আষাঢ়ে বাদল নামে, নদী ভর ভর

মাতিয়া ছুটিয়া চলে ধারা খরতর।

মহাবেগে কলকল কোলাহল ওঠে

ঘোলা জলে পাকগুলি ঘুরে ঘুরে ছোটে।'

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদের মৃত্যু ১৯৭৪ সালে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়' বলতে মূলত পদ্মা নদীর তীরবর্তী মানুষের জীবন সংগ্রামের দৃঢ়তার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
পদ্মা নদীর তীরবর্তী মানুষ প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বাঁচে। কঠিন পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে ফসল ফলায়। নির্ভীক জওয়ানরা প্রতিকূল আবহাওয়া ও পরিবেশ উপেক্ষা করে মাঠে কাজ করে। বাঁচতে হলে তাদের পরিশ্রম করে যেতে হবে। না হলে বিপর্যয় অনিবার্য। ফলে জীবন-মৃত্যুর নিয়ত খেলা তাদের জীবনে দৃশ্যমান। কিন্তু এ খেলায় তারা নিঃসংশয়। কারণ তাদের সামনে একটাই পথ- সংগ্রাম করে বেঁচে থাকো, না হলে মেনে নাও মৃত্যু। আলোচ্য পঙ্ক্তিটিতে এ দিকটি ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার পদ্মা নদীর তীব্র গতিবেগের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর বর্ণনায় প্রমত্ত পদ্মার নানা রূপ ফুটে উঠেছে। পদ্মা নদী প্রতিনিয়ত ছুটে চলে। ছুটে চলার মধ্যেই তার আনন্দ। নদীর গতিবেগ জনজীবনেও আনে গতির আবেগ। এ গতিই নদীর শক্তি ও সৌন্দর্যের উৎস। আবার এ গতিই জাগায় ভীতির আবহ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আষাঢ়ে যখন বাদল নামে তখন নদী টইটম্বুর হয়ে ওঠে। নদীও আনন্দে মেতে খরস্রোতে ধেয়ে চলে। স্রোত আর ঢেউয়ের মহাবেগে কলকল কোলাহল ধ্বনি তৈরি হয়। অর্থাৎ নদীর দুরন্ত ছুটে চলা আর গতির দিকটি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে। 'পদ্মা' কবিতায়ও আমরা দেখি পদ্মা নদীর তীব্র গতিময়তা ও স্রোতধারার দৃশ্য। কবিতায় বর্ষা ঋতুতে পদ্মার স্রোত ভয়াবহ হয়ে ওঠার দৃশ্য দেখা যায়। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই উঠে এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার তীব্র গতিবেগের দিকটি প্রকাশ পেলেও এর জীবনঘনিষ্ঠ রূপটি প্রকাশ না পাওয়ায় উদ্দীপকটি কবিতার সামগ্রিক ভাবের ধারক হয়ে উঠতে পারেনি।
ফররুখ আহমদ 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর দুটি রূপ তুলে ধরেছেন। একদিকে রয়েছে এর ভয়ংকর প্রমত্ত রূপ। অন্যদিকে রয়েছে এর কল্যাণময়ী রূপ। নদীর সাথে মিতালি গড়ে ভাঙাগড়ার খেলায় জীবনকে সাজিয়ে নেয় নদীতীরের সংগ্রামী মানুষ।
উদ্দীপকে বর্ষা মৌসুমে একটি নদীর পূর্ণযৌবনা হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। এসময়ে নদী পানিতে টইটম্বুর হয়ে যায়। স্রোতের বেগ প্রবল হয়ে ওঠে। নদীর এই প্রমত্ত রূপের কথা 'পদ্মা' কবিতায়ও এসেছে। তবে এটিই কবিতার একমাত্র দিক নয়।
নদীবিধৌত বাংলাদেশের নদীগুলো পূর্ণ সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত হয় বর্ষা মৌসুমে। এসময় জলে পরিপূর্ণ নদীগুলো যেন কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠে। স্রোতের গর্জনে বুকে কাঁপন ধরে। নদীর এ রূপটির কথা উদ্দীপক ও 'পদ্মা' কবিতায় সমভাবে উঠে এসেছে। তবে 'পদ্মা' কবিতায় এর বাইরেও পদ্মার মমতামূর্তির প্রকাশ লক্ষ করা যায়। পদ্মার পলিতে প্লাবিত এর দুই পাড়ের উর্বর ভূমি মানুষকে দেয় পর্যাপ্ত ফসল, জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহ। আবার বন্যা বা ভাঙনে সব হারানো মানুষ ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে প্রাণশক্তি নিয়ে জেগে ওঠে পদ্মাকে ঘিরেই। নদীর এই কল্যাণময় রূপটির প্রকাশ উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উদ্দীপকে তাই 'পদ্মা' কবিতার সমগ্রভাব ফুটে ওঠেনি বলেই আমি মনে করি

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
44

অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে, পেয়ে চের সমুদ্রের স্বাদ, 

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর

কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ 

তোমার তরঙ্গভঙ্গে বর্ণ তার হয়েছে পাণ্ডুর। 

সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল

কঠিন শ্রমের ফল শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;

উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল

 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়, নির্ভীক জওয়ান 

সবুজের সমারোহে জীবনের পেয়েছে সম্বল।

বর্ষায় তোমার স্রোতে গেছে ভেসে সাজানো বাগান, 

অসংখ্য জীবন, আর জীবনের অজস্র সম্ভার, 

হে নদী! জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান,

মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণবার 

তোমার সুতীব্র গতি। তোমার প্রদীপ্ত স্রোতধারা ॥

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় নিভীক জওয়ান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
195
উত্তরঃ

'মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার'- বলতে মূলত স্থবির জনজীবনে পদ্মার গতি সঞ্চারের দিকটিকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা তীব্র স্রোতঃস্বিনী নদী, প্রবল তার ঘূর্ণি। অশেষ তার উদ্দামতা। পদ্মার তীব্র বেগ ও গতি জনজীবনেও গতির প্লাবন নিয়ে আসে। জড় সমাজ যেন জেগে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তন্দ্বতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
294
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত প্রমত্ত পদ্মার বিধ্বংসী আচরণের সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়।
পদ্মা বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। তীব্র গতিবেগ ও স্রোতের উদ্দাম নৃত্য এ নদীকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। পদ্মা যেন তার গতিবেগ দিয়ে জনজীবনের গতি নিয়ে আসে। তবে বর্ষা মৌসুমে এ নদীর প্লাবনে মানুষের জানমালের অনেক ক্ষতি হয়। এর সুতীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, জনজীবন। 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী রূপের পরিচয় দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর প্রলয়ংকর রূপটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। পদ্মার তুফান দেখে তীরবর্তী মানুষের অন্তর কেঁপে ওঠে। পদ্মায় যে সর্বনাশা
ঝড় তৈরি হয় তা প্রাণঘাতী হতে পারে নিমেষেই। উড়িয়ে নিতে পারে ঘরবাড়ি। একইভাবে, 'পদ্মা' কবিতায়ও কবি পদ্মা নদীর এই বিধ্বংসী
রূপের অবতারণা করেছেন। পদ্মার স্রোতে মানুষের সাজানো বাগান ভেসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এ কবিতাটিতে। শুধু তাই নয়, জীবনের
অজস্র সম্ভারও হুমকির মুখে পড়ে পদ্মার করাল গ্রাসে। উদ্দীপকে 'পদ্মা' কবিতার এ দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পদ্মা নদীর বিধ্বংসী রূপটি ফুটে ওঠায় তা আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপায়ণ।
পদ্মা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ নদী। স্বকীয় ভঙ্গিতে ঢেউ তুলে উদ্দাম গতিতে এ নদী নিরন্তর ছুটে চলে। জনজীবনে সঞ্চার করে গতি। ঝিমিয়ে পড়া জীবনও যেন পদ্মার প্রাণপ্রবাহে জেগে ওঠে। বর্ষাকালে নদীতীরের জনপদের জন্য পদ্মা ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়। এভাবে আলোচ্য কবিতাটিতে পদ্মা নদীর বিধ্বংসী ও কল্যাণময়ী দুই রূপই চিত্রিত হয়েছে।
উদ্দীপকে পদ্মা নদীর নেতিবাচক দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। পদ্মার দুরন্ত তুফান দেখে মানুষের প্রাণ আতঙ্কে কেঁপে ওঠে। জীবননাশের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ তটস্থ হয়ে পড়ে। এভাবে উদ্দীপকটিতে কেবল পদ্মার সংহার রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পক্ষান্তরে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মা নদীর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিকই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আলোচ্য কবিতায় পদ্মা যেমন নির্মম ও প্রলয়ংকর রূপে উপস্থিত, তেমনি আশপাশের অঞ্চলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে মানুষের অন্ন সংস্থানেও পদ্মাকে ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। পদ্মা এখানে স্রোতের বেগে মানুষের সাজানো বাগান, জীবনের অজস্র সম্ভার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পদ্মার পলি পড়া চরে চাষাবাদ করে সংগ্রামী মানুষ সোনার ফসল ফলায়। পেয়ে যায় জীবনের সম্বল। উদ্দীপকে পদ্মা নদীকে শুধু প্রলয়ংকর রূপেই চিত্রিত করা হয়েছে। পদ্মার কল্যাণময়ী রূপটি এখানে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার নির্মম রূপের পাশাপাশি মমতাময়ী রূপটিও দৃশ্যমান। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
উত্তরঃ

ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
111
উত্তরঃ

পদ্মা' একটি সার্থক সনেট বা চতুদর্শপদী কবিতা।
'পদ্মা' কবিতায় প্রথম চারটি স্তবক তিন পঙ্ক্তিযুক্ত এবং শেষের স্তবকটি দুই পঙ্ক্তিতে বিন্যস্ত। চৌদ্দ চরণবিশিষ্ট কবিতাটির প্রতিটি পত্তি ১৮ - মাত্রার। কবিতাটির মিল বিন্যাস- কখক খগখ গঘগ ঘঙঘ ঙঙ। পুরো কবিতাটি পদ্মা নদীকে নিয়ে মূলত একটি অখণ্ড ভাবের দ্যোতনা দেয়। কবিতাটিতে বিশেষ ধরনের অন্ত্যমিল রক্ষিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
135
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews