হযরত মুহাম্মদ (স) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা নগরীতে কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ। মাতার নাম আমিনী। তাঁর দাদার নাম আব্দুল মুত্তালিব।
মহানবি (স)-এর মাতা আমিনা তাঁর নাম রাখেন আহমাদ (প্রশংসাকারী)। জন্মের আগেই তাঁর আব্বা আব্দুল্লাহ, ইন্তেকাল করেন। আর তাঁর ছয় বছর বয়সে মাতা আমিনা ইন্তেকাল করেন। বাবা-মা হারা এতিম শিশু মহানবি (স)-কে তাঁর দাদা আব্দুল মুত্তালিব লালন-পালন করেন।
হারবুল ফিজার' হলো অন্যায় সমর। একদা আরব দেশে কায মেলায় জুয়াখেলাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও কায়েস বংশের মধ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধ দীর্ঘ পাঁচ বছর স্থায়ী ছিল। অনেক লোক এ যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করে। তাই এটি 'হারবুল ফিজার' বা 'অন্যায় সমর' নামে পরিচিত।
হিলফুল ফুজুল অর্থ হলো শান্তিসংঘ। হিলফুল ফুজুল
গঠনের কয়েকটি উদ্দেশ্য হলো-
১. শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা।
২. বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
৩. অসহায়দের সাহায্য করা।
৪. মানুষের দুঃখ কষ্ট দূর করা।
ইসলাম প্রচারকালে রাসুল (স)-কে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল-
১. আবু লাহাব রাসুল (স)-কে পাথর মেরে রক্তাক্ত করে।
২. তাঁর চলার পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখে।
৩. তাঁর মাথার উপর ময়লা-আবর্জনা রেখে দেয়।
৪. তাঁর এবং তাঁর অনুসারীদের ওপর নির্মম অত্যাচার শুরু করল।
প্রাচীনকালে মিশরের বাদশাহ ছিলেন ফিরআউন। তাদের মধ্যে এক ফিরআউনের নাম ছিল ওলীদ। ওলীদ ছিল খুব লোভী। ওলীদ স্বপ্নে দেখল, বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে এক ঝলক আগুন বের হয়ে এসে তার রাজপ্রাসাদসহ গ্রাস করছে। তার অনুসারী কিবতী বংশকেও জ্বালিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু বনি ইসরাইলগণ সম্পূর্ণ নিরাপদ। আগুন তাদের স্পর্শ করছে না।
হযরত যাকারিয়া (আ)-কে দ্বিখণ্ডিত করার ঘটনা নিচে লেখা হলো-
১. হযরত যাকারিয়া (আ) তাঁর সম্প্রদায়কে দ্বীনের দাওয়াত দিলেন।
২. কিন্তু তারা ইমান না এনে তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে।
৩. তিনি একটি গাছের কোটরে আশ্রয় নিলেন।
৪. ইহুদিরা গাছসহ তাঁকে দ্বিখণ্ডিত করল।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমাদের খুব ভালোবাসেন। তাঁর ইচ্ছায় আমরা সুন্দর জীবন গড়ে তুলব। দুনিয়াতে সুখ-শান্তি পাব। আখিরাতে জান্নাত লাভ করব। জান্নাতে রয়েছে চরম শান্তি ও পরম আনন্দ।
কীভাবে আমরা সুন্দর জীবন গড়ে তুলব। কোন পথে চললে আল্লাহ খুশি হবেন? কী কাজ করলে দুনিয়াতে সুখে বসবাস করব ও শান্তিতে থাকব? এসবের সন্ধান পেয়েছি আমরা নবি-রাসুলের মাধ্যমে। নবি-রাসুল আমাদের শিক্ষক। তাঁরা আমাদের আল্লাহর ইবাদত করার নিয়মকানুন শিখিয়েছেন। সঠিক পথে জীবনযাপন করার পদ্ধতি শিখিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালা অনেক নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন। কুরআন মজিদে ২৫ জন নবি-রাসুলের নাম উল্লেখ আছে। এদের মধ্যে হযরত আদম আলাইহিস সালাম পৃথিবীর সর্বপ্রথম মানুষ এবং প্রথম নবি। আর আমাদের মহানবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। এখন আমরা কয়েকজন নবি-রাসুলের জীবনাদর্শ জানব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!