আহাদ সাহেবের কিছুদিন যাবত বুকে ব্যথা হওয়ায় তিনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানালেন তার হার্টে ১টি ব্লক রয়েছে। বর্তমানে তিনি ডাক্তারের কথামতো নিময়তান্ত্রিক জীবনযাপন করে সুস্থ আছেন। একদিন পত্রিকায় 'স্বাস্থ্য কুশল' পাতাটি পড়ে হৃদরোগ সম্পর্কে তার একটি স্পষ্ট ধারণা হয়েছে। তিনি জানতে পেরেছেন নিয়মিত ব্যায়াম ও পরিকল্পিত খাদ্য গ্রহণই একজন হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বহুদিন সুস্থ সবলভাবে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

থানকুনি পাতা আমাশয় রোগের জন্য উপকারী।

উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তির চাল ও আটার তৈরি খাবার প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে বেশি খাওয়া যাবে না। সাদা চাল ও সাদা আটার চেয়ে লাল চালের ভাত ও গমের ভুসিসহ আটার রুটি এ ধরনের রোগীদের জন্য বেশি উপকারী।

উত্তরঃ

আহাদ সাহেব হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ থাকতে হলে তাকে কিছু কিছু খাদ্য বর্জন করতে হবে। খাদ্যগুলো হলো-

১. মাখন, ঘি, ডালডা, ক্রিম, সস, নারিকেল ও বেশি তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাদ্য।

২. আইসক্রিম, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য ইত্যাদি।

৩. বেশি চর্বিযুক্ত মাংস, হাঁস-মুরগির চামড়া ও এদের তৈরি খাদ্য।

৪. বেশি লবণযুক্ত বা লবণে সংরক্ষিত যেকোনো খাবার, যেমন- পনির, আচার, চাটনি, সস, সয়া সস, চিপস, চানাচুর, নোনা ইলিশ, টিনজাত মাছ ইত্যাদি।

৫. ফাস্ট ফুড যেমন- চিকেন ফ্রাই, পিজ্জা, মাংসের তৈরি নাগেট ইত্যাদি।

৬. বেকারির খাবার যেমন-বিস্কুট, পেস্ট্রি, কেক ইত্যাদি।

৭. সফট্ ড্রিংকস, ডার্ক কফি ইত্যাদি।

উত্তরঃ

আহাদ সাহেব পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন নিয়মিত ব্যায়াম, পরিকল্পিত খাদ্য গ্রহণ ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনই একজন হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে পারে।

এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির খাদ্য গ্রহণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। হৃদরোগীর খাদ্য এমন হতে হবে যেন রোগীর প্রয়োজনীয় খাদ্য শক্তির চাইতে বেশি খাদ্যশক্তি গৃহীত না হয় এবং খাদ্য সুষম হয়। এছাড়াও খাদ্যের মাধ্যমে চিনি, লবণ ও ফ্যাটের গ্রহণ যেন কম থাকে এবং প্রচুর আঁশ জাতীয় খাদ্য যেমন- ফল, শাকসবজি, বিশেষ করে টক জাতীয় ফল খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় যথাসম্ভব নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলতে হবে।

আহাদ সাহেব তার জীবনে উপরিউক্ত বিষয়গুলোর প্রতিফলন ঘটাতে পারলে উপকৃত হবেন।

46
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো রোগে আক্রান্ত হলে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠার জন্য যে বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করা হয় তাই পথ্য।

127
উত্তরঃ

পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে। রোগের কারণে শরীরের যে সকল পুষ্টি ও শক্তির ক্ষয় হয় তা পূরণে পথ্য সাহায্য করে। পথ্য রোগীকে স্বাভাবিক সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

155
উত্তরঃ

পুষ্পার তৈরি করা খাবারটি তার শাশুড়ির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পুষ্পার শাশুড়ি ডায়বেটিসে আক্রান্ত। এ রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই গ্লুকোজ মূলত আসে খাবার থেকে। তাই এ রোগে যে খাবারগুলো শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে দেয় সেগুলো পরিহার করতে হয়।

কিন্তু পুষ্পার শাশুড়ি প্রায়ই আবদার করে ক্ষীরের 'পাটিসাপটা পিঠা খাওয়ার জন্য। পুষ্পা তা তৈরিও করে দেন। ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা মিষ্টি জাতীয় খাবার। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগীকে আরো অসুস্থ করে তোলে। তখন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই পুষ্পার শাশুড়ির ওপর ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি।

84
উত্তরঃ

উপযুক্ত পথ্য পুষ্পার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কারণ পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে।

পুষ্পার শাশুড়ি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনোভাবেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ডায়াবেটিসের ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই পথ্যের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পুষ্পার শাশুড়ি বেশি করে সব রকমের শাকসবজি, ফলের মধ্যে জাম, জামরুল, আমলকী, লেবু ইত্যাদি খেতে পারবে। হিসাব করে ভাত, রুটি, চিড়া, খৈ, মুড়ি, আলু, দুধ, ছানা, পনির, মাছ, মাংস, ডাল, ডিম, বাদাম এবং মিষ্টি ফল যেমন- কলা, পাকা পেঁপে, পাকা আম ইত্যাদি খেতে পারবে। সাদা চাল ও সাদা আটার চেয়ে লাল চালের ভাত ও ভুসিসহ আটার রুটি তার জন্য বেশি উপকারী। তাকে চিনি, গুড়, মিশরির রস, শরবত, সফ্ট ড্রিংকস, জুস, সবরকমের মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর, পেস্ট্রি, কেক ইত্যাদি পরিহার করতে হবে। এতে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক থাকবে। এভাবে পথ্য নির্বাচন করলে পুষ্পা তার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে।

63
উত্তরঃ

ডেঙ্গু জ্বর হলে দেহের তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তখন দেহে পানি ও শক্তির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই সাথে দেহে প্রোটিনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা বেড়ে যায়।

76
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews