আরমানকে শ্বসন প্রক্রিয়ায় তাপ নির্গমন করতে বলা হলো। এজন্য তাকে দুটি থার্মোফ্লাক্স, দুটি থার্মোমিটার, অঙ্কুরিত ছোলা বীজ, পানিতে সিদ্ধ ছোলা বীজ ও ছিদ্রযুক্ত রাবারের ছিপি প্রদান করা হলো।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যেসব অঙ্গ শ্বসন কার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদেরকে একত্রে শ্বসনতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনতন্ত্রের গলবিল ও শ্বাসনালির সংযোগস্থলে স্বরযন্ত্র অবস্থিত। স্বরযন্ত্রের মুখে একটা ঢাকনা থাকে, এটি খাদ্যগ্রহণের সময় স্বরযন্ত্রকে ঢেকে রাখে। এ কারণে স্বরযন্ত্রের ভিতরে খাদ্য ঢুকতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

আরমানকে শ্বসন প্রক্রিয়ায় তাপ নির্গমনের পরীক্ষা করতে বলা হলো। সে নিম্নোক্তভাবে পরীক্ষাটি সম্পন্ন করবে-

উপকরণ: দুটি থার্মোফ্লাক্স, দুটি থার্মোমিটার, অঙ্কুরিত ছোলা বীজ, পানিতে সিদ্ধ ছোলা বীজ, ছিদ্রযুক্ত রাবারের ছিপি।

পরীক্ষা: অঙ্কুরিত ছোলা বীজগুলোকে একটি থার্মোফ্লাক্সের মধ্যে রেখে একটি ছিদ্রযুক্ত ছিপি দিয়ে মুখটি বন্ধ করতে হবে। এরপর ছিপির ছিদ্রের মধ্য দিয়ে একটি থার্মোমিটার এমনভাবে প্রবেশ করাতে হবে যাতে থার্মোমিটারের পারদপূর্ণ প্রান্তটি অঙ্কুরিত ছোলা বীজগুলোর মধ্যে গ্রোথিত থাকে। অনুরূপভাবে অপর থার্মোফ্লাক্সটিতে সিদ্ধ ছোলা বীজগুলো রাখতে হবে এবং অপর থার্মোমিটারটি স্থাপন করতে হবে। প্রতিটি থার্মোমিটারের পারদ রেখার অবস্থান চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

পর্যবেক্ষণ: কিছুক্ষণ পর দেখা যাবে জীবন্ত অঙ্কুরিত ছোলা বীজযুক্ত থার্মোফ্লাক্সের উষ্ণতার বৃদ্ধি ঘটায় থার্মোমিটারের পারদ রেখার পরিবর্তন ঘটেছে। সিদ্ধ বীজযুক্ত থার্মোফ্লাক্সের উষ্ণতার বৃদ্ধি হয় নি অর্থাৎ থার্মোমিটারের পারদ রেখা অপরিবর্তিত আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্বসন প্রক্রিয়ায় তাপ নির্গমনের কথা বলা হয়েছে। জীবদেহে শক্তি উৎপাদন করাই শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রধান কাজ- নিচে উক্তিটি মূল্যায়ন করা হলো-

শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ বা শক্তি উৎপন্ন হয়। জীবদেহে বিভিন্ন ধরনের শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পন্ন হয়। আর এ সব কাজ সম্পন্ন করার জন্য শক্তির প্রয়োজন পড়ে। এ প্রয়োজনীয় শক্তি জীবদেহ শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করে। জীব পরিবেশ থেকে যে অক্সিজেন গ্রহণ করে তা শ্বসনের মাধ্যমে কোষস্থিত খাদ্যকে দহনে কাজে লাগে। আর এর ফলে উৎপন্ন হয় শক্তি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এ কার্বন ডাইঅক্সাইড আবার উদ্ভিদ খাদ্য গ্রহণে ব্যবহার করে। ফলে উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি হয় এবং উদ্ভিদ দেহে শ্বসন ঘটে। এভাবে জীবদেহে তথা উদ্ভিদ ও প্রাণীতে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয় এবং জীবের স্বাভাবিক বিপাকীয় ক্রিয়া চলতে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
92

প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবন আছে। জীবদেহে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের জৈবনিক প্রক্রিয়ার জন্য শক্তি প্রয়োজন। জীব কোষের সাইটোপ্লাজমে সঞ্চিত স্টাচ, শর্করা, প্রোটিন ও ফ্যাটের অণুতে শক্তি সঞ্চিত থাকে। সকল জীবকোষের জৈবক্রিয়ার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য। প্রকৃতপক্ষে অক্সিজেন দ্বারা খাদ্যস্থ স্থৈতিক শক্তি যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৌরশক্তি থেকে সঞ্চিত হয়, তাকে গতিশক্তি ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত করাই শ্বসনের মুখ্য উদ্দেশ্য। এই গতিশক্তি ও তাপশক্তির দ্বারা জীব খাদ্য গ্রহণ, চলন, রেচন, বৃদ্ধি, জনন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পন্ন করে থাকে। শ্বসন এক প্রকার দহন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন দ্বারা খাদ্য জারিত হয়ে শক্তি নির্গত হয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • জীবের শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চিত্রের সাহায্যে প্রাণীর শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের কাজ বর্ণনা করতে পারব।
  • শ্বসনতন্ত্রের রোগের কারণ ও রোগের লক্ষণ বর্ণনা করতে পারব।
  • শ্বসনতন্ত্রের রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • সালোকসংশ্লেষণ এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার তুলনা করতে পারব।
  • প্রাণীর শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের চিত্র অঙ্কন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুরা হলো দুই ভাজবিশিষ্ট একটি ঝিল্লি বা পর্দা, যা ফুসফুসকে আবৃত করে রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
167
উত্তরঃ

নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের রোগ। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে রোগীর কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়। শ্বাস নেওয়ার সময় নাকের ছিদ্র বড় হয়। বেশি জ্বর হয়। কাশির সময় রোগী বুকে ব্যথা অনুভব করে। নিউমোনিয়া রোগে প্রতিবছর অনেক শিশু মারা যায়। তাই এটি একটি মারাত্মক রোগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
314
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে সংঘটিত প্রক্রিয়াটি হলো বহিঃশ্বসন প্রক্রিয়া।

বহিঃশ্বসন প্রক্রিয়ায় ফুসফুসের মধ্যে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। এ পর্যায়ে ফুসফুস ও রক্তজালিকা বা কৈশিক নালির মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বিনিময় ঘটে। বহিঃশ্বসন দুই পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। যথা-

১. প্রশ্বাস বা শ্বাস গ্রহণ: পরিবেশ থেকে আমরা যে অক্সিজেনযুক্ত বায়ু গ্রহণ করি একে শ্বাস গ্রহণ বা প্রশ্বাস বলে। প্রশ্বাসের সময় মধ্যচ্ছদা ও বক্ষপিঞ্জরাস্থির মাঝের পেশি সংকুচিত হয়।
২. নিঃশ্বাস: প্রশ্বাসের পর পরই নিঃশ্বাস পর্যায় শুরু হয়। এ পর্যায়ে মধ্যচ্ছদা ও পিঞ্জরাস্থির পেশিগুলো শিথিল ও প্রসারিত হয় বলে ফুসফুস আয়তনে ছোট ও সংকুচিত হয়। ফলে বায়ুথলির ভেতরের বায়ু, কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস ফুসফুস থেকে ব্রঙ্কাস, ট্রাকিয়ার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে নাসারন্ধ্র দিয়ে বাইরে নির্গত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
235
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রের F উপাদানটি অর্থাৎ বাতাসে উপস্থিত ধুলাবালি E অংশে, অর্থাৎ ফুসফুসে প্রবেশের ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন- শ্বাসনালীর সংক্রমণে ব্রংকাইটিস হয়। বাতাসে উপস্থিত ধুলাবালি প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে এবং শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্দি থেকে হাঁপানি হতে পারে। উক্ত সমস্যাগুলো প্রতিরোধের জন্য নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতে হবে-

১. আলো ও বিশুদ্ধ বাতাসপূর্ণ গৃহে বসবাস করতে হবে।
২. যেসব জিনিসের সংস্পর্শে আসলে বা খেলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে তা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন- পশমি কাপড়।
৩. ধোঁয়া, ধুলাবালি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে।
৪. ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৫. বেশি করে পানি ও তরল পদার্থ পান করতে হবে।
৬. বাহিরে চলাফেরার সময় অবশ্যই মুখে রুমাল বা মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
182
উত্তরঃ

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ খাদ্যবস্তু অক্সিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে জারিত হয়ে খাদ্যস্থ রাসায়নিক শক্তিকে গতিশক্তি ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত হয় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয় তাই শ্বসন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
187
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কোনো নির্দিষ্ট শ্বসন অঙ্গ নেই। পাতার পত্ররন্ধ্র, কান্ডের লেন্টিসেল এবং অন্তঃকোষের মাধ্যমে বায়ু দেহাভ্যন্তরে প্রবেশ করে। পত্ররন্দ্রের রক্ষীকোষগুলো পত্ররন্দ্রকে খোলা ও বন্ধ রাখতে সাহায্য করে। খোলা পত্ররন্দ্র দিয়ে বাতাস, O2 ও CO2 গ্যাস চলাচল করে। আর এ গ্যাস চলাচলের মাধ্যমেই পত্ররন্ধ্র শ্বসনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
491
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews