কবিরাজ অমলকে বেরুতে নিষেধ করেছিল।
অমলের অসুখ হয়েছিল। সেই সঙ্গে তার ছিল বিষণ্ণতা।
অমলের অসুখের কারণে কবিরাজ তাকে বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু অমল নিজেও জানে না আসলে তার কী হয়েছিল। কারণ সে তার অসুখ সংক্রান্ত কোনো কিছু পড়েনি। আর তাই সে জানে না যে তার কী হয়েছিল। কিন্তু একঘেয়ে বাসায় থেকে থেকে অমলের মাঝে বিষণ্ণতা ভর করেছিল প্রচন্ডভাবে। তাই সে বাইরের প্রকৃতির কাছে যেতে চেয়েছিল।
উদ্দীপকের আরজু 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার অমল চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
অসুস্থতার জন্য মানুষকে অনেক ধরনের বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হয়। এজন্য অসুস্থ মানুষকে দেখে অবহেলা নয়, বরং প্রয়োজন অনেক বেশি আন্তরিকতার। তবেই অসুস্থ মানুষ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
উদ্দীপকে আরজুর অসুস্থতার কথা প্রকাশ পেয়েছে। আরজুর পায়ে সমস্যার কারণে সে বেশি দূর হাঁটতে পারে না। 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকায় অমলেরও অসুস্থতার দিকটি ব্যক্ত হয়েছে। যার কারণে সে বাড়ির বাইরে বের হতে পারে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আরজু 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার অমল চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার বিষয়গত সাদৃশ্য থাকলেও ভাব আলাদা- মন্তব্যটি যথার্থ।
পরিবেশ-পরিস্থিতি মানুষকে কখন কোন অবস্থায় এনে ফেলে তা বোঝা মুশকিল। তাই পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, তা দেখে বিচলিত না হয়ে ধীরস্থির হয়ে মোকাবিলা করতে হবে।
উদ্দীপকের আরজু শারীরিকভাবে অসুস্থ। পায়ের সমস্যার কারণে সে হাঁটতে পারে না। 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার অমলও অসুস্থ। তাই সে বাড়ির বাইরে যেতে পারে না। আর সে কারণে বাইরের প্রকৃতির কাছে তার মন পড়ে থাকে। দইওয়ালাকে পেয়ে সে গল্প শুরু করে। দইওয়ালার গ্রামের দৃশ্য বর্ণনা করে। অনেকটা মিলে যায় বলে দইওয়ালা অবাক হয়। দইওয়ালার দই ডাকার যে সুর তা অমলকে অনেক উদাসীন করে তোলে।
উদ্দীপকে শুধু আরজুর অসুস্থার কথাই প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকায় অসুস্থ কিশোর অমলের কথা বলা হয়েছে এবং তার কল্পনাপ্রবণ মনের কথাও প্রকাশ পেয়েছে। সেই সঙ্গে অমলের প্রতি দইওয়ালার স্নেহের দিকটি ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allদইওয়ালার গ্রাম সম্পর্কে অমল বলাতে দইওয়ালা আলোচ্য উক্তিটি করেছে।
অমল দইওয়ালাকে ডেকে কথা বলছিল। এমন সময় দইওয়ালার গ্রামের বাড়ি সম্পর্কে অমল জানতে চায়। দইওয়ালার গ্রামের বাড়িতে অমল কখনো না গেলেও তার বর্ণনার সঙ্গে দইওয়ালার গ্রামের বর্ণনা মিলে যায়। আর এতে করে দইওয়ালা খুবই অবাক হয়। এমনকি দইওয়ালার গ্রামের মেয়েরা নদী থেকে পানি তুলে নিয়ে যায়, তার বর্ণনাও অমল দেয়। অমলের এই বর্ণনা শুনে দইওয়ালা খুবই অবাক হয়ে যায়। আর অবাক হয়ে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।
উদ্দীপকের অমির সঙ্গে 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার অমলের মিল পাওয়া যায়।
মাঝে মাঝে মানুষের মন অজানা ও ছোট্ট বিষয়ের জন্য খুব কাতর হয়ে ওঠে। আর তখন সেই ছোট্ট বিষয়টিকেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।
উদ্দীপকে দেখা গেছে অমি আইসক্রিমওয়ালাকে ডেকেছে। 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকাতে অমলও দইওয়ালাকে ডেকেছে। জানালা দিয়ে দইওয়ালার গলা শুনতে পেয়ে সে তাকে ডাক দিয়ে কথা বলে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অমির সঙ্গে 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার অমলের মিল পাওয়া যায়।
উদ্দীপকটি 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকার একটি অংশবিশেষ-মন্তব্যটি যথার্থ।
মানুষ যখন নিঃসঙ্গতায় ভোগে, তখন সে তার চারপাশের সব কিছুকেই আশ্রয় করে বাঁচতে চায়। সেটা প্রকৃতিও হতে পারে, আবার মানুষও হতে পারে।
উদ্দীপকের অমি আইসক্রিম খাওয়ার জন্য আইসক্রিমওয়ালাকে ডেকেছে। 'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকাতে অমলও দইওয়ালাকে, ডেকেছে। তবে দই খাওয়ার জন্য নয়। দইওয়ালার সঙ্গে গল্প করার জন্য। কারণ সে অসুস্থ বলে তার কোথাও যাওয়া নিষেধ। কিন্তু তার মন পড়ে আছে প্রকৃতির মাঝে। তাই দইওয়ালাকে ডেকে নিজের মনের কল্পনার কথা প্রকাশ করেছে সে।
উদ্দীপকে অমি শুধু আইসক্রিমওয়ালাকে ডেকেছে আইসক্রিম খাওয়ার জন্য। আর নাটিকাতে অমল নিজের মনের কথা বলার জন্য দইওয়ালাকে ডেকেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি নাটিকার একটি অংশবিশেষ। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।
দইওয়ালা অমলকে এক ভাঁড় দই খেতে দিয়েছিল।
দইওয়ালার ডাক শুনলে সেই সুরে অমলের মন কেমন যেন উদাস হয়ে যায়।'
অসুস্থতার কারণে অমল বাড়ির বাইরে কোথাও যেতে পারে না। সারাক্ষণ বাড়িতে থেকে তাকে ঘিরে ধরেছে বিষণ্ণতা। এজন্য যখন সে দইওয়ালার ডাক শুনতে পায়, তার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। তার মন কেমন যেন উদাস হয়ে যায়। আকাশের খুব শেষ থেকে যেমন পাখির ডাক শুনলে মন উদাস হয়ে যায়, দইওয়ালার ডাক শুনলে অমলের ঠিক তেমনভাবে উদাস লাগে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
