আসিফ ও শাহেদ দু'জন বন্ধু। যেকোনো ধরনের বিপদ-আপদে আসিফ আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য চায়। অপরপক্ষে শাহেদ এক পীরের আস্তানায় ঐ পীরের কবরের কাছে গিয়ে পীরের নিকট সাহায্য চায়। আসিফ একথা জানতে পেরে শাহেদকে সতর্ক করে দেয় যে, এরূপ কাজ

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শিরককারীকে মুশরিক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

শিরক শব্দের অর্থ অংশীদার করা, সমকক্ষ মনে করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কিছুকে অংশীদার করাকে শিরক বলে। অপর কোনোকিছুকে আল্লাহ তায়ালার সমতুল্য বা সমকক্ষ মনে করাও শিরক। তাওহিদের বিপরীত হলো শিরক। তাওহিদ হলো একত্ববাদ। আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয় এরূপ বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে। পক্ষান্তরে, শিরক হলো আল্লাহ তায়ালার সাথে অংশীদার করা। কিংবা কাউকে আল্লাহর সমপর্যায়ের মনে করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

পীরের আস্তানায় গিয়ে পীরের কবরের কাছে শাহেদের প্রার্থনা শিরকের শামিল।

আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও কাছে প্রার্থনা করলে আল্লাহর যে একক পরাক্রমশালী পালনকর্তা তা অস্বীকার করা হয়। তাওহিদের বিপরীত হলো শিরক। তাওহিদ হলো একত্ববাদ। আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয় এরূপ বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে। পক্ষান্তরে, শিরক হলো আল্লাহ তায়ালার সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করা। কিংবা কাউকে আল্লাহর সমপর্যায়ের মনে করা। শিরক প্রধানত তিন প্রকার। যথা-১. আল্লাহ তায়ালার সত্তার সাথে শিরক করা। যেমন- আল্লাহ তায়ালার পিতা, পুত্র কিংবা স্ত্রী আছে- এরূপ বিশ্বাস রাখা। ২. আল্লাহ তায়ালার গুণাবলিতে অংশীদার সাব্যস্ত করা। যেমন- সৃষ্টিকর্তা একজন না মেনে একাধিক সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করা। ৩. আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে শিরক করা। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত না করে অন্য কারও ইবাদত করা। যেমন- অগ্নি ও মূর্তিপূজা করা।
আল্লাহর গুণাবলিতে অংশীদার স্থাপন করেছে শাহেদ। তার কাজটি অত্যন্ত গর্হিত এবং শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শাহেদকে তওবা করে তার কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে এবং পুনরায় এরূপ কার্যকলাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

শিরকে লিপ্ত শাহেদের পরিণতি ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ভয়াবহ।
আল্লাহ তায়ালার নিকট সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধ হচ্ছে শিরক। আল্লাহ বলেন, إِنَّ الشَّرْق لَقُلْمٌ عَظِيمٌ অর্থ: নিশ্চয়ই শিরক চরম যুলুম। (সূরা লুকমান: ১৩) শিরকের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্যায় আচরণ করে। কেননা আল্লাহ তায়ালাই মানুষের একমাত্র স্রষ্টা। সকল ইবাদত ও প্রশংসা লাভের হকদারও তিনিই। শিরকের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুর ইবাদত করে। ফলে আল্লাহর সাথে চরম অন্যায় করা হয়।
অন্যদিকে শিরক মানবতাবিরোধী অপরাধও বটে। কেননা মানুষ হলো - সৃষ্টির সেরা জীব বা আশরাফুল মাখলুকাত। আল্লাহ তায়ালা সবকিছু মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন। অথচ মুশরিকরা শিরকে লিপ্ত হয়ে অন্য সৃষ্টির কাছে মাথা নত করে। ফলে মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়। এজন্যই কুরআন মাজিদে শিরককে সবচেয়ে বড় যুলুম বলা হয়েছে। শিরকের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
শাহেদ এক পীরের আস্তানায় ঐ পীরের কবরের কাছে গিয়ে পীরের নিকট সাহায্য চায়। সুতরাং শাহেদ আল্লাহ তায়ালার গুণাবলির সাথে অংশীদার স্থাপন করে শিরক করেছে।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামের দৃষ্টিতে শিরককারী শাহেদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
108

আকাইদ শব্দটি বহুবচন। এর একবচন হলো আকিদাহ। আকিদাহ অর্থ বিশ্বাস। আর আকাইদ শব্দের অর্থ বিশ্বাসমালা। ইসলামের সর্বপ্রথম বিষয় হলো আকাইদ। ইসলামের মূল বিষয়গুলোর উপর মনে প্রাণে বিশ্বাস করাকেই আকাইদ বলা হয়। আকাইদের সবগুলো বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করলে মানুষ ইসলামে প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ তাওহিদ, রিসালাত, আখিরাত, আসমানি কিতাব, ফেরেশতা, তাকদির ইত্যাদির উপর বিশ্বাস স্থাপন করার নাম আকাইদ। যে এসব বিষয়ে বিশ্বাস করে, সে-ই ইসলামে প্রবেশকারী বা মুসলিম।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • তাওহিদের স্বরূপ, গুরুত্ব ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কুফরের পরিচয়, কুফল ও পরিণতি বর্ণনা করতে পারব।
  • শিরকের পরিচয়, কুফল ও পরিণতি বর্ণনা করতে পারব।
  • বাস্তব জীবনে কুফর ও শিরক পরিহার করার উপায়সমূহ বলতে পারব।
  • ইমান মুফাস্সাল (ইমানের বিস্তারিত পরিচয়) অর্থসহ শুদ্ধভাবে পড়তে, বলতে এবং এর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আল্লাহর কয়েকটি গুণবাচক নাম ও এসবের অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আল্লাহর গুণবাচক নাম সম্পর্কিত গুণসমূহ নিজ আচরণে প্রতিফলনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • রিসালাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।
  • ওহির পরিচয় ও এর উপর বিশ্বাস স্থাপনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব এবং সিরাত ও মিযানের পরিচয় বর্ণনা করতে পারব।
  • আখিরাতে বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমে নৈতিক জীবনযাপনের উপায় বলতে পারব।
  • নৈতিক জীবনযাপনে তাওহিদের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

তাওহিদ হলো মহান আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
182
উত্তরঃ

আখিরাতে বিশ্বাস ইমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুনিয়ার জীবনই মানুষের শেষ নয়। বরং আখিরাতের জীবনও রয়েছে। মৃত্যুর পরপরই এ জীবনের শুরু। মানুষ সেখানে দুনিয়ার ভালো কাজের জন্য জান্নাত লাভ করবে এবং মন্দ কাজের জন্য জাহান্নাম পাবে। আখিরাতে অবিশ্বাস করলে মানুষ ইমানদার হতে পারে না। তাই আখিরাতে বিশ্বাস করা অপরিহার্য। আর এজন্যই মুত্তাকি আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
226
উত্তরঃ

নামাযের প্রতি রাজা মিয়ার মনোভাব ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরির শামিল।

আমরা জানি, আল্লাহ তায়ালা ও ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের কোনো একটির অবিশ্বাস করাকে কুফর বলে। যেমন- ইসলামের মৌলিক ও ফরজ ইবাদতগুলোকে অস্বীকার করা কুফর। নামায যেহেতু ইসলামের একটি মৌলিক ও ফরজ ইবাদত সেহেতু এটি অস্বীকার করা কুফরি।

উদ্দীপকটি পাঠ করে আমরা জানতে পারি যে, সমাজপতি রাজা মিয়া তার প্রকল্পে কর্মরত জনাব ফরিদ উদ্দিনকে নামায পড়তে নিষেধ করে বলেন, নামায আবার কিসের জন্য, কাজ কর তাহলেই সুখ পাবে। এজন্য রাজা মিয়ার মনোভাব ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরির শামিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
241
উত্তরঃ

আখিরাতে বিশ্বাস ফরিদ উদ্দিনকে নামাযে দৃঢ় ও দায়িত্বশীল করে তুলেছে।
দুনিয়াতে যে ব্যক্তি ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে সে আখিরাতে সম্মান ও মর্যাদা লাভ করবে। তাঁর আবাসস্থল হবে চিরশান্তির জান্নাত। অন্যদিকে যে ব্যক্তি ইমান আনবে না এবং অন্যায় ও খারাপ কাজ করবে সে আখিরাতে শাস্তি ভোগ করবে। সর্বোপরি আখিরাতে বিশ্বাস করলে মানবজীবন সুন্দর হয়। মানুষ উত্তম চরিত্রবান হিসেবে গড়ে ওঠে। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে সবধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং সৎ ও দায়িত্বশীল জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে।
ফরিদ উদ্দিন বিশ্বাস করে যে, দুনিয়া হলো আমল করার স্থান। আখিরাত হলো ফলভোগের স্থান। আখিরাতে মানুষ কোনো আমল করতে পারবে না। বরং দুনিয়াতে মানুষ যেরূপ আমল করেছে সেরূপ ফল ভোগ করবে।
সুতরাং বলা যায়, যে মূল বিশ্বাসের ফলে ফরিদ উদ্দিন নামাযে দৃঢ় ও দায়িত্বশীল, সেটি হলো আখিরাতে বিশ্বাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
204
উত্তরঃ

আসমাউল হুসনা' অর্থ সুন্দর নামসমূহ। আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক নামসমূহকেই 'আসমাউল হুসনা' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
209
উত্তরঃ

আল্লাহ তায়ালা অতুলনীয়। তাঁর সত্তা যেমন অনাদি ও অনন্ত, তাঁর গুণাবলিও তেমনি অনাদি ও অনন্ত। আল্লাহ তায়ালা সকল গুণের অধিকারী। আল্লাহ তায়ালার এসব গুণ নানা শব্দে নানা উপাধিতে আখ্যায়িত করা হয়। এসব গুণের প্রত্যেকটির পৃথক পৃথক নাম রয়েছে। তিনি সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, দয়াবান, ক্ষমাশীল, শান্তিদাতা ও পরাক্রমশালী। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা ও সর্বশক্তিমান; তিনিই মালিক। এ প্রসঙ্গেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে এবং বলা হয়েছে "কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
161
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews