আমির হোসেন গ্রামে বাস করে। বাড়িতে বসে তার নিজের তাঁতে লুঙ্গি, গামছা ও শাড়ি বুনে। সপ্তাহের প্রতি বুধবার সে তার বোনা কাপড় নিয়ে মঠবাড়িয়া হাটে যায়। হাটটি গ্রামের মধ্যস্থানে, যাতায়াত সুবিধাও ভালো। সারাদিন কাপড় বিক্রি করে সন্ধ্যায় উদ্বৃত্ত মাল নিয়ে বাড়ি ফেরে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

গ্রামের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের উদ্বৃত্ত পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বীকৃত জনজমায়েতকে গ্রামীণ হাটবাজার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

হাট হচ্ছে এমন একটি নির্দিষ্ট স্থান যেখানে কিছুসংখ্যক ক্রেতা ও বিক্রেতা একটি নির্দিষ্ট দিনে এবং নির্দিষ্ট সময়ে মিলিত হয়।
পণ্য বিনিময়ের প্রাথমিক মাধ্যম হলো হাট। একজন মানুষের বেঁচে থাকার সব উপকরণ তার নিজের পক্ষে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। ফলে তাকে অন্যের সাহায্য নিতে হয়। এভাবে মানুষ নিজের উদ্বৃত্ব পণ্য অন্যের সাথে বিনিময় করে। আর এই বিনিময় প্রথার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে গ্রামীণ হাট। এই হাটই পণ্য বিনিময়ের প্রাথমিক মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মঠবাড়িয়ার হাটটি গড়ে ওঠার পেছনে ভৌগোলিক উপাদানের মধ্যে ভূপ্রকৃতি ও নদনদীর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।
কোনো স্থানের ভূপ্রকৃতি সেখানকার অধিবাসীদের অর্থনৈতিক জীবনের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাববিস্তার করে। মঠবাড়িয়ার হাটটি বন্যামুক্ত সমতল ভূমিতে গড়ে উঠেছে। কারণ সমভূমিতে কৃষিকাজ, শিল্প ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত এবং জনবসতির ঘনত্ব অধিক। এছাড়া উক্ত হাটটি গড়ে ওঠার পেছনে নদনদীর প্রভাব অত্যধিক। নদীপথে সুলভে যাতায়াত ও মালপত্র একস্থান থেকে অন্যস্থানে পাঠানো যায়। ব্যবসায়ীরা নদীপথে দূরবর্তী স্থানের হাটবাজারে বিভিন্ন পণ্য বেচাকেনা করতে পারে।
উপরিউক্ত ভৌগোলিক কারণগুলোই মঠবাড়িয়ার হাটটি গড়ে ওঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাববিস্তার করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের পণ্য বিনিময় কেন্দ্রটি হলো গ্রামীণ হাটবাজার।
বাংলাদেশের গ্রামীণ হাটবাজার স্থানীয় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে গ্রামীণ হাটবাজারের বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো-
পণ্যসামগ্রী নেওয়া এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের যাতায়াতের সুবিধাকে মাথায় রেখে অপেক্ষাকৃত সমতল বন্যামুক্ত জমিতে সাধারণত সপ্তাহের নির্দিষ্ট এক বা দুই দিন গ্রামীণ হাটবাজার বসে।
হাটের বিক্রেতারা দূরদূরান্ত থেকে এলেও ক্রেতারা নিকটবর্তী অঞ্চল থেকে আসে। পরস্পর নিকটবর্তী হাটসমূহে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এড়ানোর জন্য এক ধরনের সমঝোতার মাধ্যমে হাট বসার দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়। হাটে সাধারণত বিক্রেতার জন্য অস্থায়ী ছাউনি থাকে। তবে বর্তমান সময়ে অনেক বড় হাটে স্থায়ী দোকান ও গদামঘর দেখতে পাওয়া যায়।  গ্রামীণ হাট গ্রামীণ জীবনের মিলনমেলা হিসেবেও কাজ করে থাকে।
গ্রামীণ পটভূমিতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাটের যোগসূত্র থাকায় স্থানীয় প্রশাসনিক অবকাঠামোর আশপাশে হাট গড়ে ওঠে।
সুতরাং বলা যায়, যেকোনো স্থানে গ্রামীণ হাটবাজার বসে না। সুনির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গ্রামীণ হাটবাজার প্রতিষ্ঠা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
35
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

৫০ লাখেরও বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট নগরকে মেগাসিটি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
113
উত্তরঃ

গ্রামের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে, নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে নিজেদের উদ্বৃত্ত পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার জন্য ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বীকৃত জনজমায়েতকে গ্রামীণ হাট বলে।
গ্রামীণ জীবনযাত্রায় হাটের ভূমিকা অসামান্য। বৃহত্তর অর্থে গ্রামীণ পরিসরে হাট হচ্ছে আর্থসামাজিক স্নায়ুকেন্দ্র। এ হাটের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ভোগ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় মানুষের উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রয় এবং চাহিদাসম্পন্ন পণ্য ক্রয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে গ্রামীণ হাটের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
121
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানটি হলো ঢাকা, যা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু।

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। সব ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়। ঢাকায় বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল প্রভৃতি গড়ে উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তরও ঢাকায় অবস্থিত। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টও ঢাকায় অবস্থিত।

এক কথায় বাংলাদেশের যাবতীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় কর্মকাণ্ড ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তাই ঢাকাকে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
78
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো ঢাকা অঞ্চল এবং 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো রাজশাহী অঞ্চল। এ উভয় অঞ্চলের মধ্যে জনসংখ্যা ঘনত্বের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।

ঢাকা হলো সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। বাংলাদেশের মূল প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু হলো ঢাকায়। এর আয়তন ৩১,১২০ বর্গ কি.মি. এবং জনসংখ্যা ৪,৯৩,২১,৬৮৮ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব। ১,৫১২ জন। মোট নগর সংখ্যা ৪০টি। ঢাকায় প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা ব্যাপক আকারে থাকায় এ অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, যাতায়াত সুবিধা সরকারি বেসরকারি অফিসের অবস্থান; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সদর দপ্তরের অবস্থান, বড় বড় হাসপাতাল, স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি ব্যাপক আকারে থাকায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। তাই ঢাকার জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।

অন্যদিকে রাজশাহী হলো বাংলাদেশের তৃতীয় জনসংখ্যা অধ্যুষিত অঞ্চল। এ অঞ্চলের আয়তন ১৮,১৯০ বর্গ কি.মি.। মোট জনসংখ্যা ১,৯২,২৫,৯০৯ জন এবং ঘনত্ব ১,০১৮ জন। এ অঞ্চলে ৮টি নগর রয়েছে। রাজশাহী অঞ্চল প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক বিবেচনায় বসবাসের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করলেও ঢাকার মতো এত ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক কিছু নিয়ামকের তারতম্যের জন্য ঢাকা ও রাজশাহীতে জনসংখ্যার ঘনত্বের তারতম্য হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
185
উত্তরঃ

যে বসতিতে একটি পরিবার অন্যান্য পরিবার থেকে বহু দূরে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করে তাকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
115
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ হাটগুলো গড়ে ওঠার পেছনে কারণগুলো হলো স্থানীয় চাহিদার উদ্বৃত্ত চালান, দূরবর্তী পরিব্রাজক সেবা প্রদান, অনুকূল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদনদীর অবস্থান, চাহিদার তারতম্য প্রভৃতি l

যে অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি উর্বর, রাস্তাঘাট কাঁচাপাকা বা আধাপাকা এবং কয়েকটি অঞ্চলের সাথে সড়ক ও নদীপথে ভালো যোগাযোগব্যবস্থা থাকে সেসব অঞ্চলে হাটগুলো গড়ে উঠেছে। বেশিরভাগ হাট গড়ে উঠে বাজারসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর মধ্যে উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মধ্যে তারতম্য হলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
173
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews