প্রথম পর্যায়ে কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আবদুল লতিফ, বর্তমানে সমবেত কণ্ঠ। গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী । প্রথমে গানটির সুরারোপ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। প্রথমে গানটির সুরারোপ করেন আলতাফ মাহমুদ এবং বর্তমানে তার সুরারোপেই গানটি প্রচার হচ্ছে । ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই গানটি রচিত হয়। ১৯৫৩ সালে প্রথম গানটি গাওয়া হয়। উল্লেখ্য, প্রথমে এটি কবিতা আকারে রচনা করা হয় এবং পরবর্তীতে একে গানে রুপ দেয়া হয়।
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী
Related Question
View Allগোবিন্দ হালদার।
‘‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরি।
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
বাংলা সাহিত্যে প্যারডি রচনার পথিকৃৎ দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ‘ধন ধান্য পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির গীতিকার ।
‘বাংলাদেশ' গানটি পরিবেশন করেন জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হওয়া 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামের সঙ্গীতানুষ্ঠানের প্রধান শিল্পী জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এ অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!