আসিফ ও নয়ন দুই ভাই। লেখাপড়ার পাশাপাশি অবসর সময়ে আসিফ আনন্দ পায় সাহিত্য পড়ে আর নয়ন আনন্দ পায় ক্রিকেট খেলে। উপন্যাস আসিফের খুব পছন্দ। সে মনে করে, উপন্যাস পড়ার মতো আনন্দ আর কিছুতেই পাওয়া যায় না। তাছাড়া মানুষের মন যে কত বিচিত্র হতে পারে তা উপন্যাস না পড়লে সে বুঝতে পারত না। অন্যদিকে, নয়নের প্রবল আগ্রহ ক্রিকেট খেলার প্রতি। সে ক্রিকেট খেলে যে আনন্দ পায় তা আর কোথাও পায় না। খেলার ফলে তার মন ও শরীর প্রফুল্ল থাকে।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

লেখকেরা দশের কাছে হাততালির প্রত্যাশা রাখেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

খেলা হচ্ছে জীবজগতে একমাত্র নিষ্কম কর্ম কারণ- এতে কোনো কিছু লাভের বা পাওয়ার অভিপ্রায় থাকে না।
লেখকের মতে, মানুষ খেলায় আনন্দ ব্যতীত অন্য কোনো ফলের আকাঙ্ক্ষা করে না। যদি তা করে তবে তা হয় জুয়াখেলা। প্রাবন্ধিক এরূপ নিষ্কাম খেলার সাথে সাহিত্যের সাদৃশ্য উপস্থাপন করেছেন। খেলার মতো সাহিত্যের উদ্দেশ্যও আনন্দ লাভ করা। অর্থাৎ খেলা বা সাহিত্য দুইটিই জীবজগতে হতে হবে কোনো কামনা ছাড়া কাজ। যে কাজের উদ্দেশ্য হবে শুধু আনন্দের প্রাপ্তি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্য ও খেলার উদ্দেশ্যগত তুলনা করার দিকটির সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের আসিফ লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে সাহিত্য পড়ে আনন্দ পায়, আর নয়ন ক্রিকেট খেলে আনন্দ পায়। আসিফের ধারণা, উপন্যাস পড়ার মতো আনন্দ আর কোনো বিষয়ে পাওয়া যায় না। আর নয়ন ক্রিকেট খেলে যে আনন্দ পায় তা অন্য কিছুতেই পায় না। আলোচ্য প্রবন্ধে সাহিত্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে প্রাবন্ধিক খেলাধুলার উদ্দেশ্যকে যেমন অভিন্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, উদ্দীপকেও আসিফ ও নয়নের দৃষ্টান্তের মধ্য দিয়ে একই সত্যের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তাদের শখ আপাতদৃষ্টিতে বিপরীত মনে হলেও উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যের দিক থেকে উভয়ের মধ্যে রয়েছে অনন্য সাদৃশ্য- প্রাবন্ধিক যাকে চিহ্নিত করেছেন নির্মল আনন্দলাভ হিসেবে। এদিক থেকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বক্তব্যের সঙ্গে উদ্দীপকটির সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে যে আলোচনা করা হয়েছে, তার সঙ্গে উদ্দীপকে উল্লিখিত দুই ভাইয়ের আগ্রহের বিষয়ে রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ সাদৃশ্য।

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক সাহিত্যচর্চার উদ্দেশ্যের সঙ্গে খেলাধুলার উদ্দেশ্যের অভিন্নতা নির্দেশ করেছেন। প্রাবন্ধিকের মতে, বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্যনতুন সম্বন্ধ সৃষ্টি করাই কবি-সাহিত্যিকদের নৈমিত্তিক কর্ম। এ কর্ম সম্পাদনের জন্য উদ্দেশ্যহীন আনন্দের পথ অবলম্বন করে অগ্রসর হতে হয়। মানুষ খেলা দেখতে কিংবা খেলা করতে ভালোবাসে, কারণ তা উদ্দেশ্যহীন। সাহিত্যও তেমনই নিষ্কাম, উদ্দেশ্যবিহীন কর্ম।
উদ্দীপকের আসিফ ও নয়নের আগ্রহের বিষয় ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য এক। তাদের অভিন্ন উদ্দেশ্য হলো আনন্দলাভ করা। একজন উপন্যাস পড়ে বা সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে আনন্দলাভ করে, অন্যজন ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে আনন্দলাভ করে। তারা দুভাই দুটি ভিন্ন বিষয় থেকে একইভাবে আনন্দলাভ করে মনকে প্রফুল্ল রেখেছে।
উদ্দীপকের বক্তব্যের সাহিত্য পড়া ও ক্রিকেট খেলার মূল উদ্দেশ্য আনন্দলাভ। প্রাবন্ধিকের বক্তব্যও একই। তিনি মনে করেন, রসিক পাঠক কোনো প্রত্যাশা নিয়ে কাব্য পাঠ করতে যায় না। যে খেলার ভিতরে কোনো আনন্দ নেই বরং উপরি পাওনা লাভের আশা-রয়েছে, তাকে খেলা না বলে জুয়াখেলা বলতে হয়। খেলার উদ্দেশ্য হলো সকলকে আনন্দ দেওয়া। আবার সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্যও আনন্দ দেওয়া। প্রশ্নোল্লিখিত মন্তব্যটি তাই যথার্থ।
উত্তরের সারবস্তু: প্রমথ চৌধুরী তাঁর 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যচর্চার উদ্দেশ্যের সঙ্গে খেলাধুলার উদ্দেশ্যের অভিন্নতা নির্দেশ করেছেন। আলোচ্য উদ্দীপকের দুই সহোদরের আগ্রহের বিষয় ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য আনন্দলাভ করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
82

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে 'অতি সস্তা খেলনা' বলতে সেই সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে, যা অতি সহজেই পাঠকের মনোরঞ্জন করে।
লেখকের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। সাহিত্য যখন কারো মনোরঞ্জন করে তখন তার মধ্যে আর কোনো আদর্শ থাকে না। তা পরিণত হয় একটি সস্তা খেলনায়। প্রকৃত সাহিত্যিকদের কাছ থেকে এ রকম 'সস্তা খেলনা' জাতীয় সৃষ্টিকর্ম প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
197
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, খেলাধুলার যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যেরও পিছনে তেমনই আনন্দদান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। লেখকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে সাহিত্যে। প্রাবন্ধিকের মতে, সাহিত্যে যখন তত্ত্ব-উপদেশ প্রকাশ পায় বা সাহিত্য যখন জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জ্ঞানের কথা আমাদের মনে কোনো আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। যেমন, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এ তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ের যে সৌন্দর্য তা আমাদের মনে আনন্দের জন্ম দেয়। এই আনন্দ সৃষ্টি করা অর্থাৎ সৌন্দর্যলোকের সন্ধান দেওয়াই সাহিত্যের কাজ। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিতার্থে ও সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে এ বিষয়ই উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি অনুচ্ছেদটিতে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
125
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে শিক্ষা ও সাহিত্যের পার্থক্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের 'শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী' বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে।

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের কাজ মানুষের মনকে জাগানো। সেখানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, শিক্ষা হলো সেই জিনিস যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। সেখানে আনন্দ থাকে না, থাকে বাস্তবতার কৌশল। সাহিত্যে থাকে রসের আবেগ ও ব্যক্তি-মনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। লেখকের এ বক্তব্য প্রমাণ করে, শিক্ষা ও সাহিত্য এক জিনিস নয়। উভয়ের উদ্দেশ্যও ভিন্ন।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্যকে স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের মর্মার্থ হচ্ছে, শিক্ষণীয়। বিষয় অর্থাৎ জ্ঞানের কথা একবার জানা হয়ে গেলে তা আর জানতে ইচ্ছা করে না বা তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। কিন্তু-সাহিত্য সৃষ্টিকাল থেকে আজও পাঠক-হৃদয়ে সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি জাগিয়ে রেখেছে।
আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের বক্তব্য থেকে উপলব্ধি করা যায়, শিক্ষা মানুষকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে রাখে এবং তা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকেই বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনের প্রসার ঘটায় ও পাঠককে নির্মল আনন্দদান করে। শুধু লোকহিতার্থে বা পাঠকের সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। সাহিত্যিক তখন শিক্ষকে রূপান্তরিত হন। বস্তুত, মানুষের বিবেক ও বিবেকতাড়িত বিষয়ের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গি সাহিত্যের মাধ্যমে প্রকাশ ছাড়া আর কোনো মাধ্যম দিয়ে সম্ভব নয়। এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী তা উল্লিখিত অনুচ্ছেদে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
123
উত্তরঃ

রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম হলো 'নরকের দুয়ার'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
399
উত্তরঃ

মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ, কেননা-তা উদ্দেশ্যহীন বা নিষ্কাম কর্ম।
প্রাবন্ধিকের মতে, সাধারণত মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই তার একমাত্র প্রত্যাশা। মানুষ খেলা করে শুধু সেসময়ের কাঙ্ক্ষিত আনন্দের জন্য, অন্য কোনোকিছু পাওয়ার ইচ্ছা তার থাকে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, এ কথাটির পিছনে ব্যক্তির কামনা-বাসনা বা অভিসন্ধির মতো কোনো হীন প্রবৃত্তি কাজ করে না। ক্রীড়াকে তাই তিনি শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
126
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews