আরিফ ও সোহেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মাহমুদপুর গ্রামে। পার্শ্ববর্তী কাশিমপুর গ্রামের মানুষের সাথে মাহমুদপুরবাসীদের দ্বন্দ্ব চিরকালের। কাশিমপুরের এক মেয়ের সঙ্গে সোহেলের হৃদয় দেওয়া-নেওয়া। ধানকাটাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে মারামারি লাগার উপক্রম হলে আরিফ গ্রামের সকলকে ডেকে আনা, লাঠিসোটা জোগাড় করা, জীবনের তোয়াক্কা না করে গ্রামের ইজ্জত রক্ষায় যখন কাশিমপুরবাসীদের প্রতিহত করার পরিকল্পনা করে, তখন শুধুই প্রেমের টানে পরিবার, সমাজ ও এলাকার স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সোহেল কাশিমপুরবাসীদের কাছে মাহমুদপুর গ্রামের সকল প্রস্তুতি ও কৌশলের কথা ফাঁস করে দেয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

রাবণের মধ্যম সহোদর কুম্ভকর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বিভীষণ নিজেকে রাঘবদাস পরিচয় দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন মেঘনাদ প্রশ্নোক্ত উক্তিটির অবতারণা করে।
রাম-রাবণের যুদ্ধে আদর্শিক দিক বিবেচনায় বীর মেঘনাদ স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষাবলম্বন করলেও তারই চাচা বিভীষণ ধর্ম ও ন্যায়ের দোহাই দিয়ে শত্রু রামের পক্ষ নেন। এ নিয়ে চাচা-ভাতিজার সংলাপের একপর্যায়ে বিভীষণ নিজেকে রামের দাস বলে পরিচয় দেন। পিতৃতুল্য চাচার মুখে এমন কথা শুনে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মেঘনাদের লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে করে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে এ বিষয়টিই প্রকাশিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আপনজনদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার সূত্রে উদ্দীপকের সোহেলের সঙ্গে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিভীষণ চরিত্রের মিল পাওয়া যায়।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদ ষড়যন্ত্রের শিকার এক বীর যোদ্ধা। এই ষড়যন্ত্র বাইরের কোনো শত্রুর নয়, বরং স্বজনের চক্রান্তই মেঘনাদকে বিপদাপন্ন করেছে। কেননা, তার চাচা বিভীষণই শত্রু লক্ষ্মণের সাথে আঁতাত করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বোনেন। ফলে কাপুরুষ লক্ষ্মণের আকস্মিক আঘাতে পরাজয় ঘটে বীর মেঘনাদের।
উদ্দীপকে আরিফ ও সোহেল নামের দুটি চরিত্রের উল্লেখ রয়েছে। মাহমুদপুর গ্রামের সাথে কাশিমপুর গ্রামের দ্বন্দ্ব তৈরি হলে আরিফ নিজ গ্রামের হয়ে লড়ার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু সোহেল প্রেমের টানে নিজ গ্রাম এবং পরিজনদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বিপক্ষে অবস্থান নেয়। নিজের গ্রাম মাহমুদপুরের সকল যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে জানিয়ে দেয় শত্রুপক্ষকে। তার এই স্বার্থান্বেষী মনোভাবের দিকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায়ও পরিলক্ষিত হয়। সেখানে বিভীষণ চরিত্রটি ধর্ম ও নৈতিকতার দোহাই দিয়ে শত্রু রামের পক্ষ নেয়। শুধু তা-ই নয়, শত্রুদের সহযোগিতা করে নিজ ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদের জীবনকেও সংকটাপন্ন করে তোলে। অর্থাৎ আলোচ্য কবিতার বিভীষণ এবং উদ্দীপকের সোহেল উভয়েই স্বার্থান্বেষী এবং বিশ্বাসঘাতক। এদিক থেকে তাদের চরিত্রের মিল পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আরিফের মধ্যে এলাকার জন্য যে মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে, 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদ চরিত্রের মধ্য দিয়ে তা ব্যাপকতা লাভ করেছে বলে আমি মনে করি।.
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদ স্বদেশপ্রেম ও স্বাজাত্যবোধে উদ্‌বুদ্ধ এক বীরযোদ্ধা। দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হয়ে রাম-রাবণের যুদ্ধে সে পিতা রাবণের পক্ষ নেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে চাচা বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতায় বিপদে পড়তে হয় তাকে। মৃত্যুমুখে পতিত হলেও সে দেশপ্রেম ও স্বাজাত্যবোধ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
উদ্দীপকের সোহেল নিজ গ্রামবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেও আদর্শের প্রশ্নে আরিফ গ্রামবাসীর পক্ষেই অবস্থান নেয়। গ্রামের মর্যাদা রক্ষাই তার কাছে বড়ো বিষয়। এজন্য মৃত্যুভয়কেও তোয়াক্কা করে না সে। তার এই আদর্শ ও নৈতিক অবস্থান 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদ চরিত্রের কথাই মনে করিয়ে দেয়। মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা তাদেরকে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় আদর্শ নৈতিকতার প্রশ্নে বীর মেঘনাদ স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষাবলম্বন করে। শুধু তা-ই নয়, চাচা বিভীষণকেও সে দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করে। নিরস্ত্র অবস্থায় তাকে সশস্ত্র লক্ষণের মুখোমুখি হতে হলেও সে নিজের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। প্রগাঢ় দেশপ্রেম দ্বারা উজ্জীবিত হয়েছিল বলেই তার পক্ষে এমনটি করা সম্ভব হয়েছে। উদ্দীপকের আরিফও পাশ্ববর্তী গ্রামের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সময় সর্বশক্তি দিয়ে নিজ গ্রামের মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করেছে। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
27


“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
 রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব
 এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,
 সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ
 কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! 
নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
 চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
 কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি
 পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।”
উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্! রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে
 তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে 
অনুরোধ?” উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
 রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে
 আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে ! 
স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
 পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
 ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
 কে তুমি? জনম তব কোন মহাকুলে?
 কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে 
করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে; 
যায় কি সে কভু, প্ৰভু, পঙ্কিল সলিলে,
 শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,
 কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে 
মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,
 অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে ।
 ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে 
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে? 
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা ?
 নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
 এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া
 এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,
 বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি! 
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, 
রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কী দেখি 
ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?
নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগভে পশিল 
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে । 
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে
বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে
 ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্ৰফুল্ল কমলে
 কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে 
হেন অপমান আমি,— ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
 তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
 মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে !
 রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী 
তেঁই আমি । পরদোষে কে চাহে মজিতে?”
 রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি 
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্ৰ কোপি, 
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—“ধর্মপথগামী, 
হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে 
তুমি; – কোন্ ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
 জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা 
জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি 
পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি 
নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা! 
এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে? 
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
 হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে ? 
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।” 
[নির্বাচিত অংশ]


 

Related Question

View All
উত্তরঃ

সৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।

Araf Rizvee
Araf Rizvee
2 years ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews