আসাদুজ্জামান সাহেব অফিস থেকে ফেরার পথে দেখলেন একজন বৃদ্ধ ঠেলাগাড়ি চালক রাস্তার চড়াই দিয়ে একা গাড়ি উঠাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আসাদুজ্জামান দ্রুত চালকের সাথে ধাক্কা দিয়ে ঠেলাগাড়িটি রাস্তায় উঠাতে সাহায্য করলেন। বাড়ি ফিরে দেখলেন, তার ছোট ভাই কামরান সামান্য কারণে গৃহপরিচারকের সাথে দুর্ব্যবহার করছে। গৃহপরিচারক অভিযোগ করে, তাকে কামরান প্রায়ই মারধর করে। শুনে আসাদুজ্জামান ভাইকে তিরস্কার করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য সর্তক করে দেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ উমর ফারুক খালিদ বিন ওয়ালিদকে সিপাহ-সালার থেকে মামুলি সেনা করেছিলেন।
Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কামরান 'উমর ফারুক' কবিতার সেই শ্রেণীর চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যাদের অন্যায়, অত্যাচার ও অহংকারকে হজরত উমর ফারুক (রা.) কঠোর হাতে দমন করতেন। কবিতাটিতে কোনো নির্দিষ্ট খলচরিত্রের নাম উল্লেখ না থাকলেও, এটি উমর ফারুকের ন্যায়পরায়ণ শাসনকে তুলে ধরে যেখানে দুর্বলকে পীড়ন করাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হতো না।

'উমর ফারুক' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম ইসলামি খিলাফতের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর ন্যায় ও আদর্শভিত্তিক শাসনব্যবস্থা তুলে ধরেছেন। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও ন্যায়পরায়ণ শাসক যিনি প্রজাদের কল্যাণের জন্য নিজের সুখ ত্যাগ করতেন। ক্ষমতার দাপটে কেউ যেন দুর্বলকে অত্যাচার করতে না পারে, সেজন্য তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও নির্ভীক। এমনকি নিজ পরিবারের সদস্যরা অন্যায় করলে তাদেরও তিনি শাস্তি দিতে দ্বিধা করতেন না।

উদ্দীপকের কামরান সামান্য কারণে গৃহপরিচারকের সাথে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করে তার অহংকারী, অবিবেচক ও অত্যাচারী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। সমাজের দুর্বল ও অসহায় শ্রেণির প্রতি এমন আচরণ 'উমর ফারুক' কবিতার ন্যায়বিচারের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। হজরত উমর ফারুক (রা.) এমন কোনো কাজকে প্রশ্রয় দিতেন না বরং কঠোর হাতে এর প্রতিকার করতেন। তাই কামরান সেই ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে যাদের অন্যায়মূলক আচরণকে হজরত উমর ফারুক (রা.) তাঁর শাসনামলে কখনও সহ্য করতেন না এবং কঠোর হাতে দমন করতেন।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আসাদুজ্জামানের মধ্যে মহানুভবতা, দুর্বলকে সাহায্য করার মানসিকতা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মতো মহৎ গুণাবলি বিদ্যমান। ‘উমর ফারুক’ কবিতায় বর্ণিত উমর ফারুক ছিলেন ন্যায়পরায়ণ, জনদরদি এবং প্রজার দুঃখ-কষ্টে ঝাঁপিয়ে পড়া একজন আদর্শ শাসক। আসাদুজ্জামানের আচরণে উমর ফারুকের কিছু গুণের প্রতিফলন দেখা গেলেও, তার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব নয়।

উদ্দীপকের আসাদুজ্জামান সাহেব ঠেলাগাড়ি চালককে চড়াই পথ অতিক্রম করতে সাহায্য করে মানবিকতা ও জনদরদি মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন, যা উমর ফারুকের জনকল্যাণমূলক চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উমর ফারুক যেমন সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সচেষ্ট ছিলেন, তেমনি আসাদুজ্জামানও একজন অসহায় মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্য করেছেন। এই দিক থেকে আসাদুজ্জামান নিঃসন্দেহে উমর ফারুকের প্রতিনিধিত্ব করেন।

তবে, উমর ফারুকের চরিত্র ছিল বহু বিস্তৃত। তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ শাসক, বিচারক এবং আদর্শ নেতা যিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করতেন না। উদ্দীপকে আসাদুজ্জামান তার ভাইয়ের অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করেছেন এবং তাকে সতর্ক করেছেন, যা প্রশংসনীয়। কিন্তু উমর ফারুকের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ছিল আরও বৃহৎ এবং প্রশাসনিক। কামরানের মতো একজন পারিবারিক সদস্যের প্রতি আসাদুজ্জামানের তিরস্কার ব্যক্তিগত পরিসরে সীমাবদ্ধ। উমর ফারুকের ন্যায়বিচার ছিল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত এবং সুদূরপ্রসারী, যা সমাজে গভীর প্রভাব ফেলত। একজন সাধারণ ব্যক্তির পক্ষে উমর ফারুকের সমগ্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করা কঠিন, কারণ উমর ফারুকের ছিল এক বিশাল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব।

সুতরাং, উদ্দীপকের আসাদুজ্জামান উমর ফারুকের কিছু মহৎ গুণের আংশিক প্রতিনিধিত্ব করলেও, তার সম্পূর্ণ চরিত্র, ক্ষমতা ও দায়িত্বের প্রেক্ষাপটে আসাদুজ্জামান উমর ফারুকের পূর্ণাঙ্গ প্রতিচ্ছবি নন। উমর ফারুকের ঐতিহাসিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা ছিল অনন্য, যা আসাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত কর্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হওয়া সম্ভব নয়।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
38

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews