আমার গ্রাম আমাকে আজীবন আকর্ষণ করেছে। বাংলাদেশ চিরহরিতের দেশ। তবু মনে হয়, আমার গ্রামের গাছপালা লতাপাতার মধ্যে কোথায় যেন আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। ভাওয়াল পরগনায় অবস্থিত আমাদের গ্রামটি বর্ষাকালে দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, পশ্চিম ভাগটি হয়ে যায় একটি বিচ্ছিন্ন ছোটো দ্বীপ। পশ্চিম অংশেই আমাদের ভিটেবাড়ি। গ্রামের পশ্চিমে বিশাল মাঠ। বর্ষায় বিরাট বেলাই বিলের সঙ্গে মিশে যায়। বেলাই বিল প্রকৃতপক্ষে একটি মস্ত বড়ো হাওড়- শীতকালে বোরো ধান হয়।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

অজান ফুলের রূপ দেখে কবি তাকে বিয়ের কনে মানবেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

"কোথাও সিঁধে কোথাও বাঁকা গরুর গায়ের রেখায় ক্ষত"- উক্তিটিতে পল্লি-দুলালের দেশ অর্থাৎ পল্লিগ্রামের এবড়ো-থেবড়ো পথের কথা বলা হয়েছে।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশ অর্থাৎ প্রকৃতির ঘিরে রাখা সৌন্দর্যমণ্ডিত গ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেখানে দিকহারা মাঠ থাকবে, সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ থাকবে। পথটি গরুর গায়ের রেখায় ক্ষতের মতো অর্থাৎ এবড়ো-থেবড়ো। রাস্তাটি হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির মতো কোথাও সোজা কোথাওবা বাঁকা। মূলত প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা কবি গ্রামীণ রাস্তার অবস্থা বুঝিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতির ও পল্লিমায়ের অপরূপ সৌন্দর্য অন্বেষণ করার দিক থেকে উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

বাংলার পল্লি ও প্রকৃতি যেন একাকার। কবির কবিতায়, লেখা রচনায় বিভিন্নভাবে পল্লি-প্রকৃতির রূপ উঠে আসে। এই গ্রামীণ প্রকৃতি সব সময়ই শহরবাসী মানুষ ও কবি-সাহিত্যিককে আকৃষ্ট করে।

পল্লিগ্রামকে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ ঘিরে রাখে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। কবির সেই পল্লিগ্রামে বেতকেয়ার বনে ডাহুক ডাকে। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ। সেই পথে তিনি হাঁটতে চান। পাড়ার দস্যি ছেলেদের সাথে খেলা করতে চান। দিঘিতে সাঁতরে পদ্ম তুলতে চান। পাখির সাথে ডেকে, অজানা ফুলের রূপ দেখে তিনি মুগ্ধ হতে চান। উদ্দীপকেও 'দেখা যায়, কবিকে গ্রাম আজীবন আকর্ষণ করে। যদিও বাংলাদেশ চিরহরিতের দেশ, তারপরও তিনি তার গ্রামের গাছপালা লতাপাতার, মধ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য খুঁজে পান। কবিও তাঁর পল্লিগ্রামের রূপ সম্বন্ধে এমনই ভাবেন। উদ্দীপকে গ্রামের বর্ষাকালের প্রকৃতির সৌন্দর্যের স্বরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে গ্রামের পশ্চিমে মাঠ, যেটি বর্ষায় বিরাট বেলাই বিলের সাথে মিশে যায় এবং শীতকালে সেখানে বোরো ধান হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'যাব আমি তোমার দেশে' গ্রামের সৌন্দর্য ভাবনায় একই ধারায় সম্পৃক্ত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটিকে আংশিক প্রতিনিধিত্ব করে, পুরোটা নয়।

পল্লিগ্রাম রূপের আঁধার। কেউ কেউ সেই রূপকে স্মৃতির পাতায় ছবি আঁকেন। কেউ আবার সেই পল্লিগ্রামের সাথে সামগ্রিকভাবে মিশে যেতে চান।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি তাঁর ভাবনায় যে পল্লিগ্রামকে এঁকেছেন সেখানে সেই গ্রামকে প্রকৃতি ঘিরে রেখেছে। গ্রামের মাঠঘাট, মেঠোপথকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি গ্রামের রাস্তার বর্ণনা দিতে বিভিন্ন অনুষঙ্গ টেনেছেন। গ্রামের জীবনধারার ও জনমানবের সরল বৈশিষ্ট্যে কবি মিলেমিশে একাকার হয়েছেন। গ্রামের প্রকৃতি ও প্রকৃতির সমস্ত দানের সাথে নিজেকে অভেদ কল্পনা করে মিশে গেছেন প্রতিটি অনুষঙ্গে। তিনি পাখির সাথে ডাকতে চান, অজানা ফুলের রূপ দেখে মুগ্ধ হন, উদাস বেশে ঘুরে বেড়াবেন। গাছের শাখা দুলিয়ে হাজার রঙের ফুল তুলবেন। চারদিকে আঁধার ঘনিয়ে এলে, নিরালা নিঝুম অন্ধকারে কবি পল্লির অপরূপ সৌন্দর্য অন্বেষণ করবেন। উদ্দীপকে ভাওয়াল পরগনায় অবস্থিত একটি গ্রামের বর্ষাকালের রূপ এবং গ্রামের পাশের মাঠ, বেলাই বিল এসব নিয়ে গ্রামের প্রকৃতি সম্পর্কে আংশিক একটি বর্ণনা বিদ্যমান।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় করি পল্লিগ্রামের সামগ্রিক সৌন্দর্য চিত্র তুলে ধরেছেন। কিন্তু উদ্দীপকে আংশিক চিত্র ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটিকে সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না, আংশিক প্রতিনিধিত্ব করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
112

Related Question

View All
উত্তরঃ

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতাটি লিখেছেন কবি জসীমউদ্‌দীন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
711
উত্তরঃ

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় গ্রাম্য মেয়ে পথে কদমকলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।


'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন এবং সেই সূত্রে পল্লিগ্রামের চিত্র এঁকেছেন। পল্লিগ্রাম, প্রকৃতি যেন কবিকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। সেখানে ধান-কাউনের খেতের ভিতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথ নানা মাঠ ও বন পেরিয়ে গাঁয়ের ছায়াময় পথে মিশেছে। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
764
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শহুরে দুই বন্ধুর গ্রাম দেখার যে ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে আমার পাঠ্য পুস্তকের 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

গ্রাম মানুষের প্রিয়। শহুরে মানুষকে গ্রাম চিরদিন হাতছানি দিয়ে ডাকে। গ্রামের অনাবিল নির্মল প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের মনে শান্তি আনে। তাই গ্রামে যাওয়ার জন্য শহুরে মানুষ আকুল হয়।

উদ্দীপকে শহরের দুই বন্ধু শফিক ও আশিক গ্রীষ্মের ছুটিতে তাদের গ্রামের বন্ধু শাহেদের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। তারা বইয়ের পাতায় পড়েছে, টেলিভিশনে দেখেছে, কিন্তু কখনো সশরীরে গ্রামে যায়নি। তাদের ভালো লাগা ও যাওয়ার ব্যাকুলতা আরও বেড়ে যায় ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনার বর্ণনা শুনে। শহুরে এই দুই বন্ধুর ব্যাকুলতা ধরা পড়ে 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার মধ্যে। কবি সেই গ্রামে যেতে চান যেখানে ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতোর মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ গেছে। সেই পথে কবি গ্রামে যেতে চান, সেখানে দস্যি বা দুরন্ত ছেলেদের সাথে খেলতে চান, ধলদিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল আনতে চান। এমন ইচ্ছা ও ব্যাকুলতা উদ্দীপকের শহুরে দুই বন্ধুর মধ্যেও প্রকাশ পেয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
263
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের যে নয়নাভিরাম বর্ণনা করেছেন 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতার কবিও তেমনই এক পল্লি বা গ্রামের বর্ণনা দিয়েছেন।

মানুষ সব সময় প্রকৃতি ও গ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদে শহরে বসবাস করলেও গ্রামের মনোমুগ্ধকর রূপ সর্বদাই মানুষকে টানে।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি আদরের পল্লি-দুলালের দেশে অর্থাৎ পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। সেই পল্লিগ্রামটিকে প্রকৃতি যেন ঘিরে রেখেছে। সেখানে বেত-কেয়ার বনে ডাহুক ডাকে, ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে সরু সুতার মতো দীর্ঘ বাঁকা পথ চলে গেছে। কবি সেই পথে গ্রামে গিয়ে দস্যি ছেলেদের সাথে খেলা করবেন, দিঘিতে সাঁতার কেটে রক্তকমল তুলে আনবেন। অজানা ফুলের রূপে মুগ্ধ হবেন। উদ্দীপকেও এমন সৌন্দর্যময় একটি গ্রামের বর্ণনা করেছে শাহেদ।

উদ্দীপকে শাহেদ তার গ্রামের নয়নাভিরাম এক বর্ণনা দিয়েছেন। তার গ্রামের বনবনানী, ফুল, পাখি, দিঘি, শাপলা, মেঠোপথ, ছেলেমেয়েদের দুরন্তপনা ইত্যাদির নয়নাভিরাম বর্ণনা শুনে তার শহুরে দুই বন্ধু গ্রামে আসার জন্য ব্যাকুল হয়। এমনই নয়নাভিরাম গ্রামের বর্ণনা পাওয়া যায় 'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
203
উত্তরঃ

ধান-কাউনের খেতের ভেতর দিয়ে যে দীর্ঘ সরু সুতার মতো বাঁকা পথ গেছে কবি সেই পথ দিয়ে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

'যাব আমি তোমার দেশে' কবিতায় কবি পল্লিগ্রামে যেতে চেয়েছেন। পলিগ্রাম, প্রকৃতি যেন তাকে ঘিরে রেখেছে। তার বনের শীর্ষে আকাশ, পায়ের কাছে দিক-হারা মাঠ। কবি পল্লিগ্রামে যাওয়ার পথ কল্পনা করেছেন। কবির কল্পনার সেই পথকে হাবা মেয়ের এলো মাথার সিঁথির সাথে তুলনা করেছেন। সেই পথ কোথাও সিধা কোথাও বাঁকা। সেই পথে গাঁয়ের মেয়ে কদম-কলি ছড়িয়ে হেঁটে চলে। কবি এই পথে পল্লি-দুলালের দেশে যাবেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
229
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews