আরিফ সাহেব গত বছর একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তখন তার শরীরে দুই ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে তার শরীরে প্রায় জ্বর থাকে। ঘুম ঠিকমতো হয় না। সবসময় শুকনো কাশি থাকে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

২০০৫ সালে এইচআইভি/এইডস বিষয়ক জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা অনুমোদিত ও গৃহীত হয়।

উত্তরঃ

পিতামাতার প্রতি শিশুর আসক্তি সৃষ্টি হয় মৌলিক চাহিদা পূরণের মধ্য দিয়ে। 

শিশুকে কোলে নেওয়া, আদর-স্নেহ করা, খাওয়ানো ইত্যাদির মাধ্যমে পিতামাতার প্রতি শিশুর আসক্তি সৃষ্টি হয়। এর ফলে শিশু পিতামাতাকে আদর্শ মনে করে তাদের আচার-আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে। মা- বাবার স্নেহ-মমতাপূর্ণ আচরণ ও মৌলিক চাহিদার পরিতৃপ্তি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে।

উত্তরঃ

পোস্টারের স্লোগানগুলো প্রজনন স্বাস্থ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট। 

প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে শুধু প্রজননতন্ত্রের কাজ এবং প্রজনন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত রোগের অনুপস্থিতিকেই বোঝায় না। এটি শারীরিক, মানসিক, সামাজিক কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থার মধ্য দিয়ে প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পাদনের একটি অবস্থাকে বোঝায়।

প্রজননতন্ত্রের সুরক্ষা, বয়ঃসন্ধিকালের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, উপযুক্ত বয়সে গর্ভধারণ করা, নিরাপদ মাতৃত্ব, শিশুর জন্ম পূর্ব যত্ন, নবজাতকের পরিচর্যা, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা প্রজনন স্বাস্থ্যের অন্তর্ভুক্ত। অনিরাপদ গর্ভপাত প্রতিরোধ করা, পরিবার পরিকল্পনা, প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের সেবা ও রোগ প্রতিরোধ প্রজনন স্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রাহাতের দেখা পোস্টারের স্লোগানগুলো হচ্ছে মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা, প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সচেতন হওয়া, অনিরাপদ গর্ভপাত রোধ, নবজাতকের পরিচর্যা নিশ্চিত করা ইত্যাদি। এসকল স্লোগান প্রজনন স্বাস্থ্যকেই নির্দেশ করছে। সুতরাং পোস্টারের স্লোগানগুলো প্রজনন স্বাস্থ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট।।

উত্তরঃ

প্রজনন স্বাস্থ্যরক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়টি শিশুদের মাতৃস্বাস্থ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ, কিশোর-কিশোরী সকলেরই প্রজনন স্বাস্থ্যরক্ষা করা প্রয়োজন। তাই প্রজনন স্বাস্থ্যরক্ষার উপায় সম্পর্কে জানতে হবে।

প্রজনন স্বাস্থ্যের পরিচর্যার অভাবে নারীদের জরায়ু মুখে ক্যান্সার হতে পারে। এক্ষেত্রে ক্যান্সার না হওয়ার জন্য টিকা দেওয়া, অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভধারণ না করার ব্যাপারে সচেতন করা এবং যৌনবাহিত রোগগুলো। থেকে মুক্ত থাকার জন্য অনিরাপদ শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রজনন স্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিবার পরিকল্পনা। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে সরকারকে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে। প্রজনন স্বাস্থ্য নরনারী যে কারও জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য বিষয়টিকে স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমে আনতে হবে। জনগণকে সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে হবে। 

পরিশেষে বলা যায়, যথাযথ জ্ঞান ও সঠিক আচরণের মধ্য দিয়েই প্রজনন স্বাস্থ্যের সুরক্ষা সম্ভব।

164

Related Question

View All
292
উত্তরঃ

স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে। 

নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে সক্ষম। ৫০-৫৫ বছর বয়সে বা তার আগেই অনেকের মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে 'মেনোপজ বলে।

262
উত্তরঃ

নাঈম HIV ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। প্রাণঘাতী AIDS রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা না করে শরীরে রক্ত গ্রহণ করা। আর এইডস রোগের লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগা এবং শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।

নাঈমের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় পরীক্ষা না করেই এক ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগে। জ্বর ও কাশি না কমায় ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। নাঈমের রোগের লক্ষণগুলো AIDS এর অনুরূপ হওয়ায় বলা যায়, নাঈম AIDS-এ আক্রান্ত হয়েছে।

268
উত্তরঃ

HIV AIDS যেসব কারণে সংক্রমিত হয় সেগুলোকে HIV AIDS এর ঝুঁকি বলা হয়। HIV AIDS-এর ঝুঁকিগুলো হলো-একই সুঁচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক ও HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করানো।

নাঈম অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করে। সাধারণত অপরীক্ষিত রক্তে HIV ভাইরাস থাকতে পারে। এ রক্ত যে গ্রহণ করবে তার দেহে HIV ছড়াবে। এ কারণেই নাঈম HIV ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

তাই রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন হলে আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। নয়তো HIV AIDS-আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। সুতরাং নাঈমের অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ যৌক্তিক হয় নি বলে আমি মনে করি।

273
উত্তরঃ

মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা ও স্বাভাবিকতায় যেসব বিষয় প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান বা নির্ধারক বলে। 

মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান হিসেবে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরিবেশগত অবস্থাকে বিবেচনা করা হয়। মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদানগুলোই মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

 

331
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews