আমেরিকা থেকে জন কেরি সম্প্রতি একটি দেশে বেড়াতে এসেছেন। দেশটি একটি জনবহুল দেশ এবং দেশটির জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, সমভাবাপন্ন এবং আর্দ্র। অপরদিকে জন কেরি এক সন্ধ্যায় লক্ষ করলেন পুরো ভবনটি কাঁপছে, আসবাবপত্রগুলো নড়াচড়া করছে এবং জানালার কাচ ভেঙে পড়ছে। ভয়ে তিনি চিৎকার করে ওঠে সিঁড়ির দিকে ছুটতে থাকেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

টেকটনিক প্লেট হলো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যার ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা দেওয়া হয় এবং এটি বিজ্ঞানসম্মত অনুঘটক যা ভূমিকম্পের জন্য দায়ী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অধিক জনবসতি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। কেননা বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যায় পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ সংকট তৈরির মূলে রয়েছে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার আতঙ্কজনক বিস্ফোরণ। অধিক জনবসতির ফলে অধিক বায়ুদূষণ, গ্রিন হাউজ গ্যাস, উদগীরণ গ্লোবাল ওয়ারমিং ইত্যাদি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকৃতিতে নানা বিপর্যয় লক্ষ করা যাচ্ছে। জনসংখ্যার আধিক্য প্রকৃত বাস্তবতায় আমাদের বর্তমানে জনবিস্ফোরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভূমিকম্প, সুনামি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হলো অধিক জনবসতি। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে বলা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত জন কেরি সম্প্রতি যে দেশটিতে ভ্রমণ করেছেন সেটি হলো বাংলাদেশ। এখানে শীত ঋতুর তীব্রতা দেখা যায়।

বাংলাদেশে প্রতিবছর নভেম্বর মাসে শীতকাল শুরু হয়। বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীত থাকে। শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.। এ সময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল হতে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে। উদ্দীপকের জন কেরির ভ্রমণকৃত দেশটতে অর্থাৎ বাংলাদেশে নভেম্বরে শীতের তীব্রতা তেমন বেশি দেখা না গেলেও উত্তরাঞ্চলের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হচ্ছিল।

পরিশেষে বলতে পারি, জন কেরির সম্প্রতি ভ্রমণকৃত দেশটি অর্থাৎ বাংলাদেশে শীত ঋতুর প্রভাব অনেক তীব্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকম্পের কথা বলা হয়েছে। ভূমিকম্প মোকাবিলায় নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। অন্যান্য দুর্যোগের চেয়ে ভূমিকম্পের প্রকৃতি আলাদা। উদ্দীপকে উল্লিখিত জন কেরি আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসে। সন্ধ্যায় তিনি লক্ষ করলেন ভবনটি কাঁপছে অর্থাৎ ভূমিকম্প হচ্ছে। তখন তিনি ভয়ে চিৎকার করে ওঠে সিঁড়ির দিকে ছুটতে থাকেন। কিন্তু এভাবে ছোটাছুটি করলে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। এ সময় পদক্ষেপ নিলে অনেকাংশে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো যায়। যদিও ভূমিকম্প অকস্মাৎ সংঘটিত হয়, খুবই ক্ষণস্থায়ী এবং ভূঅভ্যন্তরে ঘটে থাকে। ফলে সরাসরি পর্যবেক্ষণের কোনো সুযোগ নেই। তারপরেও কিছু পদক্ষেপ নিলে ভূমিকম্প অনুমানের সহায়ক হবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত জন কেরি ভূমিকম্প নামক দুর্যোগের কবলে পড়েন। এসময় তার কর্মকাণ্ড মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে ভীত না হয়ে ঠান্ডা মাথায় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। চিৎকার করা বা দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এ সময় ভবনের বিমের নিচে কিংবা শক্ত  আসবাবপত্রের নিচে প্রথমে আশ্রয় নিতে হবে। এ সময় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সুইচ বন্ধ রাখতে হবে। যতদ্রুত সম্ভব খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে উপরিউক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এ দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশে কম হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
73
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
745
উত্তরঃ

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
366
উত্তরঃ

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
394
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
833
উত্তরঃ

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews