আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লাল কালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপার কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

আবদুল গাফফার চৌধুরী বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই কবি এই বিশেষ দিনটিকে ভুলতে পারেন না।

বহু বাঙালি সন্তানের আত্মোৎসর্গে তৈরি হয়েছে একটি একুশে ফেব্রুয়ারি। শত মায়ের সন্তানকে হত্যা করেছে পাকিস্তানি সেনারা। তাদের রক্তে লাল হয়েছে বাংলার মাটি। বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য শত মায়ের চোখের পানি ও সন্তানের রক্ত ঝরেছে এদেশের বুকে। এ কারণেই কবি এই দিনটিকে আজীবন মনে রাখবেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তপুর মধ্যে 'একুশের গান' কবিতার মাতৃভাষা রক্ষায় আত্মত্যাগের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।

পৃথিবীর প্রতিটি জাতিরই নিজস্ব ভাষা রয়েছে। তারা নিজ নিজ ভাষায় মনের কথা বলার স্বাধীনতা পায়। তাই সবাই তার মায়ের ভাষাকে ভালোবাসে। জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করতে চায় এ ভাষা।

উদ্দীপকের তপুও তার মাতৃভাষা বাংলাকে ভালোবাসত। তাই তো পাকিস্তানি শাসকদের হীননীতি সে মেনে নিতে পারেনি। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন করেছে এবং শহিদ হয়েছে। অন্যদিকে 'একুশের গান' কবিতায় ভাষা আন্দোলনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বাঙালি তার মাতৃভাষা রক্ষায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আন্দোলন করেছিল। এ আন্দোলনে বরকত, সালাম, রফিক, শফিকসহ অনেকে শহিদ হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের তপুর মধ্যে কবিতার মাতৃভাষা রক্ষার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"শোষকের বর্বরতার বিষয়টির প্রতিফলন উদ্দীপক ও 'একুশের গান' কবিতায় যথার্থভাবে হয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

শোষকের নীতিই শোষণ করা। ক্ষমতা আর শক্তির দাপটে সাধারণ মানুষকে দমিয়ে রাখা। অসহায় মানুষদের ওপর কারণে-অকারণে বর্বর অত্যাচার চালানো।

উদ্দীপকে পাকিস্তানি পুলিশের বর্বরতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তারা বাঙালির মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি নিয়ে ছাত্র-জনতা বের হলে পুলিশ সেই মিছিলে গুলি চালায়। অন্যদিকে 'একুশের গান' কবিতায়ও বর্বর শাসকদের হীননীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলার মানুষের প্রাণের দাবিকে তারা দমিয়ে রাখতে চায়। বর্বর পাকিস্তানি শাসকেরা বাঙালিকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে রাখতে চেয়েছিল। এজন্য বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতিসহ নিরীহ মানুষের ওপর চালিয়েছিল নির্মম নির্যাতন, যা বাঙালির জীবনকে বিষময় করেছিল।

পাকিস্তানি শোষকেরা কখনই এদেশের মঙ্গল চায়নি। তারা বাঙালিকে দমানোর জন্য বর্বরতার হীনপন্থা অবলম্বন করেছিল। এ বিষয়টিরই প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপক ও 'একুশের গান' কবিতায়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
217

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি

আমি কি ভুলিতে পারি 

ছেলেহারা শত মায়ের অঙ্গ-গড়া এ ফেব্রুয়ারি 

আমি কি ভুলিতে পারি 

আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি
 

আমি কি ভুলিতে পারি

জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখিরা 

শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা, 

দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবি 

দিন বদলের ক্রান্তি লগনে তবু তোরা পার পাবি? 

না, না, না, না, খুন-রাঙা ইতিহাসে শেষ রায় দেওয়া তারই 

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥
 

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে 

রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;

পথে পথে ফোটে রজনিগন্ধা অলকানন্দা যেন, 

এমন সময় ঝড় এলো এক, ঝড় এলো ক্ষ্যাপা বুনো॥

 

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা

তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা 

ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবিকে রোখে 

ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে

ওরা এদেশের নয়,

দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয় 

ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি 

আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর ছেলে বীর নারী 

আমার শহিদ ভাইয়ের আত্মা ডাকে 

জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাঁকে 

দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালব ফেব্রুয়ারি 

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

'সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা' চরণটিতে কবি পাকিস্তানি সেনাদের কথা বলেছেন।

১৯৪৮ সালে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা বাংলাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বলে ঘোষণা করা হয় তখনই আঘাত লাগে বাঙালির বুকে। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে তারা, শুরু হয় বাংলা ভাষা আন্দোলন। আন্দোলন ক্রমেই সংগঠিত হয়ে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তা প্রবল আকার ধারণ করে। সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে তৎকালীন সরকারের পুলিশ গুলি চালায়। এতে ছাত্র-জনতার অনেকে শহিদ হন। তাই কবি সেই শত্রুদের 'অন্ধকারের পশু' বলে অভিহিত করেছেন যাদের বাঙালি জাতি চেনে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
391
উত্তরঃ

দ্বিতীয় উদ্দীপকের আলোকে বলা যায় 'একুশের গান' কবিতায় বর্ণিত 'ওরা এদেশের নয়' চরণটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির সত্তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। কারণ এই দিনেই বাঙালি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন বাংলার বীর সন্তানরা।

দ্বিতীয় উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্মম অত্যাচার ও নির্যাতনের কথা। তারা বাঙালির ভাষার ওপর আঘাত করার মধ্য দিয়ে কেড়ে নিতে চায় বাঙালির বুকের স্বপ্ন। নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে বাঙালি সন্তানদের। তাঁদের রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। 'একুশের গান' কবিতায় কবি বলেছেন, 'ওরা' এদেশের নয়। উদ্দীপকের 'ওরা' এবং আলোচা কবিতার 'ওরা' একই। ওরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ওরা হত্যা করে এদেশের মানুষকে, ওরা এদেশের নয় বলেই এদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে নির্বিকার চিত্তে। তাই আমরা বলতে পারি যে, দ্বিতীয় উদ্দীপকের আলোকে 'একুশের গান' কবিতায় বর্ণিত 'ওরা এদেশের নয়' চরণটি উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
245
উত্তরঃ

প্রথম উদ্দীপকের যিনি অভিযাত্রিক তিনিই 'একুশের গান' কবিতার ভাষা-শহিদ- মন্তব্যটি যথার্থ।

জাতীয় জীবনকে একটি স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করার জন্য অমর একুশের সীমাহীন অবদানের কথা অবশ্য স্বীকার্য। বিশ্বে অকুতোভয় জাতির পরিচয়ে মাথা তুলে স্থান লাভের জন্য এ অনন্য দিনটির গুরুত্ব সর্বাধিক।

উদ্দীপকে দুঃসাহসিক অভিযাত্রিক দলের কথা বলা হয়েছে। তারা - সকল বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। তারা নির্ভীক, সাহসী, তারা তরুণ তাজা প্রাণ। তাদের চলার শেষ নেই। এ অভিযাত্রিকরা 'একুশের গান' কবিতার ভাষাশহিদের অনুরূপ। কারণ তারা পাকিস্তানিদের বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে গিয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে।
পাকিস্তানিদের রুদ্র মূর্তি তাদের আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারেনি। আত্মত্যাগের মাধ্যমে তারা মাতৃভাষা বাংলার অধিকার অর্জন করেছে।

ভাষাশহিদরা নির্ভীক। তাঁরা জাতির গর্বিত সন্তান। তাঁদের মহান আত্মত্যাগেই বাংলা ভাষা আজ রাষ্ট্রভাষার সম্মান লাভ করেছে। পাকিস্তানি পুলিশের বাধার মুখে জীবন বাজি রেখে তারা এগিয়ে গিয়েছে। উদ্দীপকের অভিযাত্রিক দলেরও সেই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি যে, প্রথম উদ্দীপকের যিনি অভিযাত্রিক তিনিই 'একুশের গান' কবিতার ভাষাশহিদ- মন্তব্যটি যথার্থ

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
179
উত্তরঃ

'দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালব ফেব্রুয়ারি'- লাইনটিতে অন্যায়ভাবে গুলিবর্ষণকারী তৎকালীন পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির জাগ্রত প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে।

'একুশ' বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রথম ধাপ। একুশের অর্জন বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে প্রেরণা জুগিয়েছে। বাঙালি একুশের চেতনা বুকে ধারণ করে স্বাধিকার আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসন ইত্যাদি ধাপ পার হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। একুশের চেতনার আগুন দিয়েই কবি সমস্ত অন্যায়, অবিচার নির্মূল করার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রশ্নোক্ত লাইনটিতে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
189
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews