবজ্ঞা করে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষেরা নিজেদেরকেও অসহায় মনে করে। তবে আমাদের সচেতনতা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে তাদের জন্য কর্ম উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে পারলে তারাও দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।

উদ্দীপকে প্রতিবন্ধী তথা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, দেশের মোট জনসংখ্যার একটি অংশ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। তাদেরকে উপেক্ষা না করে তাদের প্রতিবন্ধিতা দূর করে তাদের জন্য একটি কর্ম উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। যার ফলে তারা দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। 'অন্ধবধূ' কবিতায় এই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষটি হচ্ছে অন্ধবধূ স্বয়ং। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রতিবন্ধী বলতে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষেরা সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা পেলে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু আমাদের সমাজ কাঠামোর নির্মম বাস্তবতায় দেখা যায়, সমাজের মানুষ তাদেরকে যেমন উপেক্ষা করে তেমনি তারাও নিজেদেরকে মনে করে অসহায়। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই পারে তাদেরকে সামাজিক বোঝা থেকে একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনায় পরিণত করতে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের কোনো ক্ষেত্রেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। কারণ দেশের মোট জনসংখ্যার একটি অংশ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হয়ে থাকে। তাদের জন্য কর্ম উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে পারলে তারা বোঝা থেকে উজ্জ্বল সম্ভাবনাই পরিণত হবে। অন্ধবধূ' কবিতায় এমনই এক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তথা দৃষ্টিহীন বধূর কথা তুলে ধরা হয়েছে। সে অনুভবের মধ্যে জগতের রূপ-রস-গন্ধ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। কিন্তু নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নিজেকে অসহায় মনে করে।

'অন্ধবধূ' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন সমাজ দৃষ্টিহীনদের অবজ্ঞা করে। মূলত এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তারা নিজেদের অসহায় মনে করে। দৃষ্টিহীনদের অসহায় না ভেবে এবং ঘরের মধ্যে আবদ্ধ না রেখে অন্তর্দৃষ্টিকে প্রসারিত করা প্রয়োজন। সেই বিষয়টি কবিতায় সংবেদনশীল ভাষায় উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
100

পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী!

আস্তে একটু চল না ঠাকুরঝি –

           ওমা, এ যে ঝরা-বকুল ! নয়?

তাইতো বলি, বসে দোরের পাশে,

রাত্তিরে কাল— মধুমদির বাসে

          আকাশ-পাতাল— কতই মনে হয়।

জ্যৈষ্ঠ আসতে ক-দিন দেরি ভাই -

আমের গায়ে বরণ দেখা যায়?

অনেক দেরি? কেমন করে হবে!

কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে,

           দখিন হাওয়া – বন্ধ কবে ভাই;

দীঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে -

শ্যাওলা-পিছল – এমনি শঙ্কা লাগে,

           পা-পিছলিয়ে তলিয়ে যদি যাই!

মন্দ নেহাত হয় না কিন্তু তায়-

অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায় !

দুঃখ নাইকো সত্যি কথা শোন,

অন্ধ গেলে কী আর হবে বোন?

বাঁচবি তোরা – দাদা তো তোর আগে?

এই আষাঢ়েই আবার বিয়ে হবে,

বাড়ি আসার পথ খুঁজে না পাবে -

দেখবি তখন - প্রবাস কেমন লাগে?

‘চোখ গেল’ ওই চেঁচিয়ে হলো সারা ।

আচ্ছা দিদি, কী করবে ভাই তারা-

জন্ম লাগি গিয়েছে যার চোখ !

কাঁদার সুখ যে বারণ তাহার – ছাই!

কাঁদতে পেলে বাঁচত সে যে ভাই,

        কতক তবু কমত যে তার শোক ।

‘চোখ গেল’— তার ভরসা তবু আছে—

         চক্ষুহীনার কী কথা কার কাছে!

টানিস কেন? কিসের তাড়াতাড়ি-

সেই তো ফিরে যাব আবার বাড়ি,

          একলা-থাকা- সেই তো গৃহকোণ—

তার চেয়ে এই স্নিগ্ধ শীতল জলে

দুটো যেন প্রাণের কথা বলে—

দরদ-ভরা দুখের আলাপন;

পরশ তাহার মায়ের স্নেহের মতো

ভুলায় খানিক মনের ব্যথা যত!

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মধুমদির বাসে' কথাটির অর্থ মধুর গন্ধে মোহময় সুগন্ধে আচ্ছন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
468
উত্তরঃ

'কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে' পঙ্ক্তিটি দ্বারা প্রকৃতির বসন্ত ঋতুর শেষ হয়ে আসা এবং জ্যৈষ্ঠ আসার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

'অন্ধবধূ' কবিতায় কবি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের অনুভবের অসাধারণ জগৎকে তুলে ধরেছেন। প্রকৃতির বিচিত্র রঙের ধারণা ও অনুভবে সে সমৃদ্ধ। কোকিলের ডাকে ঋতু পরিবর্তনের বিষয়টি সে অনুভব করতে পারে। পায়ের তলায় নরম বস্তু যে ঝরা-বকুল সেটি বুঝতে তার অসুবিধা হয় না। সে জ্যৈষ্ঠ আসার দিন অনুমান করতে পারে। মূলত অন্ধ হলেও সে প্রকৃতির কাছে মনের দৃষ্টি মেলে বসে থাকে, আর সেই বসে থাকার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির পরিবর্তন অনুভব করতে চায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
414
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বক্তব্য 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার দিকটিকে আলোকপাত করেছে।

মানুষ মরণশীল। প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। জগতের রূপ, রস, গন্ধ, বর্ণ ইত্যাদি দেখার মধ্যে যে আনন্দ, তা আর অন্য কিছুতেই নেই। যাদের দৃষ্টিশক্তি নেই, তারা মনের চোখ মেলে প্রকৃতিকে যতটুকু দেখে তা পূর্ণাঙ্গ নয়।

উদ্দীপকে মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবন অবসানের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সেখানে গৃহবধূ সুদীপার মধ্য দিয়ে মৃত্যু যে আমাদের সবার দিকেই হাত বাড়াবে সেই সত্যটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মৃত্যু সম্পর্কে সুদীপার অনুভবটি মূর্ত হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর অনুভবটি সম্পর্কযুক্ত। কিছুটা পার্থক্য থাকলেও তাদের মৃত্যুচিন্তাটি একই রকম। দিঘির ঘাটে শ্যাওলাপড়া সিঁড়িতে পা পিছলে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অন্ধবধূ। প্রকৃতির নানা অনুভব থেকে তখন তার মুক্তি হবে বলে সে মনে করেছে। উদ্দীপকে সুন্দর পৃথিবী, ঝিঝি ডাকা সন্ধ্যা, জোছনাভরা রাত ছেড়ে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিদায় নেওয়ার বিষয়টি অন্ধবধূর মৃত্যু আশঙ্কার সাথে এক এবং অভিন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
281
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি”- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষকে অবশ্যই এ সত্যের মুখোমুখি হতে হয়। জাগতিক নিয়মে মানুষ প্রকৃতির নানা কিছু থেকে ঋণ গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। তাদের সেই বেঁচে থাকায় আনন্দ আছে, স্বপ্ন আছে, স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার হতাশা আছে, কান্না আছে। এতকিছুর পরও মানুষ স্বপ্ন দেখে, ভালোবাসে, বেঁচে থাকে। যে অন্ধ, তার অনুভূতিতেও প্রকৃতির উপস্থিতি অম্লান হয়ে ধরা দেয়। মানুষ স্বপ্ন দেখতে পারে বলেই এমনটি হয়।

উদ্দীপকে গৃহবধূ সুদীপা মৃত্যুকে অনুভব করছেন তার অনুভূতি দিয়ে। সুন্দর পৃথিবীর প্রকৃতির মোহ বন্ধন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মৃত্যুর দেশে হারিয়ে যেতে হবে তাঁকে। তাঁর এ অনুভব তাঁর একার নয়। বৃহৎ অর্থে এ অনুভব সমস্ত মানুষের। তাঁর এ অনুভবটি ভিন্নভাবে আলোচ্য কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার সাথে সম্পর্কিত। অন্ধবধূ জগৎসংসারের দ্বন্দ্ব চুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে, দিঘির ঘাটে শ্যাওলা জমা সিড়িতে পিছলে জলে ডুবে মরার বিষয়ে ভেবেছে। আর এ বিষয়টির সাথেই উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায়। তাছাড়া ঋতু পরিবর্তন, কোকিলের ডাক, জ্যৈষ্ঠ মাসে আমের বরণ, ঝরা-বকুল, শীতল জলের স্নিগ্ধতা, মায়ের স্নেহের পরশ ইত্যাদি উদ্দীপকে নেই।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠা প্রকৃতির সাথে আলোচ্য উদ্দীপকের মিল সামান্যই। 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূম্র প্রতি পরিবার-পরিজন ও সমাজের অবজ্ঞা এবং অন্ধবধূর একলা থাকা গৃহকোণে ফিরে যাওয়ার তাড়া অনুভব না করাও উদ্দীপকের গৃহবধূ সুদীপার মধ্যে নেই। এসব কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
186
উত্তরঃ

"দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে" বলতে কবি অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিতকরণ বা অনুভূতির তীক্ষ্ণতাকে বুঝিয়েছেন।

সমাজের দৃষ্টিহীনেরা নিজেদের অসহায় ভাবে। তারা সমাজের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ। ইন্দ্রিয়সচেতনতা তাদের এই প্রতিবন্ধিতা দূর করতে পারে। কারণ তারা অনুভবঋদ্ধ মানুষ। 'অন্ধবধূ' কবিতায় দেখা যায়, অন্ধবধূ অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত করে পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক শুনে নতুন ঋতুর আগমন, শ্যাওলায় পা রেখে নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার বিষয়গুলো বুঝতে পারে। দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগার বিষয়টি অনুমান করে অন্ধবধূ ঋতু পরিবর্তনের অনুমান করার পাশাপাশি পা পিছলে পড়ে যাওয়ার শঙ্কার বিষয়টিও অনুভব করেছে, যা তার অনুভূতির তীক্ষ্ণতার প্রমাণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
246
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews