আধারাধিকরণ: আধারাধিকরণ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথাঃ
ক. ঐকদেশিক আধারাধিকরণ
খ. অভিব্যাপক আধারাধিকরণ
গ. বৈষয়িক আধারাধিকরণ
Related Question
View Allআকাশে চাঁদ উঠেছে = অধিকরণে ৭মী ।
নীল আকাশের নীচে আমি রাস্তা চলেছি একা = করণে শূন্য।
এই বাক্যে "আলোকিত" শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা "জ্ঞানের আলো" বা "জ্ঞানের আলোকে" বোঝায়। আর "আলোয়" হল একটি কারক যা দেখায় যে একটি কিছু কোন কিছুর উপর আলোর সাহায্যে বা প্রকাশের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।
তাই বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হল, "জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হও" অর্থাৎ "জ্ঞানের আলোকে উজ্জ্বল হও"। এখানে কোন বিভক্তি নেই, কারণ বাক্যে ব্যক্তিগত কেউ বা বস্তু নেই যাকে বিভক্ত করা যাবে।
তিলে তৈল আছে (অধিকরণকারক ৭)
অধিকরণে সপ্তমী
অধিকরণে সপ্তমী
'নতুন ধান্যে হবে নবান্ন' - - এই বাক্যের 'ধান্যে' পদে করণ কারকে ৭মী বিভক্তি প্রযুক্ত হয়েছে।
আধার অধিকরণ কারক তিন প্রকার (ঐকদেশিক, অভিব্যাপক, বৈষয়িক)।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!