আলীগড় আন্দোলনের প্রবক্তা হলেন সৈয়দ আহমদ খান। ঊনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সমগ্র ভারত জুড়ে যে ধর্ম এবং সমাজসংস্কার আন্দোলনের ঢেউ ওঠে তা ভারতের মুসলমান সমাজের ওপরও আছড়ে পড়ে। তখন সৈয়দ আহমদ খান সমাজের পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের সার্বিক উন্নয়ন ঘটানোর জন্য যে সংস্কার আন্দোলন পরিচালনা করেন তাই ইতিহাসে 'আলীগড় আন্দোলন' নামে পরিচিত।
Related Question
View All২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ঐদিন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানিয়েছিলেন, 'ফুলকোর্ট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রথম যেদিন উচ্চ আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল (১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর), সেদিন অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালন করা হবে।
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী 'নীল নদ'। আর উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম 'মিসিসিপি'। উল্লেখ্য, পৃথিবীর বৃহত্তম নদী হলো 'আমাজান'। পৃথিবীর গভীরতম নদী ‘কঙ্গো নদী । ইউরোপের দীর্ঘতম নদী 'ভলগা ।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ হলো “The People's Republic of Bangladesh'.
'নাসাকা' মিয়ানমারের বর্ডার ফোর্স। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের পূর্বে নাসাকা মিয়ানমারের বর্ডার ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলো। কিন্তু, ২০১৩ সালের জুলাই মাসে সমালোচনার মুখে নাসাকা বিলুপ্ত ঘোষণা করে মিয়ানমার সরকার। আর তাই 'নাসাকা' বিলুপ্ত হবার পর 'লুনথিন' বাহিনী ক্ষমতাগ্রহণের কথা থাকলেও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষার বর্তমান দায়িত্বে রয়েছে 'BGP বা বর্ডার গার্ড পুলিশ।
জতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। আর এর সদর দপ্তরের স্থপতি ছিলেন ডব্লিউ হ্যারিসন। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে। প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
ফররুখ আহমেদের বিখ্যাত দুইটি কাব্যগ্রন্থ হলো সাত সাগরের মাঝি" (১৯৪৪) এবং "সিরাজাম মুনীরা' (১৯৫২)। তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলোঃ 'নৌলে ও হাতেম' (১৯৬১), 'মুহুর্তের কবিতা' (১৯৬৩), 'ধোলাই কাব্য' (১৯৬৩), 'হাতেম তায়ী' (১৯৬৬), 'নতুন লেখা' (১৯৬৯), 'কাফেলা' (১৯৮০), হাবিদা মরুর কাহিনি' (১৯৮১), 'সিন্দাবাদ' (১৯৮৩), 'দিলরুবা' (১৯৯৪) ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!